
জি- বাংলার জনপ্রিয় গানের রিয়্যালিটি শো ‘সারেগামাপা’ বরাবরই নতুন প্রতিভাদের জন্য এক বড় সুযোগ নিয়ে আসে। এবারের সিজনেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যেই একজন হলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুভাষগ্রামের মেয়ে গীতশ্রী চৌধুরী। প্রথমদিন থেকেই সকলের নজর কেড়েছেন তিনি।
ছোট থেকেই অভাব অনটনের মধ্যে বড় হয়েছে গীতশ্রী। আর্থিক সমস্যার কারণে জীবনে নানা বাধা এলেও সংগীতের প্রতি ভালোবাসা কখনও কমেনি। ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন অডিশন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিনের সেই প্রচেষ্টার ফল মিলেছে চলতি বছরে সারেগামাপা’র মঞ্চে।
সুভাষগ্রাম স্টেশনের কাছে বাড়ি গীতশ্রীর। একটা সময় দরমার বাড়িতে থাকত তারা। আমফান ঝড়ে সেই বাড়ি ভেঙে যায়। এরপর শুরু হয় জীবনের নতুন অধ্যায়। তবে সঙ্গীত সেই দুঃখ ভুলিয়ে দিয়েছে তাকে।
উচ্চ শিক্ষার জন্য যোগমায়া দেবী কলেজে ভর্তি হলেও পরে সেখান থেকে কোর্স শেষ করতে পারেনি সে। পরে বিবেকানন্দ কলেজ বেহালাতে ভর্তি হন। তবে জীবনের সেই সব অতীত কাটিয়ে এখন নতুন উচ্চতায় পৌঁছে সকলকে চমকে দিচ্ছেন গীতশ্রী। তার মাথায় কী উঠবে সেরার সেরা মুকুট? তা সময়ই বলবে।
লম্বা পথ পেরিয়ে গ্রান্ড ফিনালেতে পৌঁছেছেন গীতশ্রী। গীতশ্রীর সঙ্গীত গুরু হয়েছিলেন রথীজিৎ ভট্টাচার্য। গীতশ্রী জানান, “বাবার পর এই একজন আছেন যিনি শতবার হোঁচট খেলে, পড়ে গেলে জীবনে চরম কঠিন পরিস্থিতি আসলে ঠিক ভরসার হাত বাড়িয়ে টেনে তুলবেন।” রথীজিৎ ভট্টাচার্য তাঁর সারেগামাপা-য় গানের গুরু৷ তাঁর থেকে প্রতিদিন ট্রেনিং পান গীতশ্রী।
