‘মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত…হাত জোড় করে অনুরোধ করছি বাঁচতে দিন প্লিজ…আমি একটু বাঁচতে চাই…’, স্ত্রীর সাথে ডিভোর্সের গুঞ্জনে এবার লাইভে এসে কাতর আর্জি রণজয়ের

অভিনেতা রণজয় বিষ্ণু

বেশ কিছুদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় গুঞ্জন উঠেছে অভিনেতা রণজয় বিষ্ণু এবং স্ত্রী শ্যামৌপ্তি মুদলির দাম্পত্যে জীবনে নাকি চিড় ধরেছে। এমনকি গুঞ্জন শোনা যায় তারা নাকি ডিভোর্সের পথে হাঁটতে চলেছেন। রণজয়ের সহ-অভিনেত্রী প্রতিজ্ঞা সিরিয়ালের নায়িকা অভিকা মালাকারের নামও জড়ানো হয়েছে অভিনেতার সাথে। এতদিন এই নিয়ে চুপ থাকলেও অবশেষে লাইভে এসে কাতর আর্জি জানালেন অভিনেতা।

লাইভে এসে রণজয় জানান, “এই ভিডিওটা করতে আমি বাধ্য হয়েছি। এত মেসেজ পেয়েছি, অনুরাগীরা এত প্রশ্ন করছেন তাই লাইভে আসা। আমার আর  শ্যামৌপ্তিকে নিয়ে যে এত কথা হচ্ছে, যে কাঁদা ছোড়াছুঁড়ি হচ্ছে এটা কিন্তু কাম্য নয়। আমরা দুজনেই ভালোবেসে বিয়ে করিছি, আমাদের কেউ বলে যায়নি এই বিয়েটা করতে হবে। এসব শুনতে আমাদের দুজনের খারাপ লাগছে।  এসব ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কখনোই বলতে আমাদের পছন্দ নয়, তাই বলিনি কিন্তু এই মুহূর্তে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত, তাই ভিডিওটা করা।”

অভিনেতা আরও বলেন, “বিভিন্ন মিডিয়ায় যা রটানো হচ্ছে আপনাদের কাছে কি কোনো প্রমান আছে? বিশ্বাস করুণ আমার জীবন খুব সাদামাটা। দু-তিনটে প্রেম করেছি বলে কি খুব অন্যায় হয়ে গেছে। আপনারা এসব আজেবাজে কথা বলছেন কীভাবে। যা খুশি তাই লিখে দেওয়া যায়?”

রণজয় বলেন, “আমরা দুজনে প্রচুর সময় কাটিয়েছি, আমরা দুজনেই প্রাপ্ত বয়স্ক, যা হোক না কেন আমরা বুঝে নেব, তারপর যা হবে হবে আমরা দুজনেই স্বীকার করব। আমি রোম্যান্টিক সিরিয়াল করি সেখানে আমি কাজ করতে পারব না। চরিত্রে উপর দাগ এনে এটা উচিত। আমি হাত জোড় করে অনুরোধ করছি আমাদেরকে আমাদের মতো ছেড়ে দিন, আমাদের বাঁচতে দিন। আমি একটু বাঁচতে চাই। এত মিথ্যা রটনা নিতে পারছি না। আর বিশেষ করে আমার সহ-অভিনেত্রীদের নিয়ে যে কথাগুলো বলা হচ্ছে সেগুলোর কোনো প্রমান আছে। শুধুমাত্র টিআরপি জন্য এগুলো করা উচিত?”।

এছাড়াও এক সংবাদ মাধ্যমের কাছে অভিনেতার বিয়ে ভাঙার গুঞ্জন নিয়ে জানান, আমি খুব অবাক…কেন এমন আলটপকা কথা লেখা হল? কেউ আমাদের এই সম্পর্কে জিগ্গেস করেনি (ডিভোর্সের ব্যাপারে)। আমার সঙ্গে এই মাত্র কথা হল শ্যামৌপ্তির।লোকে নেটে বসে ১০টা কথা লিখল। রোম্যান্টিক সিরিয়াল হলে দর্শকের উচ্ছ্বাস থাকতেই পারে, সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু তা বলে লোকে সেটা নিয়ে নিজে স্পেকুলেসান করে লেখা শুরু করল সেটা তো হবে না। তাতে কি সত্যি পালটে যাবে? আমি যদি কারুর সাথে প্রেম করি তাহলে তো লুকিয়ে প্রেম করব, তাহলে কি রোজ ছবি দেব? আমার বুদ্ধি কি হাঁটুর নীচে? আমি কি ওপেনলি প্রেম করব। এটা অটোরিটি আছে (চ্যানেল, প্রোডাকশন হাউজ) তারা চায় আমরা ছবি দিই, সেখানে তো আমি বলার জায়গায় নেই যে ছবি দেব না….আমি কি পাগল, আমি তো সুস্থ একটা লোক।’