এখানে রইল ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের সুবিধা ও অসুবিধা

ইলেকট্রনিক গ্যাজেট কি

গ্যাজেট নিত্যদিনের মানুষের সঙ্গী। আজকের দিনে এটা ছাড়া হয়তো মানুষের বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। এই ইলেকট্রনিক গ্যাজেটগুলি (যেমন- মোবাইল, কম্পিউটার, ভিডিও গেমস, স্মার্ট ওয়াচ, ক্যামেরা, রান্নাঘরের ইলেকট্রনিক গ্যাজেট ইত্যাদি) আমাদের জীবনধারণ মাত্রা বদলে দিয়েছে। মানুষের জীবন এবং কাজের অগ্রগতি আরও সহজ করে তুলেছে। কর্মক্ষেত্রে অগ্রগতি বা শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার মান উন্নত করায় ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের অবদান প্রচুর।

গ্যাজেটের দানেই আমরা ঘরে বসে অনলাইনে পড়াশুনো বা ব্যবসা করতে পারি। কিন্তু মানব জীবনে গ্যাজেটের উপকার থাকা সত্ত্বেও এই গ্যাজেট মানুষকে ক্ষতির পথে নিয়ে যাছে। গ্যাজেটের সুবিধা পাশাপাশি অসুবিধাও বিদ্যমান। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আজ আমরা কি নিয়ে আলোচনা করব। এখানে আপনাদের জন্য রইল গ্যাজেটের সুবিধা ও অসুবিধা কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা আপনাদের জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরী।

ইলেকট্রনিক গ্যাজেট কি

ইলেকট্রনিক গ্যাজেট কি?

ইলেকট্রনিক গ্যাজেটগুলি এমন এক ধরণের ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা চালানোর জন্য বৈদ্যুতিক শক্তির প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ টেলিভিশন, ভিডিও গেমস, কম্পিউটার, মোবাইল অ্যাপ, ফোন অ্যাপ, ট্যাবলেট ইত্যাদি।

তরুণ মানুষ এবং বাচ্চাদের ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের দিকে ঝোঁক বেশি। কিছু গ্যাজেট শিক্ষা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা এবং জ্ঞান বাড়িয়ে দিতে ইলেকট্রনিক গ্যাজেটগুলি তুলনা অপরিসীম।

ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের সুবিধা ও অসুবিধা

আধুনিক টেকনোলজি পুরনো টেকনোলজির অগ্রগতি। আধুনিক টেকনোলজির যুগে এই গ্যাজেটগুলি আমরা উপায়ে ব্যবহার করে থাকি। কখনও এই গ্যাজেট ব্যবহার আমাদের ভালো করে আবার ভালো করতে চেয়ে আরও ক্ষতি করতে পারে। ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের সুবিধা ও অসুবিধা কি তা নীচে রইল।

ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের সুবিধাঃ

ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের সুবিধাঃ

1. শিক্ষার পূর্বে ছোটোদের জ্ঞান অর্জনঃ

ইলেকট্রনিক গ্যাজেটগুলি স্কুলশিক্ষার আগে থেকেই শিশুদের জ্ঞান, শোনার ক্ষমতা উন্নত করে।

2. যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিঃ

কম্পিউটার এবং মোবাইল গ্যাজেটগুলি তৈরি হওয়ার পরে ব্যাপকভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নত হয়েছে। কয়েক মাইল দূর থেকে মানুষকে যোগাযোগের সূত্রে আবদ্ধ করে। গ্যাজেটগুলি ইমেল, বার্তা, ফোন পরিষেবা, ভিডিও চ্যাট এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্সেস প্রদান করে যা ব্যক্তিগতভাবে এবং পেশাদারভাবে সংযুক্ত থাকতে আমাদের সহায়তা করে।

ছোট শিশুদের জন্য গ্যাজেটঃ

3. ছোট শিশুদের জন্য গ্যাজেটঃ

গ্যাজেট শিশুদের দক্ষতা, সৃজনশীলতা এবং কৌশলগত ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

4. দক্ষতা বৃদ্ধিঃ

কম্পিউটার ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের সাক্ষরতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করে।

