ব্রণ দূর করার উপায়ঃ চট জলদি ব্রণ দূর করুন

ব্রণ আসলে কী

ব্রণ দূর করার উপায়

সুন্দর মুখ কে না চায় বলুন। প্রতিটি মেয়েরাই চায় ফর্সা ও জেল্লাদার মুখ। কিন্তু সেই সুন্দর মুখের সব থেকে বড় শত্রু হয়ে দাঁড়ায় ব্রণ। যাকে সাধারণত ইংরেজি ভাষায় বলে থাকি পিম্পেল। জেল্লাদার মুখে একটা ছোট ব্রণ সব সৌন্দর্যতাকে মাটি করে দেয়। সাজ পোশাক, ঘুরতে যাওয়া সব কিছু তেই যেন বিরক্ত প্রকাশ হয়। কোন ক্রিম বা ফাউন্ডেশন দিয়ে এটাকে পুরোপুরি ঢাকা দেওয়া যায় না। আবার খুব সহজে এটা সারতেও চায় না।

এখানে আপনাদের ব্রণ দূর করার উপায় সম্পর্কে কিছু বলব কিন্তু ব্রণ দূর করার আগে আপনাদের জানতে হবে ব্রণ আসলে কী, কোন বয়স থেকে এটা সাধারণত হয়।

ব্রণ আসলে কী

ব্রণ আসলে কী?

সেবিয়াস গ্রন্থি নামে একপ্রকার পদার্থ থাকে যা মুখের ত্বককে মসৃণ রাখে। কোন প্রকারে এই গ্রন্থির মুখ বন্ধ হয়ে গেলে তৈলাক্ত পদার্থ নিঃসরণের বাঁধা দেয় এবং তা ভেতরে ফুলে জমে ওঠে। এটাকেই আসলে ব্রণ বলা হয়ে থাকে। গ্রন্থিটির মুখ বন্ধ থাকায় এটি সাদাটে দেখায়। নালির মুখে জমা কোষগুলির আস্তে আস্তে লালচে হয়ে যায়। এর উপর জীবাণু সংক্রমণে পুঁজ সৃষ্টি হয়। এর ফলে মুখের জীবাণু সংক্রমণ কমে গেলেও মুখের উপর কালো দাগ থেকে যায়।

ব্রণ কোন বয়সে হয়?

ব্রণ সাধারণত ১৫ থেকে ২০২৫ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে। ঘুম কম হলে, জল কম খেলে, পেটের সমস্যায় ভুগলে। অনেক সময় ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত হয়ে গেলে ব্রণ দেখা যেতে পারে

ব্রণ দূর করার উপায়

ব্রণ দূর করার উপায়

  • প্রথমেই যেই কাজটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে, সেটা হল কখনই ব্রণ নখ দিয়ে খোটা যাবে না। কারন তাতে বেশি বাড়বে আর দাগ হয়ে যাবে।
  • মুখ সব সময় পরিষ্কার রাখুন। চোখে-মুখে বেশি করে জলের ঝাপটা দিন।
  • প্রতিদিন খুব বেশি করে জল খেতে হবে, ঠিকমতো ঘুমাতে হবে।
  • টেনশন কম করুন, আঁশ যুক্ত খাবার বেশি করে খান।
  • ব্রণ দূর করার উপায় এ নিম পাতা অসাধারন কাজ করে। নিম পাতা কাঁচা হলুদের সাথে বেটে ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রাখুন। নিম পাতা প্রচুর কার্যকারী।
  • ব্রণ দূর করতে চটজলদি কাজ দেয় কলগেট। দাঁত মাজার পেস্ট ব্রণ উপরে কিছুক্ষণ জন্য লাগিয়ে রাখুন উপকার পাবেন।
  • গোলাপ জলের টোনার ত্বকের লোমকূপ বন্ধ করতে সাহায্য করে। লোমকূপ খোলা থাকলে ময়লা জমে ব্রণ হয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। এক্ষেত্রে গোলাপ জল টোনার হিসাবে কাজ করে। প্রতিদিন মুখ ধোয়ার পর গোলাপ জল তুলোয় করে মুখে লাগিয়ে নিন। এতে লোমকূপ বন্ধ থাকায় ব্রণ হয়ার প্রবণতা কম হবে।
  • যাদের অতিরিক্ত ব্রণ হয়, তারা পাতিলেবুর রস ২ বার আক্রান্ত জায়গাগুলো লাগিয়ে রাখুন। ৫-১০ মিনিট পর ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। খেয়াল রাখবেন ৫-১০ মিনিটের বেশি রাখবেন না।
  • ব্রণ হয়ার একমাত্র লক্ষণ হল অপরিষ্কার ত্বক । তাই ত্বককে রাখতে হবে পরিষ্কার। নিয়মিত স্ক্রাবিং করলে আপনার ত্বক পরিষ্কার থাকবে। ব্রণ শুধুমাত্র মুখে হয় তা নয় শরীরে অন্য জায়গায়ও হতে পারে। স্ক্রাবিং আপনি বাড়িতে ও করে নিতে পারেন। পাকা পেঁপে সাথে চালের গুড়ো আর এক চামচ লেবুর রস নিয়ে একটি মিশ্রন তৈরী করুন। সেই মিশ্রনটি পুরো মুখে ও হাতে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট ধরে মাশাজ করে স্নান করে ফেলুন।
  • মুখে এ ব্রণ দূর করার উপায় বরফের অবদান প্রচুর। দিনে তিন থেকে চার বার কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে ত্বকে লাগান। এতে লালচে ভাব ও ত্বকের জ্বালা ভাব কমবে। কিন্তু কাপড়টা যেন পরিষ্কার হয় সেদিকে লক্ষ রাখবেন।
  • কমলা লেবুর খোসা, মসুরির ডাল, ভালো করে পিষে নিন। এই পেস্টটি সঙ্গে পরিমাণ মতো দুধ মিশিয়ে মিশ্রণটি মুখে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন যখন এটি শুকিয়ে যাবে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।
সম্পর্কিত নিবন্ধ চেক করুন :-
বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here