অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা: ২৫ টি অল্প পুঁজিতে ব্যবসার আইডিয়া

অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা

অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা

সূত্র:- i.ytimg . com

আমাদের জীবনে ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য টাকা অত্যন্ত জরুরী। প্রত্যেক ব্যক্তির নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে অর্থ উপার্জন করতে চায়। আজকাল, আমাদের দেশের যুবক অন্য কারো জন্য কাজ করার পরিবর্তে নিজের ব্যবসা করতে চায়। কিন্তু বেশিরভাগ যুবকদের আর্থিক অভাব রয়েছে, তাই তারা ভাবতে শুরু করে যে তারা কখনই ব্যবসা করতে পারবে না। সেই অল্পবয়সী ব্যক্তিরাও মনে করেন যে তাদের নিজস্ব ব্যবসা শুরু করার জন্য তাদের প্রচুর বিনিয়োগের প্রয়োজন। তবে আপনি চাইলে অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা করতে পারবেন।

অনেক ব্যবসা রয়েছে যেখানে ব্যবসা শুরু করার জন্য অল্প পুঁজির প্রয়োজন হয় এবং ব্যবসায় ভালো লাভ করাও সম্ভব। এই সমস্ত ব্যবসাগুলিকে লঙ টার্ম বিজনেস বলা হয়ে থাকে।

২৫ টি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা

Contents

1. মোবাইলের দোকানের ব্যবসা ( Mobile Shop Business):

মোবাইলের দোকানের ব্যবসা ( Mobile Shop Business)

আমরা আজকাল প্রতেকেই স্মার্টফোন ব্যবহার করি। ইদানিং এর চাহিদা খুব বেড়েছে। এবং আশা করা যায় ভবিষ্যতে আরও চাহিদা বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। আপনি যদি এই হিসাবে লক্ষ্য করেন তাহলে মোবাইলের দোকান খোলা খুব লাভজনক ব্যবসা হবে। এর জন্য আপনার খুব টাকার প্রয়োজন হবে না। শুধু আপনি একটি ছোট দোকান দিয়ে শুরু করতে পারেন এবং কিছু ভালো স্মার্টফোন যেগুলি মানুষের চাহিদা এখন বেশি। যেমন- রেড মি। এগুলি আপনি খুব বাজেটে কিনতে পারবেন।

প্রথমে আপনাকে অল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করতে হবে। ধীরে ধীরে যখন আপনার আয় হবে তখন আপনি নিজে একটু একটু করে দোকানটা বড় করবে। তবে এর জন্য আপনাকে প্রথমে ৬-৭ মাসের উপার্জন আপনার এই ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে হবে ব্যবসার উন্নতি করার জন্য। এটি একটি ভালো উপায় ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

  1. মোবাইল,কম্পিউটার এবং ল্যাপটপ রিপিয়ারিং ব্যবসা(Mobile/Computer/Laptop Repairing Business):

মোবাইল,কম্পিউটার এবং ল্যাপটপ রিপিয়ারিং ব্যবসা(Mobile/Computer/Laptop Repairing Business)

অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা আরও একটি হল রিপিয়ারিং এর ব্যবসা। সে মোবাইল রিপিয়ারিং হোক অথবা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ রিপিয়ারিং ব্যবসা হোক। মার্কেটে এখন এর অনেক চাহিদা।

আপনি যদি মোবাইল বা কম্পিউটার রিপিয়ারিং এর কাজ জেনে থাকেন তাহলে চাইলে খুব সামান্য পরিমাণ পুঁজিতে আপনি এই ব্যবসা চালু করতে পারেন। আর যদি না জেনে থাকেন তাহলে কোন প্রতিষ্ঠানে এই কোর্স শিখে নিতে পারেন। এই কোর্স সম্ভবত তিন মাসের জন্য হয়।

এই কোর্স করে আপনি সহজেই মোবাইল অথবা ল্যাপটপ, কম্পিউটার রিপিয়ারিং করার দোকান খুলে বসতে পারবেন। এই সমস্ত গ্যাজেটের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার হিসাব করে ভবিষ্যতে আপনি এই ব্যবসার দ্বারা ভালো উপকৃত হবেন।

  1. আইসক্রিম দোকানের ব্যবসা (Ice- Cream Shop Business):

আইসক্রিম দোকানের ব্যবসা (Ice- Cream Shop Business)

