আপেল সাইডার ভিনগার যে এত গুণ জানলে অবাক হবেন

আপেল সাইডার ভিনগার

সূত্র :- moneycrashers . com

বহু বছর ধরে ভিনিগার ভিন্ন রান্নায় অথবা গৃহের কাজের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ইদানীং রন্ধন প্রণালীতে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আপেল সাইডার ভিনগার। এই উপাদানটি নাম এখন বহু চর্চিত। উপাদানটির নাম শোনেনি এমন মানুষ হয়তো সংখ্যায় কম। তবে আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতা হয়তো জানেন না। এই ভিনিগারটি চুল, ত্বক এবং স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার। তবে ব্যবহার করতে হবে সঠিক ভাবে না হলে কিন্তু আমাদের ক্ষতিও হতে পারে। মুখের ব্রণ চিকিৎসা আপেল সাইডার ভিনিগার অসাধারন। তাই আজকের এই নিবন্ধন থেকে আপেল সাইডার ভিনিগারের স্বাস্থ্য এবং ত্বকের জন্য গুণাগুণ আপনাদের জানাব।

Table of Contents

আপেল সাইডার ভিনেগার কি?

আপেল সাইডার ভিনেগার কি

আপেল সাইডার ভিনিগার নামের মধ্যেই যে ফল রয়েছে সেটি এর মূল উপাদান। এই ভিনিগারটি সাধারণত আপেলের রস থেকে তৈরি হয়। আপেলের রস দিয়ে উৎপন্ন এলকোহল হল আপেল সাইডার ভিনেগার। এটি দেখতে মাঝারি বাদামি রঙের। এ্যাসিটিক এসিড এবং ম্যালিক এসিড উভয়ের উপস্থিতিতে এই স্বাদ টক হয়। এছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, আয়রন আরও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান।

অনেকেই হয়তো জানে না ওজন কমানোর চাবিকাঠি এই ভিনিগার। শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমতে দেয় না। ত্বকের জেল্লা ফেরাতে আপেল সাইডার ভিনেগার ব্যবহার সর্বোত্তম।

স্বাস্থ্যের জন্য আপেল সাইডার ভিনিগারের গুনাগুণঃ

স্বাস্থ্যের জন্য আপেল সাইডার ভিনিগারের গুনাগুণঃ

আপেল সাইডার ভিনিগারে ঔষধি গুণাবলী থাকায় স্বাস্থ্যের পক্ষে সুবিধা রয়েছে । নিচে ১০ টি স্বাস্থ্য জন্য আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতা রইল-

  • আপেল সাইডার ভিনিগার ওজন কমাতে সহায়তা করেঃ

আপেল সাইডার ভিনিগার ওজন কমাতে সহায়তা করেঃ

ভিনিগারের মধ্যে আপেল সাইডার ভিনিগারকে মানুষ বেশি পছন্দ করার কারন হল ভিন্ন উপকারিতা থাকার জন্য। অনেক উপাদান আছে যা ঠিকমতো ব্যবহার করলে ওজন অনেকটা হ্রাস হয় । তেমনি আপেল সাইডার ভিনিগার একটি উপাদান, যা ওজন নিয়ন্ত্রন করতে আশ্চর্যজনক কার্যকর।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত আপেল সাইডার ভিনিগার খেলে পেটের মেদ ঝরাতে সহায়তা করে। তিন মাস নিয়মিত দুই টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনিগার খেলে শরীরের ওজন হ্রাস হতে সক্ষম। এছাড়ারও এর আরেকটি সুবিধা হল খুদা মেটানো। খাবারের সঙ্গে আপেল সাইডার ভিনিগার নিয়মিত ভোজনে পেট সহজেই পূর্ণ হয়ে যায়, যার ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া আমাদের দরকার পরে না। এটা সম্ভব আপেল সাইডার ভিনিগারে উপস্থিত প্যাকটিনের কারনে। তবে এটি নিয়মিত অনুসরণ করলেই ফল পাবেন যা একদিনে সম্ভব নয়। সকালে এক গ্লাস জলে দুই চামচ আপেল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে সকালে পান করতে পারেন।

সারকথাঃ
গবেষণায় দেখা যায়, আপেল সাইডার ভিনিগার লোকজনকে কম ক্যালরি খেতে সাহায্য করে, যা ওজন কমানোর জন্য মূখ্য ভূমিকা পালণ করে ।

