
বর্তমানে ‘বিগ বসে’র ঘরে রয়েছেন অভিনেতা জীতু কমল। ঘরের ভিতর হোক বাইরে, বরাবর তিনি থাকেন টাইমলাইনে । এই ইন্ডাস্ট্রিতে তাকে ঘিরে রয়েছে নানা অভিযোগ। কখনো অ্যারোগেন্টের তকমা আবার কখনো সহ-অভিনেত্রীর সাথে বিবাদ নিয়ে বারবার কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয় তাকে। তবে জিতুrর বিরুদ্ধে ইন্ডাস্ট্রির দেওয়া এই অভিযোগ কি একেবারেই সত্যিই নাকি নেপথ্যে রয়েছে ইন্ডাস্ট্রির অন্য কাহিনী?
জীতু সাথে সহ-অভিনেতার যে অভিযোগ সেটা একেবারেই ভুয়ো। সেই প্রমাণ মিলেছে বহুবার। অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায় ছাড়া কোন সহ-অভিনেত্রীদের সাথে জীতুর বিবাদ নেই বললেই চলে। বরং সকলেই বহুবার তার প্রশংসা জানিয়েছেন অতীতে। অভিনেত্রী টুম্পা ঘোষ, উষসী রায় থেকে প্রতুষা পাল সকলেই কাজ করেছেন অভিনেতার সাথে। অতীতে বহু সাখক্ষাৎকারে তারা জানিয়েছিলেন, ‘জীতু কমল খুব প্রোফেশনাল একজন অভিনেতা। তিনি সবসময় অভিনয়ে ডুবে থাকেন। কাজ চলাকালীন তাঁদের মধ্যে কোন বিবাদ হয়নি। বরং মজা করেই কাজ করতেন তারা।” এমনকি বড়পর্দায় শুভশ্রী, শ্রাবন্তী, মিথিলা, জয়া হোসেনের মতো তারকারাও জীতুর সাথে কাজ করে প্রশংসা জানিয়েছেন।
সদ্য শেষ হওয়া ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’। যেখানে দিতিপ্রিয়া ছেড়ে যাওয়ার পর সেই জায়গা নিয়েছিলেন শিরীন পাল। খুব অল্প সময়ের মধ্যে দর্শকের ঘরে ঘরে অপর্ণা হিসাবে পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। শুধুই তাই নয়, শিরীন পাল আর জীতু কমলের অফস্ক্রিনে বন্ধুত্বপূর্ণ বন্ডিংও ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই তা স্পষ্ট কিন্তু ধারাবাহিক চলাকালীন এমন অভিযোগ উঠেছিল, সহ-অভিনেত্রী শিরীনের সাথেও নাকি ঝামেলা ছিল জীতুর। যদিও সেটা ছিল নিছক রটনা। নবাগতা অভিনেত্রীর সাথে জীতু কমলের কোন সমস্যাই ছিল না বলেই সূত্রের দাবি।
এমনকি সিরিয়াল শেষ হওয়ার পরও শিরীন পাল জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে তেমন কোনো সমস্যাই হয়নি। যা রটেছে সবটাই মিথ্যা। এমনকি তিনি জানিয়েছিলেন জিতু দার সাথে আমার ফোনেও কথা হয়েছিল তারপরে। এমন কিছু ঘটেনি।
সিরিয়ালের শেষে এক সাক্ষাৎকারে শিরীন সহ-অভিনেতার প্রশংসা করে জানিয়েছিলেন, “জীতুদার থেকে সব সময়ে সাহায্য পেয়েছি। এটা আমার সৌভাগ্য যে, জীতুদা আমার প্রথম হিরো। ক্যামেরার সামনে প্রথম দৃশ্যের শট ওঁর সঙ্গে দিয়েছি। এটা বড় পাওনা হয়ে থাকবে আমার জীবনে।”
সহ-অভিনেত্রীদের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় থাকা সত্ত্বেও কেন বারবার অভিনেতার বিরুদ্ধে উঠে আসে এমন ভুয়ো অভিযোগ? সত্যের পথে হাঁটা, অন্যায়ের সাথে আপোষ না করাই কি, কাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে অভিনেতার জীবনে? প্রশ্ন রয়েই যায়।