আইসক্রিমের চাহিদা বরাবরই বেশি। তাই আপনি আইসক্রিমের দোকান খোলার চিন্তাভাবনা শুরু করতে পারেন। তবে তার জন্য আপনাকে সামান্য পুঁজিতে একটি দোকান খুলতে হবে। যাতে লোকজন সেখানে বসে আইসক্রিম খেতে পারে। ঠিক আইসক্রিম পার্লারের মতো। খুব বড় প্রয়োজন নেই শুরুতেই। প্রথমে একটি ছোট দোকান খুলেন পরে পুঁজি বাড়লে আপনি দোকান বড় করার চিন্তাভবনা করবেন।

তবে মাথায় রাখবেন এই ধরণের ব্যবসা এখন অনেকেই করে তো আপনাকে সঠিক জায়গা খুঁজে নিতে হবে। এমন জায়গা খুঁজুন যেখানে মানুষের যাতায়াত বেশি রয়েছে। যেমন- স্কুল, কলেজ, মার্কেটের সামনে। প্রথমে অল্প কিছু আইসক্রিম তুলুন এবং ধীরে ধীরে বাড়ান। অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা করতে চাইলে এটি একটি অসাধারণ আইডিয়া।

  1. বিউটি পার্লারের ব্যবসা (Beauty Parlour Business):

বিউটি পার্লারের ব্যবসা (Beauty Parlour Business)

এই ব্যবসাটি মহিলাদের জন্য একটি খুব ভালো ব্যবসা। যা খুব কম পুঁজিতে শুরু করা সম্ভব। যেসমস্ত মেয়েরা বা বাড়ির বউরা বিউটি পার্লারের কাজ করতে ইচ্ছুক তাদের জন্য এই ধরণের ব্যবসা অতি উত্তম। আর এখন এটির চল দিনে দিনে বাড়ছে তাই সেইদিক থেকে লক্ষ্য করলে ভবিষ্যতে এর চাহিদা আরও অনেক বাড়বে। আর পুঁজিও বাড়বে।

যারা বিউটি পার্লারের কাজ জানেন না তারাও চাইলে বিউটিশিয়ান কোর্স শিখে নিতে পারেন। এটা শিখতে আপনার মাত্র ৩-৪ মাস মতো সময় লাগবে। তারপর আপনার নিজের বাড়িতেই খুলে নিতে পারেন পার্লার। এতে আপনার অর্থ কিছুটা সেভ হবে। তবে, খেয়াল লাগবেন আপনার হাতের কাজ যেন নিখুঁত হয়। ভালো কাজ করলে কাস্টমার জোগাড় করা তেমন কঠিন কাজ হবে না। ইদানীং মেকআপ আর্টিস্টের চাহিদা খুব বেশি। তাই আপনি চাইলে বিউটি কোর্সের সঙ্গে এই কোর্সটিও শিখে নিতে পারেণ। তাতে আপনার লাভ বেশি হবে।

  1. ফ্রিল্যান্সার ব্যবসা (Freelancer Business):

ফ্রিল্যান্সার ব্যবসা (Freelancer Business)

অনেকে ফ্রিল্যান্সিংকে ব্যবসা বলে মনে করে না। আপনি কি জানেন অনেক লোক ফ্রিল্যান্সার হিসাবে অথবা ফ্রিল্যান্সিং এজেন্সিগুলি খোলার মাধ্যমে অনেক অর্থ উপার্জন করছে। যদি আপনি ওয়েব ডিজাইনিং, সফ্টওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ফটো এডিটিং, রাইটিং, ট্রান্সলেশন ইত্যাদি বা অন্য কোন কাজের দক্ষতা থাকে তবে আপনি পেশাদার ফ্রিল্যান্সার হয়ে সহজেই অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

  1. জিম এবং ব্যায়ামের ক্লাসের ব্যবসা (Gym and Yoga Classes Businness):

জিম এবং ব্যায়ামের ক্লাসের ব্যবসা (Gym and Yoga Classes Businness)

বর্তমানে প্রত্যেকটি ব্যক্তি সে বয়স্ক হোক বা যুবক, মহিলা হোক অথবা পুরুষ, সবাই চায় তাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকুক এবং ফিট বডি হোক। যার জন্য তারা জিম এবং যোগব্যায়াম অথবা ওয়ার্কআউট করে নিজেদের ফিটনেস বজায় রাখার চেষ্টা করে। বিশেষ করে ইয়ং জেনারেশন এখন নিজেদের ফিটনেসের জন্য জিমে অথবা যোগব্যায়াম ক্লাসে ভর্তি হয়।

