
ফের শিরোনামে জিতু কমল। বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছেনা অভিনেতা। ৪ এপ্রিল প্রয়াত অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর বিচারের পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেছিলেন সকলে। জিতুও নিজের মতো প্রতীকী প্রতিবাদ জানান রাহুলের পাশাপাশি নিজের ছবিতেও মালা পড়ান। সেই প্রতিবাদ শুধু নিজের স্বার্থের জন্য ছিল না। ছিল ইন্ডাস্ট্রির সকলের জন্য যাতে আর কাউকে অবহেলা না সইতে হয়।
তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছিল। কিন্তু আবার বিতর্ক সৃষ্টি হল অভিনেত্রী পায়েল দে’র করা মন্তব্য ঘিরে। এতদিন পর আচমকাই ফেসবুক পোস্টে জিতুর সেই ছবি পোস্ট করে তিনি নাম না করেই গাছের তলায় রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ফেলে আসায় অভিযোগ জানায়। আর তারপরেই অভিনেতাকে নিয়ে শুরু বিতর্ক। পায়েল অভিযোগ আনে জিতু নিজের ছবি নিয়ে যায় কিন্তু রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ফেলে আসে। তবে অভিনেতা জানিয়েছে তিনি নিজের ছবি রাহুলদার ছবিও রেখে এসেছিলেন যাতে আর্টিস্ট ফোরামের চোখে পড়ে।
পায়েলের পোস্টে অভিনেত্রী মৌসুমী ভট্টাচার্য কমেন্ট বক্সে লেখেন, ‘জীতু নামের ছেলেটিকে যেদিন পাব বুঝিয়ে দেব। ভগবান করুক ওর মুখটা যেন দেখতে না হয়।’ একদিকে যখন জিতুকে নিয়ে বিপক্ষে মন্তব্য করছেন টলিপাড়ার একাধিক তখন পাশে দাঁড়ালেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়।
নিজের ফেরসবুকে জিতুর ছবি পোস্ট করে, একজন দর্শক হিসাবে সকলের সামনে কিছু প্রশ্ন রাখলেন। সুদীপা লেখেন, “জিতু কমল এই নামটার সাথে আমি বহুদিন পরিচিত। স্বল্পসময়ে এরকম উত্থান খুব কম মানুষের দেখেছি…আমি অতি সামান্য একজন দর্শক হিসেবে,কয়েকটা প্রশ্ন আমাদের film and television ইন্ডিস্ট্রির কয়েকজন প্রতিবাদী মুখের সামনে তুলে ধরতে চাই। উত্তর দেওয়া না দেওয়াটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। পায়েল দে এবং মৌসুমী ভট্টাচার্য্য- এই দুই অভিনেত্রীর দুটি বক্তব্য শুনে বেশি অবাক হলাম । হতাশ ও বটে।
