বর্তমান আর্থিক বাজারঃ স্টক মার্কেটে শেয়ার কীভাবে কেনা বেচা হয়

বর্তমান আর্থিক বাজারঃ স্টক মার্কেটে শেয়ার কীভাবে কেনা বেচা হয়ঃ

বর্তমান আর্থিক বাজারঃ স্টক মার্কেটে শেয়ার কীভাবে কেনা বেচা হয়ঃ

সাধারণত বাজার বলতেই আমাদের ভাবনায় আসে একটি নির্দিষ্ট জায়গা, যেখানে অনেক দোকান থাকে। যেই জায়গায় আমরা গিয়ে কেনা-বেচা করে থাকি। প্রকৃতপক্ষে, আর্থিক বাজার এই ধরনের বাজার নয়। বর্তমান আর্থিক বাজার এর অবস্থার আলোচনার আগে জানতে হবে আর্থিক বাজার কি, এই বাজারে কিভবে কাজ করা হয়, স্টক মার্কেট শেয়ার কীভাবে কিনতে হয়। চলুন জেনে নিই, এই বিষয়টি সম্পর্কে।

আর্থিক বাজার কি

আর্থিক বাজার কি?

আর্থিক বাজার হল একটি জায়গা, যেখানে কোন মানুষ ও প্রতিষ্ঠান তাদের সম্পত্তি ( যেমন-স্টক, বন্ডস, পণ্যদ্রব) কেনা-বেচা করতে আসে। মানুষ আর্থিক বাজারে হাজার বছর ধরে ব্যবসা করছে। বর্তমান আর্থিক বাজার একদিকে, যেমন পণ্য দ্রব ক্রয় বিক্রয়ে সাহায্য করছে অন্যদিক, তেমনি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক প্রয়োজনও মেটাচ্ছে। বছর বছর ধরে, বাজার বড় এবং দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের চেয়ে বেশি মানুষ এখন এই বাজারে অ্যাক্সেস পেতে সক্ষম।

সারকথাঃ

কম্পিউটারের মাধ্যমে স্টক মার্কেটে শেয়ার কেনা-বেচা সম্পন্ন করাকে আর্থিক বাজার বলা হয়।

বিশ্বের আর্থিক বাজার পতনের দরুন বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীন স্টক মার্কেটে মন্দার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে পাবলিক সেক্টর, এন্টারপ্রাইজ, বাঙ্কিং সেক্টর বিক্রি হছে।

ক্রেতা ও বিক্রেতা দালেল মাধ্যমে তাদের শেয়ার কেনা বেচা করে থাকে। বর্তমান আর্থিক বাজারে এ স্টক এক্সচেঞ্জে তিনটি বিভাগ বোর্ড দেখা যায়-

  1. স্টক এক্সচেঞ্জে
  2. ব্রোকার
  3. বিনিয়োগকারী

ব্রোকার হল স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য। তারাই একমাত্র্র সেখানে ব্যবসা করতে পারবে। গ্রাহকরা সরাসরি শেয়ার কেনা বেচা করতে পারবে না এবং তারা ব্রোকারদের মাধ্যমেই যেতে পারবে।

স্টক মার্কেট বিনিয়োগ করার জন্য প্রচুর পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন নেই। কিন্তু আপনাকে অব্যশই জানতে হবে বর্তমান আর্থিক বাজার এ অন্তত কতটা পরিমাণ অর্থ নিয়াোগ করতে হবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ চেক করুন :- 

ভারতের প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জঃ

ভারতে প্রধান দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ হল বোম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জ আর জাতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ। যেসমস্ত প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ শেয়ার, বাজারে ট্রেড করা হয়। তাদের এই দুটো স্টকে তালিকাভুক্ত করা হয়। তবে যে কোন সংস্থাকে এই দুটি স্টকে নথিভুক্ত করা হয় না।

ডিম্যাট আ্যাকাউন্টঃ

ডিম্যাট আ্যাকাউন্টঃ

দেশের অধিকাংশ অংশ ও তাদেরর সহায়ক বা অনান্য সংস্থা এই এক্সচেঞ্জের দালাল হিসেবে কাজ করে থাকে। গ্রাহক এই ব্রোকার সংস্থাগুলিতে যেতে পারে এবং ডিম্যাট আ্যাকাউন্ট এর সম্পর্কে তথ্য দিয়ে ব্রোকারের সঙ্গে তাদের আ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন।

এভাবে গ্রাহকের ডিম্যাট আ্যাকাউন্ট, ব্রোকারদের আ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত হয় ।গ্রাহকের ডিম্যাট আ্যাকাউন্ট থেক শেয়ার ক্রয় ও বিক্রয় পরিমাণ স্থানান্তরিত হয়।

একইভাবে গ্রাহক তার ব্যাংক আ্যাকাউন্টকে ব্রোকারের আ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিঙ্ক করতে পারে, যেখান থেকে কেনা ও বিক্রি করা শেয়ারের পরিমাণ গ্রাহকের আ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়।

ট্রেডিং অ্যাকউন্টঃ

যখন কোন কোম্পানি ল্যাভাংশ ঘোষণা করে ,তখনই গ্রাহক দ্বারা কেনা শেয়ার তাদের ডিম্যাট আ্যাকাউন্টে থাকে। তারপর সেই আ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংক আ্যাকাউন্টে ল্যাভাংশের পরিমাণ পৌঁছৈ যায়।

একইভাবে, যদি বোনাস শেয়ারের ল্যাভংশ ঘোষণা করে সেটি শেয়ার হোল্ডারদের ডিম্যাট অ্যাকাউন্টে আসে। গ্রাহক শেয়ারগুলি ব্রিকি করে, যা একই ডিম্যাট আ্যাকাউন্ট থেকে স্থানান্তরিত হয়।

শেয়ারগুলিতে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য, একজন বিনিয়োগকারী অব্যশই একটি ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারদের সঙ্গে একটা ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট এবং এটির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা উচিত। অধিকাংশ ব্যাঙ্কেই এই তিনটি আকাউন্ট খোলার সুবিধা থাকে। বেশিরভাগ ব্রোকার হউস সুবিধাজনক অনলাইন স্টক ট্রেডিং প্রদান করে। এছাড়াও আপনি আপনার কলটি অর্ডার করতে পারেন।

সারকথাঃ

যদি আপনি স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ করতে চান, তাহলে এটা জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে বর্তমান আর্থিক বাজার এ স্টক মার্কেটটা আসলে কি আর কীভাবে স্টক মার্কেটে শেয়ার কেনা বেচা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here