আপনিও চাইলে কোন ভালো জায়গা খুঁজে বের করে একটি জিম এবং ব্যায়ামের ক্লাস খুলে নিতে পারেন এবং ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এরকম অনেক লোক আছে যারা এই ব্যবসার মাধ্যমে ভালো অর্থ আয় করে। তারা নিজেরাই ওই জিমের ওয়ানার। এবং দেখা যায় তাদের কাছে অনেক কাস্টমার রয়েছে। এই ব্যবসার জন্য আপনার প্রচুর পুঁজির দরকার পড়বে না। অল্প পুঁজির মধ্যে আপনি শুরু করতে পারবেন। তবে এই ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনাকে সামান্য অপেক্ষা করতে হবে সাফল্য পেতে।

  1. ব্লগের ব্যবসা (Blogging Business):

ব্লগের ব্যবসা (Blogging Business)

ব্লগিং একটি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা। আপনার যদি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের ভালো জ্ঞান থাকে তাহলে আপনি ব্লগিং এর ব্যবসা শুরু করতে পারেন। দিনের পর দিন এই ব্যবসা অনেক সাফল্য পাচ্ছে মানুষ। এখন শত শত লোক বিনা পুঁজিতে ঘরে বসেই ব্লগের ব্যবসার মাধ্যমে ভালো টাকা আয় করে নেয়। তার জন্য আপনার কোন দক্ষতার প্রয়োজন নেই। যে কোন মানুষই এই ব্যবসায় যুক্ত হতে পারে। তবে দরকার একটু লেখালেখির। আপনি ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকার পুঁজিতে এই ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন। আপনারা হয়তো জানলে অবাক হবেন এখন মানুষ এই ব্লগের ব্যবসাকে নিজের ভবিষ্যৎ হিসাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কেউ তো আবার এই ব্যবসা করে নিজের ব্যক্তিগত অফিসও খুলে নিচ্ছে। সাফল্য জন্য একটু অপেক্ষা করতে হবে একবার সাফল্য আসলে আপনি ধরনা করতে পারবেন না আপনি কত টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

ব্লগের ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে একটি ব্লগ বানিয়ে নিতে হবে। ব্লগার ওয়েবসাইট থেকে ফ্রিতে নিজের একটি ব্লগ বানিয়ে নিন এবং সেই ব্লগে আপনাকে আর্টিকেল লিখতে হবে। এবং কোন বিষয়ের উপর আপনি লেখালেখি করবেন সেটা আপনাকে একটু জানতে হবে। যেমন ধরুন আপনি কোন গ্যাজেটে উপর বা ফিটনেসের উপর লেখালেখি করলেন। এবার আপনার লেখা যদি ভালো হয়, তাহলে ভিজিটর বাড়বে। এবং যার মাধ্যমে আপনি প্রচুর আয় করে নিতে পারবেন ঘরে বসেই। সেক্ষেত্রে আপনাকে লেখালেখির উপর একটু জোর দিতে হবে।

আপনি কিসের উপর লিখবেন তার জন্য একটু অন্যান্য ওয়েবসাইট দেখতে হবে। কোন বিষয়ের উপর লিখলে মানুষ বেশি পছন্দ করবে। এবং কোন বিষয়ের উপর লিখলে ভিজিটরের সংখ্যা বাড়বে তার উপর একটু জ্ঞান থাকা দরকার। আপনি ব্লগ কিভাবে বানাবেন তা গুগল এবং ইউটিউব চ্যানেল থেকে পেয়ে যাবেন। মাথায় রাখবে আপনার ব্যবসার আয় নির্ভর করবে ব্লগের ভিজিটর এবং ট্রাফিকের উপর। যখন আপনার ব্লগে ভিজিটর এবং ট্রাফিকের সংখ্যা বেড়ে যাবে তখন আপনি Google adsense এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন লাগিয়ে নিজের ব্লগে অনেক টাকা উপার্জন করতে পারবেন। ভিজিটর আসতে সময় লাগে তাই আপনাকে একটু অপেক্ষা করতে হবে সাফল্যের জন্য। একবার সাফল্যে এলে আপনাকে অন্য চাকরির কথা ভাবতে হবে না।

  1. সোশ্যাল মিডিয়া পরিষেবার ব্যবসা (Social Media Service Business):

সোশ্যাল মিডিয়া পরিষেবার ব্যবসা (Social Media Service Business)