  • আপেল সাইডার ভিনিগার ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রন করতে সহায়তা করেঃ

আপেল সাইডার ভিনিগার ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রন করতে সহায়তা করেঃ

সূত্র :- shikhamahajan . com

যাদের হাই ব্লাড সুগার রয়েছে তাদের জন্য আপেল সাইডার ভিনিগার বেশ লাভজনক।
আপেল সাইডার ভিনিগার ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে। যাদের হাই ব্লাড সুগার রয়েছে তাদের জন্য আপেল সাইডার ভিনিগার উপকারি। আপেল সাইডার ভিনিগার ব্যবহার করলে ২ টাইপ ডায়াবেটিস ঝুঁকি কমার সম্ভবনা থাকে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য রোজ রাতে ঘুমানোর আগে উষ্ণ গরম জলে ২ চামচ আপেল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে পান করুন।অ্যাসিটিক এসিড থাকায় এটি ব্লাড সুগারের জন্য উপকারি।

  • ব্যাকটেরিয়া দূর করতে আপেল সাইডার ভিনিগারঃ

ব্যাকটেরিয়া দূর করতে আপেল সাইডার ভিনিগারঃ

সূত্র :- images-prod.healthline . com

আপেল সাইডার ভিনিগার আমাদের বিভিন্ন ধরণের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। বহু সময় ধরে পেটের কৃমি দূর করতে এবং হজম ঠিক করে ব্যবহার হয়ে আসছে। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা আমাদের প্রতিরক্ষা সিস্টেম ভালো রাখে।

  • আপেল সাইডার ভিনিগার পচনতন্ত্র ভালো রাখেঃ

আপেল সাইডার ভিনিগার পচনতন্ত্র ভালো রাখেঃ

আপেল সাইডার ভিনিগারে অ্যাসিটিক অ্যাসিড রয়েছে যা পেটের সমস্যা নিরাময় করে। পেটের কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা, পেটের কৃমি, পাকস্থলির ইনফেকশন ইত্যাদি সমস্ত সমস্যায় আপেল ভিনেগার উপকারী। ১ চা চামচ মধু এবং ১ চা চামচ আপেল ভিনেগার হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। রাতে ঘুমানোর আধ ঘন্টা আগে এটি পান করুন।

  • পায়ের ব্যথা কমাতে আপেল সাইডার ভিনিগারঃ

পায়ের ব্যথা কমাতে আপেল সাইডার ভিনিগারঃ

আপেল সাইডার ভিনিগারে পটাসিয়ামের মাত্রা ভালো পরিমাণে রয়েছে। পায়ের ব্যথা বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। রাতে ঘুমানোর আগে দুই চামচ আপেল সাইডার ভিনিগার উষ্ণ গরম জলে মিশিয়ে পান করলে পায়ের ব্যথায় উপশম হয়।

ত্বকের জন্য আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতাঃ

ত্বকের জন্য আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতাঃ

গরমকাল আসছে আর শুরু হবে ত্বকের যত সমস্যা। স্বাস্থ্যের মতোই আপেল সাইডার ভিনিগার ত্বকেরও যত্ন নেয়। ত্বকে ব্রণ কমিয়ে জেল্লা ফেরাতে এর অবদান অনেক। এ্যাসিটিক, সাইট্রিক, ম্যালিক এবং অ্যামিনো অ্যাসিড সমৃদ্ধ এবং এতে ভিটামিন, এনজাইম এবং খনিজ লবণ রয়েছে যা আপনার ত্বকের জন্য উপকারী। এখানে আপনাদের জন্য আপেল সাইডার ভিনিগারের ত্বকের যত্নে কিছু টিপস রইল-

1. ব্রণ, এবং পিম্পল দূর করতে আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতাঃ

ব্রণ, এবং পিম্পল দূর করতে আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতাঃ

আপেল সাইডার ভিনিগারে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাংগাল সমৃদ্ধ, যা মুখের ব্যাকটেরিয়া দূর করতে কার্যকর। এটি ত্বক পরিষ্কার করে মুখের ব্রণ এবং পিম্পল কমাতে সহায়তা করে।

ব্যবহার করার জন্য উপকরণঃ

• ১ টেবিল চামচ আপেল সাইড ভিনিগার।
• ১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল।
• পরিমাণমতো জল।