সুপারিশ নিবন্ধন :- 
5. স্বাধীনভাবে শেখার উন্নতি করেঃ

ইলেকট্রনিক গ্যাজেটগুলি শিক্ষার্থীদের শিক্ষক ছাড়াই স্বাধীনভাবে শিখতে সক্ষম করে।

কাজের গতি দ্রুত করেঃ

6. কাজের গতি দ্রুত করেঃ

কর্মক্ষেত্রে কাজের দ্রুততর করে তুলতে অনেকগুলি গ্যাজেট রয়েছে। পারিবারিক কাজকর্ম থেকে অফিসের কাজকর্ম করার জন্য এমন কিছু গ্যাজেট রয়েছে যা কাজের দক্ষতা বাড়িয়ে তুলবে। পাশাপাশি অল্প সময়ের মধ্যে দ্রুত কাজ সম্পূর্ণ করবে।

7. দ্রুত তথ্যের অ্যাক্সেস পেতেঃ

কম্পিউটার বা ইন্টারনেট মাধ্যমে তথ্য দ্রুত অ্যাক্সেস পেতে পারেন। বর্তমানে বেশিরভাগ প্রযুক্তি এবং গ্যাজেট খুব জনপ্রিয়। ইন্টারনেটে ‘সার্চ ইঞ্জিন’ আপনাকে যে কোনও বিষয়ে তথ্য খুঁজে পেতে সহায়তা করবে।

8. উচ্চ লাভঃ

নতুন প্রযুক্তিগুলি আপনার ব্যবসাকে আরও উন্নত করে তুলবে। নতুন প্রযুক্তির গ্যাজেটগুলি কাজের দক্ষতা বাড়িয়ে আপনার ব্যবসায় উচ্চ লাভ পেতে পারেন।

গ্যাজেটের অসুবিধাঃ

গ্যাজেটের অসুবিধাঃ

গ্যাজেট একদিকে যেমন আমাদের সহজতর করে তুলছে অন্যদিকে কিছু ক্ষতি করছে। গ্যাজেটের সুবিধা এবং অসুবিধা উভয়ই বিরাজমান। উপরে আমরা গ্যাজেটের সুবিধা সম্পর্কে জানলাম, এবার জানব গ্যাজেটের অসুবিধার কথা।

গ্যাজেট ব্যবহারের ফলে ক্ষতির আশঙ্কাঃ

ভিন্ন ধরনের গ্যাজেটের মাধ্যমে ( যেমন মোবাইল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ ইত্যাদি) আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার থাকি এবং সেখানে আমরা আর্থিক লেনদেন করে থাকি। সর্বদা অনলাইনে জালিয়াতির সম্ভবনা থাকে। যা জন্য ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

গ্যাজেট ব্যবহারের ফলে মানুষ অলস হয়ে উঠছেঃ

দিনের পর দিন মানুষ গ্যাজেটের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে উঠছে। আমাদের জটিল কাজগুলি দ্রুত সমাধানের জন্য গ্যাজেট ব্যবহার করি। কিন্তু এতে মানুষ আরও আলস হয়ে পড়ছে।

গ্যাজেট ব্যবহারের ফলে ভিন্ন ধরণের রোগঃ

মানুষ দীর্ঘক্ষণ গ্যাজেটের সঙ্গে কাটাছে। বিশেষ করে ইন্টারনেট এবং কম্পিউটার। তাছাড়া তরুণ প্রজন্ম স্মার্টফোনের প্রতি বেশি আসক্ত হচ্ছে। অনেক বিজ্ঞানীদের মতে, মোবাইল ফোন থেকে ভিন্ন ধরণের রোগ হতে পারে, যেমন মাথা ব্যথা, কানে যন্ত্রণা এবং ক্যান্সারও হতে পারে।

আশা করব, ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে আপনাদের ধারণা হয়েছে, এবার গ্যাজেট ব্যবহার আগে একটু সচেতন হন।

সারকথাঃ

গ্যাজেট ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয় তবে, দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার না করাই শ্রেষ্ঠ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here