আজকাল আমাদের এই ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষের জীবনে ভিন্ন পরিবর্তন এসেছে। এখন মানুষ এই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছে। সোশ্যাল মিডিয়া কিছু অংশ রয়েছে যার মাধ্যমে কম পুঁজিতে মানুষ নিজেদের ব্যবসা শুরু করতে পারছে। যেমন- ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টগ্রাম ইত্যাদি মাধ্যমে নিজদের ব্যবসা ছড়িয়ে দিতে পারছে মানুষের কাছে।

মানুষ এখন নিজেদের পণ্য এবং পরিষেবার বিজ্ঞাপনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন সাইটগুলি ব্যবহার করে থাকে। আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার পরিষেবক হয়ে ছোট ব্যবসায়ীদের বিপণন ও বিজ্ঞাপন পরিচালনা করতে পারেন।

আপনি আপনার ব্যবসাটি মোবাইলের মাধ্যমে করতে পারবেন। এবং আপনার সোশ্যাল সাইটগুলি সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান থাকতে হবে। আপনি এই ব্যবসার একাধিক কোম্পানির ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন। অথবা আপনি নিজের ব্যবসার পণ্য সরবরাহ করতে পারবেন এর মাধ্যমে। এই ব্যবসার জন্য আপনার শুধুমাত্র অনলাইন চালানোর জন্য খরচটুকু লাগবে।

  1. ইউটিউব চ্যানেল ব্যবসা (YouTube Channel Business):

ইউটিউব চ্যানেল ব্যবসা (YouTube Channel Business)

আপনি যদি চান অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসা করতে তাহলে ইউটিউবে নিজের চ্যানেল খুলে ব্যবসা চালু করতে পারে। এখন ইউটিউবের মাধ্যমে মানুষ ব্যবসা করে ভালো উপার্জন করছে। তার জন্য আপনাকে ইউটিউবে চ্যানেল খুলে ভিডিও আপলোড করতে হবে। আপনি গানের, রান্নার, ব্যায়ামের, নাচের বা অন্যান্য ভিডিও করে আপলোড করতে পারেন। আপনার ভিডিও তে প্রচুর দর্শক হলে আপনি ভালো আয় করতে পারবেন। এখন ইউটিউবে অনেকেই ব্যবসা করে থাকে এবং পাশাপাশি ভালো উপার্জন করছে। তাই আপনি যদি চান ইউটিউবের মাধ্যমে ব্যবসা করতে তাহলে একটু আপনাকে সময় এবং ধৈর্যের সাথে এই ব্যবসা চালাতে হবে।

  1. ফাস্ট ফুডের দোকানের ব্যবসা (Fast food Shop Business):

ফাস্ট ফুডের দোকানের ব্যবসা (Fast food Shop Business)

বর্তমানে মানুষের ফাস্ট ফুড খাবারের দিকে ঝোঁক বেশি। বাড়ির খাবারের চেয়ে মানুষ ফাস্ট ফুড খেতে বেশি ভালোবাসে। অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা করার জন্য ফাস্ট ফুডের দোকান খুললেও ভালো লাভ করা যায়। তাই স্বল্প টাকা খরচ করে আপনিও খুলতে পারেন একটি ফাস্ট ফুডের দোকান। এই ব্যবসার পরিকল্পনাটি খারাপ হবে না ভবিষ্যতের জন্য।

একটি ভালো লোকেশন সার্চ করুন যেখানে আপনার ব্যবসা ভালোভাবে চালতে পারবেন। এমন লোকালিটি খুঁজুন যেখানে মানুষের আনাগোনা বেশি। এরকম জায়গা হলে আপনার ব্যবসায় কোন সমস্যা হবে না। প্রথমে অল্প পুঁজি দিয়ে একটি ছোট দোকান কিনে নিন। সবচেয়ে ভালো হবে আপনি প্রথমে নিজেই ফাস্ট ফুড বানিয়ে নিন। উপার্জন বাড়লে ধীরে ধীরে কর্মচারী রাখবেন। বা আপনি না পারলে প্রথমে একজন কারিগরি রাখুন যে খাবার বানাবে। সেইসমস্ত ফাস্টফুড রাখুন যেগুলির চাহিদা বেশি। আপনার দোকানের খাবার পছন্দ হলে লোকজন ভিড় বাড়বে এবং আপনি ভালো উপার্জন করতে পারবেন।

  1. বেকারির ব্যবসা ( Bakery Business):

বেকারির ব্যবসা ( Bakery Business)