ব্যবহার প্রয়োগঃ

• আপেল সাইডার ভিনিগার, অ্যালোভেরা জেল এবং পরিমাণমতো জল মিশিয়ে নিন।
• এবার তুলোর বল নিয়ে মিশ্রণটিতে ডুবিয়ে ব্রণ বা পিম্পল আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে ১০ মিনিটের জন্য ছেড়ে দিন।
• ১০ মিনিট পর উষ্ণ গরম জলে আলতো ভাবে পরিষ্কার করে নিন।

দিনে কয়েকবার ব্যবহার করলেই ফল বুঝতে পারবেন।

2. সূর্যের ট্যান দূর করতে আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতাঃ

সূর্যের ট্যান দূর করতে আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতাঃ

গরমে সূর্য রশ্মির তেজ অন্যান্য সময়ের চেয়ে এক্টূ বেশি থাকে। যার ফলে আমাদের মুখোমুখি হতে হয় ত্বকের নানা সমস্যায়। ত্বকে ব্রণ, পিম্পেল তো রয়েছেই সঙ্গে সূর্যের প্রচণ্ড তেজে পোড়া ত্বক। গরমকালে দীর্ঘক্ষণ বাইরে থাকলে ত্বকে ট্যান পড়ে যায়। তাই ত্বকে ট্যানের হাত থেকে সুরক্ষার জন্য ব্যবহার করতে পারেন আপেল সাইডার ভিনিগার। ভিনিগারে অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বকের সূর্যের পোড়া দাগ দূর করে ত্বকে পিএইচ এর লেভেল বজায় রাখতে সহায়তা করে।

ব্যবহারের জন্য উপকরণঃ

• তিন কাপ আপেল সাইডার ভিনিগার।
• তিন কাপ জল।

ব্যবহারের প্রয়োগঃ

• প্রথমে তিন কাপ জলে তিন কাপ আপেল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে নিন।
• এবার পরিষ্কার কাপড় নিয়ে মিশ্রণটিতে ভিজিয়ে মুখে প্রয়োগ করে নিন।
• কিছুক্ষণ হালকাভাবে মাসাজ করে পরিষ্কার করে নিন।
কয়েকদিন ব্যবহার করলে দেখতে পাবেন সূর্যের পোড়া দাগ দূরে সরে ত্বকে প্রাকৃতিক জেল্লা ফিরে এসেছে।

3. ফেসিয়াল টোনার হিসাবে আপেল সাইডার ভিনিগারঃ

ফেসিয়াল টোনার হিসাবে আপেল সাইডার ভিনিগারঃ

আপেল সাইডার ভিনিগারে এস্ট্রিঞ্জেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বকের রক্ত প্রবাহকে সচল রাখে পাশাপাশি ত্বকের গর্ত হ্রাস করতে সহায়তা করে। ত্বকে পিএইচ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রন করতে এর ভুমিকা অসাধারণ। যারা তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারী, তাদের জন্য রূপচর্চায় আপেল সাইডার ভিনিগার একটি ভালো উপাদান।

ব্যবহারের জন্য উপকরণঃ

• আপেল সাইড ভিনিগার।
• জল।

ব্যবহারের প্রয়োগঃ

• প্রথমে জলে আপেল সাইডার ভিনিগার নিয়ে একটি মিশ্রণ করে নিন। আপনি চাইলে সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল অথবা এসেনশিয়াল ওয়েল মধ্যে যেকোনো একটি যোগ করতে পারেন।
• এবার কিছুক্ষণ বাদে একটি তুলোর বলে করে মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে নিন।
• কয়েকমিনিট রেখে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।
দিনে ১ থেকে ২ বার ব্যবহার করতে পারবেন।

4. ত্বক মসৃণ এবং নরম করতে আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতাঃ

ত্বক মসৃণ এবং নরম করতে আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতাঃ

আপেল সাইডার ভিনিগার ত্বক মসৃণ এবং নরম রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও এতে আলফা হাইড্রক্সিল অ্যাসিড রয়েছে যা ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে ত্বক স্বাস্থ্যকর নতুন কোষ সৃষ্টি করে।

ব্যবহারের জন্য উপকরণঃ

• হালকা গরম জল।
• আপেল সাইডার ভিনিগার।

ব্যবহারের প্রয়োগঃ

• বাথ টবে গরম জল রেখে সঙ্গে আপেল সাইডার ভিনিগার ঢেলে দিন।
• এবার আপেল সাইডার ভিনিগার জলে ১৫-২০ মিনিট ধরে থাকুন।