বেকারি একটি খুব ভালো দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসা। এটি শুরু করার জন্য বিশাল পরিমাণ বিনিয়োগের প্রয়োজন হয় না। আপনি এটা খুব সহজেই শুরু করতে পারবেন। রুটি, পাউরুটি এবং টোস্ট, বিস্কুট বানিয়ে আপনি কাছের বাজার বা দোকানে ডেলিভারি করতে পারেন। এছাড়াও আপনি হোম ডেলিভারি করতে পারবেন। এটি কিন্তু ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে ভালো উপায়। যারা এই ধরণের ব্যবসায় আগ্রহী তারা খুব অল্প পুঁজিতে এই ব্যবসা করতে পারেন ।

এখন কেকের ব্যবসাতেও ভালো উপার্জন করছে মানুষ। তার জন্য কোন দোকানের খোলার প্রয়োজন নেই। আপনি বাড়িতে বসে বিভিন্ন ধরণের কেক বানিয়ে নিতে পারেন। ইউটিউব সার্চ করলে দেখতে পাবেন বিভিন্ন ধরণের কেক বানানোর রেসিপি। বাড়িতে বসেই নিজে বানিয়ে নিন কেক। তাহলে খরচও কম হবে। এখন খেয়াল করলে দেখা যায় অনেকেই বাড়িতে বানানো কেকের অর্ডার করে। যেকোনো অনুষ্ঠানে বা জন্মদিনে আপনি অর্ডার নিতে পারেন এতে আপনার লাভ হবে। তবে আপনার কেকের ব্যবসা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিতে হবে।

  1. ক্যাফে বা কফির দোকানের ব্যবসা (Café or Coffee Shop Business):

ক্যাফে বা কফির দোকানের ব্যবসা (Café or Coffee Shop Business)

পৃথিবীতে কফির জনপ্রিয়তা নেই বললে ভুল হবে। স্কুল থেকে কলেজ পড়ুয়াদের আড্ডাখানা বলতে ক্যাফে বা কফিশপ। তারা এমন একটি শান্ত পরিবেশ চান যাতে নিরিবিলিতে বসে বন্ধুদের সাথে জমিয়ে গল্প করতে পারবে। তাই আজকাল কফিশপের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। বর্তমানে এই ব্যবসা উন্নতি মন্দ হবে না বলাই যায়।

তাই আপনি যদি ক্যাফের ব্যবসা করতে চান ভালো লোকেশন খুঁজে বের করুন এবং একটি ক্যাফে তৈরি করে নিন। তবে খেয়াল রাখবেন জায়গাটা যাতে নিরিবিলি হয়। এছাড়াও কফির সাথে আপনি কিছু টুকিটাকি ফাস্ট ফুড রাখতে পারেন চাইলে। এতে আরও বেশি অর্থ উপার্জন হবে।

  1. ফটোগ্রাফি ব্যবসা (Photography Business):

ফটোগ্রাফি ব্যবসা (Photography Business)

আজকাল ফটোগ্রাফির ব্যবসা চাহিদা অনেক। আপনার যদি ফটোগ্রাফি শখ থাকে তাহলে তো এই ব্যবসা আপনার জন্য পারফেক্ট। এর জন্য তেমন বেশি পুঁজির প্রয়োজন নেই। দরকার একটি ভালো দামি ডিএসএলআর ক্যামেরা এবং একটি কম্প্যুটার। ইদানীং ফটোগ্রাফি চাহিদা বাড়ছে ক্রমশই শহরতলিতে। আপনি যদি সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে চলতে পারেন তাহলে এটি বর্তমানে বলাই যায় একটি লাভজনক ব্যবসা।

বাচ্চার জন্মদিন থেকে শুরু করে বিয়ের আসর পর্যন্ত এখন ডিএসএলআর ফটোগ্রাফি ট্রেন্ড। এর জন্য আপনাকে শুধু একটি ভালো মানের ক্যামেরা কিনতে হবে। অথবা আপনি চাইলে ভাড়া করে নিতে পারেন শুটের জন্য। আপনি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য একটি পোর্টফলিও বানিয়ে নিতে পারেন। এখন প্রি-ওয়েডিং শুটের ফ্যাশন চলছে। পাশাপাশি ভালো পোর্টফলিও ফটোগ্রাফারদের মানুষ ভালো ফিস দিচ্ছে শুটের জন্য। আর আপনি এখান থেকে ভালো উপার্জন করতে পারবেন।

  1. নাচের ক্লাস (Dance Classes):

নাচের ক্লাস (Dance Classes)

যদি আপনি ভালো নাচতে পারেন তাহলে আপনি একটি নাচের ক্লাস খুলে নিতে পারেন।। আপনি একটি নাচের শিক্ষক হয়ে ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আপনি চাইলে নিজের বাড়িতে নাচের ক্লাস খুলে নিতে পারেন। এই ব্যবসায় আপনাকে টাকা বিনিয়োগ করতে হবে না। আপনি যদি এক এক জন ছাত্রছাত্রী থেকে ৫০০-৮০০ টাকা ফিস নেন, তাহলে আপনার ভালো উপার্জন হতে পারে। আর অবশ্যই আপনার ড্যান্স একাডেমীর একটি সুন্দর নাম রাখবেন, যাতে ভবিষ্যতে এই নাম বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।

  1. অনুবাদ পরিষেবা (Translation Service):

অনুবাদ পরিষেবা (Translation Service)

যদি আপনি কম পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা করতে চান তাহলে ইন্টারনেটে এমন অনেক সাইট রয়েছে যা শুধুমাত্র ভাষা অনুবাদের জন্য চালায়। এই সাইটগুলির লোকজন কাজের জন্য অন্যান্য লোকজনকে বলে থাকেন তাদের সাইটে আসতে এবং অনুবাদের জন্য কাজ করার। এই সমস্ত কোম্পানিগুলো প্রতি শব্দের জন্য এক থেকে দুই টাকা করে পারিশ্রমিক দিয়ে থাকে।

তবে এই ব্যবসা চালানোর জন্য আপনাকে ভাষা অনুবাদ সাইটগুলিতে খুঁজতে হবে এবং এই ওয়েবসাইটে আপনাকে নিজের আইডি বানাতে হবে। নীচে কিছু লিংক দেওয়া হল যেখানে এই ধরণের কাজকর্ম কার যায়।

https://www.freelancer.in/jobs/Translation/

https://gengo.com/translators/

https://www.upwork.com/

  1. ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যবসা (Event Management Business):

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যবসা (Event Management Business)

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বর্তমানে একটি ভালো ব্যবসা। বিয়ে থেকে শুরু করে সমস্ত ছোট খাটো অনুষ্ঠান ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট দিয়ে করানো হয়। আপনি এই ধরণের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসায় আপনি ইভেন্ট ম্যানেজার হয়ে পুরো ব্যবসাটি চালনা করতে পারেন। এর থেকে যেই মুনফা অর্জন হবে সেখান থেকে আপনি ফিস নিতে পারবেন। শুরুতে বড় ইভেন্ট প্রয়োজন নেই। ছোট ইভেন্ট থেকে শুরু করুন। কাজের মাধ্যমে যত অভিজ্ঞতা এবং যোগাযোগ বাড়বে তত আপনার কোম্পানি উন্নতি হবে আরও নতুন কাজের অফার পাবেন।

আপনি নিজে ইভেন্ট ম্যানেজার হতে পারলে শুধু কাজের সময় টুকু কর্মচারী রাখলেন এবং বাকি সময় নিজে ম্যানেজ করলেন। তাহলে শুধু কাজের সময়টুকু কর্মচারীকে ফিস দিতে হবে। এতে আপনার উপার্জিত অর্থ সেভ হবে। এটি একটি ভালো ব্যবসা যা খুব দ্রুত সাফল্যে পাওয়া সম্ভব।

  1. রিয়েল স্টেট ব্যবসা ( Real Estate Business):

রিয়েল স্টেট ব্যবসা ( Real Estate Business)

এখন প্রত্যেকে নিজের বাড়ি কিনতে চায় অথবা জমি দেখে বাড়ি করতে চায়। আপনি রিয়েল স্টেট এজেন্সি খুলে এই দুই ধরণের ব্যবসা চালু করতে পারেন। অনেক রিয়েল এজেন্সি রয়েছে যারা মানুষজনকে বাড়ি অথবা জমি খুঁজে দেওয়ার জন্য সাহায্য করে এবং যার পরিবর্তে সম্পত্তির মূল্যের কমিশন পায়। এই ব্যবসার জন্য আপনাকে যা করতে হবে সেটা সম্পত্তি এবং জমি সম্পর্কিত তথ্য জানতে হবে এবং জমি বা বাড়ির মালিকের সঙ্গে সম্পর্ক বানাতে হবে। যার জন্য আপনাকে ক্রেতা জোগাড় করতে হবে।

এই ব্যবসার জন্য আপনি কোন অফিস অথবা নিজের বাড়িতে দোকান খুলে নিতে পারেন। এবং নিজের কার্ড করে নেবেন ক্রেতাদের কাছে পৌঁছানোর জন্য। এটি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়াগুলির মধ্যে একটি ভালো আইডিয়া বলাই যায়।