বাড়িতে বাথ টব না থাকলে এই হালকা উষ্ণ জল দিয়ে স্নান করতে পারেন। এতে ত্বকে প্রতিরক্ষামূলক এসিড আপনার ত্বকে ব্যাকটেরিয়া দূর করে ত্বক করে তুলবে নরম।

5. পা ফাটা কমাতে আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতাঃ

পা ফাটা কমাতে আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতাঃ
পায়ের গোড়ালি ফাটলে শুধু দেখতেই বাজে লাগে না বরং নিজের কাছে কেমন বিরক্তিকর লাগে। অতিরিক্ত জলে থাকলে অথবা ময়শ্চারাইজারের ঘাটতি থাকলে গোড়ালি ফাটে। আবার অনেক সময় ধুলোবালি লাগার কারণে পা ফাটে। এর থেকে চিরতরে রেহাই পেতে আপেল সাইডার ভিনিগার ব্যবহার করতে পারেন।

ব্যবহারের জন্য উপকরণঃ

• এক কাপ আপেল সাইডার ভিনিগার।
• জল প্রয়োজনমতো।

ব্যবহারের প্রয়োগঃ

• প্রথমে জল গরম করে এক কাপ আপেল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে দিন।
• এবার ২০-২৫ মিনিট উষ্ণ গরম জলে পা ভিজিয়ে রাখুন।
• এবার স্ক্রাবার দিয়ে পা ভালো করে পরিষ্কার করে ময়শ্চারাইজার ক্রিম লাগিয়ে নিন।
দিনে ২ বার ব্যবহার করলে পা ফাটা কমে যাবে।

6. দাগ এবং বলিরেখা দূর করতে আপেল সাইডার ভিনিগারঃ

দাগ এবং বলিরেখা দূর করতে আপেল সাইডার ভিনিগারঃ

আপেল সাইডার ভিনিগারে উপস্থিত আলফা হাইড্রক্সিল অ্যাসিড, ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বকের দাগ এবং বলিরেখা দূর করে।

ব্যবহারের জন্য উপকরণঃ

• একটি তুলোর বলে আপেল সাইডার ভিনিগার নিয়ে দাগ ও বলিরেখা অংশে লাগিয়ে রাখুন।
• ৩০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলবেন।
নিয়মিত ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।

7. শুষ্ক ত্বকের যত্নে আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতাঃ

শুষ্ক ত্বকের যত্নে আপেল সাইডার ভিনিগারের উপকারিতাঃ

ব্যবহারের জন্য উপকরণঃ

• এক চা চামচ আপেল সাইডার ভিনিগার ।
• দুই চা চামচ অলিভ অয়েল ।

ব্যবহারের প্রয়োগঃ

• আপেল সাইডার ভিনিগার ও অলিভ অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে শুষ্ক ত্বকে লাগান ।
• ১০-১৫ মিনিট পর হালকা গরম জলে মুখ পরিষ্কার করে নিন ।

অলিভ অয়েল এবং আপেল সাইডার ভিনিগার ত্বক শুষ্ক ভাব কমিয়ে ময়শ্চারাইজিং রাখে। দিনে একবার ট্রাই করে দেখুন।

দেখলেন তো আপেল সাইডার ভিনিগারের কত গুণ। এটি আমাদের স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা মেটানোর পাশাপাশি ত্বকেরও যত্ন নেয়। তাই আজ থেকেই নিজের স্বাস্থ্যে এবং ত্বকের যত্ন নিতে আপেল সাইডার ভিনিগার ব্যবহার করুন।

সারকথাঃ

আপেল সাইডার ভিনিগার ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্নেও কার্যকর।

সচরাচর জিজ্ঞাস্য প্রশ্ন উত্তরঃ

প্রঃ আপেল সাইডার ভিনিগার কীভাবে খেলে উপকার পাওয়া যায়?

উঃ এক গ্লাস উষ্ণ গরম জলের সঙ্গে দুই চামচ ভিনিগার এবং এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে উপকৃত হবেন।

প্রঃ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আপেল সাইডার ভিনিগার কি উপকার?

উঃ আপেল সাইডার ভিনিগার রক্তে সুগারের লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে। তাই ডায়াবেটিসদের জন্য এই ভিনিগার উপকারি।

Leave A Reply

Please enter your comment!
Please enter your name here