  1. মুদি দোকানের ব্যবসা (Grocery Shop Business):

মুদি দোকানের ব্যবসা (Grocery Shop Business)

মুদি দোকান সবসময়ই একটি ভালো ব্যবসা। এর ব্যবসায় সবচেয়ে বড় জিনিস কোন বিশাল দক্ষতার প্রয়োজন নেই। তবে এই ব্যবসা করার জন্য আপনাকে ভালো লোকেশন খুঁজতে হবে। যেখানে মুদি দোকান কম পরিমাণে রয়েছে অথচ জনসংখ্যা বেশি। এরকম জায়গায় একটি দোকান খুলে নিতে পারলে ব্যবসায় লাভের আশা অনেক।

প্রথমে শুরুতে কয়েকমাস দোকান থেকে অর্জিত আয় দোকানে বিনিয়োগ করতে হবে। তারপর ধীরে ধীরে আপনি এই আয় বাড়তে থাকবে। প্রথমে কিছু জিনিসপত্র তুলুন সেগুলি বিক্রি করে যা টাকা উপার্জন হবে সব দোকানের মালপত্র কেনাতে বিনিয়োগ করুন। এই ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনার সামান্য পুঁজি দরকার পড়বে তবে অনেক বড় পরিমাণ অর্থ নয়। তবে জিনিসের অতিরিক্ত দাম না নিয়ে আপনার প্রয়োজনীয় লাভ রেখে বিক্রয় মূল্যের দাম নিন এবং ক্রেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। এতে ক্রেতার আগমন বাড়বে এবং পাশাপাশি ব্যবসার সুবৃদ্ধি হবে।

  1. জেনারেল স্টোর ব্যবসা(General Store Business):

জেনারেল স্টোর ব্যবসা(General Store Business)

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য নিয়ে একটি জেনারেল স্টোর খোলাও একটি অসাধারণ এবং উপযুক্ত ব্যবসা। আপনি স্টোরে সাবান, শ্যাম্পু, বিউটি প্রোডাক্ট, কলম, খাতাপত্র ইত্যাদি রাখতে পারেন। এই ব্যবসাটি আপনি অল্প পুঁজিতে শুরু করতে পারবেন। তাই বলাই যায় এটি একটি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা। আপনি এটা কম পুঁজিতে শুরুও করতে পারবেন এবং খুব দ্রুত আপনার ব্যবসা বাড়াতে পারবেন। এই ব্যবসা শুধু পরুষরা নয় মহিলারাও করতে পারবে। ভবিষ্যতের জন্য এটি একটি ভালো ব্যবসা।

  1. হোম ক্যান্টিন ব্যবসা (Home Canteen Business):

হোম ক্যান্টিন ব্যবসা (Home Canteen Business)

এখন খাবার ডেলিভারি বেশ একটি ভালো ব্যবসা। আপনি নিজের বাড়িতে একটি ক্যান্টিন খুলে নিতে পারেন এবং অফিস, বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে বা বাড়ির অনুষ্ঠানে খাবার ডেলিভারি করতে পারেন। দিনে দিনে অফিস এবং কর্মক্ষেত্রে বাড়ছে। তাই আপনি বাড়িতে খাবার রান্না করে অফিসে ডেলিভারি করতে পারেন। এতে আপনার উপার্জনও বাড়বে।

  1. ওয়েব ডিজাইনিং ব্যবসা (Web Designing Business):

ওয়েব ডিজাইনিং ব্যবসা (Web Designing Business)

ইন্টারনেট পরিষেবা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ওয়েবসাইট এবং ব্লগের কাজের চাহিদা। এখন মানুষ এই ধরণের ব্যবসায় অনেক অর্থ উপার্জন করছে। এছাড়াও এই সমস্ত কোম্পানিগুলি তাদের ওয়েবসাইট ডিজাইনের জন্য কর্মী খুঁজে থাকেন। তবে আপনি এই ওয়েব ডিজাইন শিখে এই ধরণের ওয়েবসাইটের ব্যবসা করতে পারেন। আশা করা যায় এই ব্যবসা ভবিষ্যতে আরও পরিধি বাড়বে। তাই আপনি ওয়েব ডিজাইনের ব্যবসা শুরু করতে পারে।

  1. কোচিং সেন্টার ব্যবসা (Coaching Centre Business):

কোচিং সেন্টার ব্যবসা (Coaching Centre Business)

বর্তমানে ভালো শিক্ষক এবং শিক্ষিকার চাহিদা প্রচুর। এখন অনেকই টিউশন ব্যাচ খুলে ভালো উপার্জন করছে। আপনি যদি একবাড় নিজের খ্যাতি অর্জন করতে পারেন, তাহলে তো আপনাকে আর চাকরির জন্য ভাবতেই হবে না। এটিও কিন্তু অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা বলতে পারেন। কারণ এটি শুরু করার জন্য তেমন খরচ আপনাকে করতে হবে না। আপনি নিজের বাড়িতে একটি কোচিং সেন্টার খুলে নিতে পারেন। অথবা কোন বাড়ি ভাড়া করে পড়াতে পারেন।

  1. ট্র্যাভেল সার্ভিস ব্যবসা (Travel Services Business):

ট্র্যাভেল সার্ভিস ব্যবসা (Travel Services Business)

ট্র্যাভেল সার্ভিস থেকে আপনি ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। আপনার শুধু ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস আর হোটেলে যোগাযোগ করতে হবে। আপনার ট্র্যাভেল এজেন্সির বিজ্ঞাপন করতে হবে। যখন আপনি ক্রেতা পাবেন তো তাকে ভালো সার্ভিস দেবেন এবং অবশ্যই আপনার কাস্টমারের যাবতীয় তথ্য নিজের কাছে রাখুন এবং সময়মত তাদের ভালো অফারের বার্তা দিন।

  1. মোমবাতি বানানোর ব্যবসা (Candle Making Business):

মোমবাতি বানানোর ব্যবসা (Candle Making Business)

মোমবাতি বানানোর ব্যবসা একটি খুব স্থায়ী ব্যবসা। আজ বাজারে মোমবাতির চাহিদা অনেক বেশি এবং এর চাহিদা বিদ্যুৎ সম্পর্কিত নয় বরং প্রসাধনের জন্য। আজকাল বড় বড় পার্টি, বিবাহ, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মোমবাতি দিয়ে ডেকোরেশন করানো হয়। এখন মোমবাতি ভিন্ন ধরণের হয়। বিভিন্ন ডিজাইনের মোমবাতি বাজারে পাওয়াও যায়। একটু অনলাইনে সার্চ করলে আপনি বিভিন্ন ধরণের ডিজাইন খুঁজে পাবেন। এই ব্যবসাটি চালু করার জন্য আপনার প্রথমে ১০০০০ টাকা দিয়ে শুরু করতে হবে।

আপনি যদি মোমবাতি বানানো পদ্ধতি না জেনে থাকেন তাহলে ইউটিউব চ্যানেল থেকে সহজেই শিখে নিতে পারবেন মোমবাতি বানানোর নিয়ম। প্রথমে ছোট ছোট অর্ডার নিয়ে এই কাজ শুরু করুন ধীরে ধীরে বড় অর্ডার এমনিতেই পেয়ে যাবেন। এটি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা মধ্যে একটি।

  1. লন্ড্রির ব্যবসা (Laundry Business):

লন্ড্রির ব্যবসা (Laundry Business)

এই ধরণের ছোট ব্যবসা চালু করার আগে আগে সেখানকার বসবাসকারীদের চাহিদা সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে। কারণ আপনি নিশ্চয়ই এমন একটি জায়গায় ব্যবসা করবেন না যেখানে লোকের এইসমস্ত জিনিসের অভ্যাস নেই। হয়তো তারা নিজেদের জামা কাপড় নিজেরাই বাড়িতে পরিষ্কার করে নেয়। তাই সেই সম্পর্কে আপনাকে আগে সচেতন হতে হবে যে সেই জায়গায় আপনার দোকানটি চলবে। এই ব্যবসার জন্য আপনার বেশি পুঁজির প্রয়োজন নেই। আপনি কোন দোকান ভাঁড়া করে এই ব্যবসা চালাতে পারেন।

যেকোনো ব্যবসা সাফল্যে পেতে হলে একটু সময় দিতে হবে। তাই আপনি ছোট অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা করতে চান তাহলে এই আইডিয়াগুলি কাজে লাগাতে পারেন। যেকোনো ব্যবসায় ধীরে ধীরে ব্যবসায় পুঁজি বাড়ে। প্রথমে অল্প কিছু মূলধন বিনিয়োগ করুন এবং পরে তা আসতে আসতে বাড়িয়ে তুলুন।

সারকথাঃ

যেকোনো ব্যবসার সময় প্রয়োজন। কোন ব্যবসায় দ্রুত লাভ পাওয়া সম্ভব নয়।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here