‘এই মেয়েটি সোনামণি…কোনও সিরিয়াল দেখি না…অপমান করে চলে…’, অভিনেত্রী সোনামণিকে নিয়ে বিস্ফোরক শ্রীলেখা মিত্রের

শ্রীলেখা

জমে উঠেছে বাংলা বিগ বসের বাড়ির অন্দরমহল। শুধু ঘরের ভিতরেই নয়, চর্চা চলছে ঘরের বাইরেও। প্রতিযোগীদের নিয়ে নানা মানুষের নানা মত। চর্চায় রয়েছেন জিতু কমল, রাজবীর দে এবং দুর্নিবার সাহার মতো প্রতিযোগীরা। তবে এবার প্রতিযোগী রাজবীর দে’র প্রতি আরেক প্রতিযোগীর ক্রমাগত আক্রমণ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

শ্রীলেখার তীর অভিনেত্রী সোনামণি সাহার বিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক কিছুদিন ধরে রাজবীর-কে একেবারেই সহ্য করতে পারছেন না সোনামণি। খাবার নিয়ে কথা শোনানোর থেকে স্পর্শ নিয়ে অপবাদ দিয়েছেন তিনি। এবার সেই সব ঘটনা নিয়ে সোনামণির প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিলেন শ্রীলেখা।

শ্রীলেখা নিজের সামাজিক পাতায় লেখেন, “আমরা লড়াই করি মহিলাদের সমান অধিকারের জন্য। আমি মহিলা বলে কোনও বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার আশা করব না। “আমি মহিলা, তাই তুমি এটা করলে কেন?” — এটা অযৌক্তিক। এটা খেলার নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।”

অভিনেত্রী আরও লেখেন, “এই মেয়েটি সোনামণি—আমার nemesis,…ব্যস ওই অব্দি মিল, যদিও আমি কোনও সিরিয়াল দেখি না, নিশ্চয়ই ওঁর একটা ফ্যান বেস আছে। কিন্তু প্রথম থেকেই এদের একটা গোষ্ঠী যেভাবে রাজভীর ছেলেটিকে নানাভাবে বাজে কথা বলে, অপমান করে চলেছে, সেটা অত্যন্ত অস্বস্তিকর। আমি নিজে ওই পরিস্থিতিতে থাকলে, সত্যি বলতে, হয়তো মানসিকভাবে ভেঙে পড়তাম।সবচেয়ে বিরক্তিকর লেগেছে সেই ঘটনাটা, যখন টাস্কের মধ্যে প্যান্টের পায়ের ভিতরে থাকা বিস্কট রাজীভীর ধরেছিল, আর সেটাকে টেলিভিশনে “bad touch” বলা হলো।একজন পুরুষের ক্ষেত্রেও “bad touch” কথাটা কতটা গুরুতর—সেটা বোঝা দরকার। মহিলা হলেই সবসময় মহিলা সঠিক, আর পুরুষ হলেই পুরুষের কোনও কথা বা অস্বস্তির মূল্য নেই—এই ধারণাটাও সমানভাবে সমস্যাজনক।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আর কালকের এপিসোডে যখন দেখলাম লাঠি দিয়ে মারা হলো—আস্তে মারা হয়েছে না জোরে, সেটা মূল প্রশ্ন নয়। লাঠি দিয়ে মারার intention-টাই প্রশ্নের। সেটা অত্যন্ত questionable। তার ওপর বারবার তার খাওয়া নিয়ে কথা বলা, বারবার ছোট করা, বাজে নামে ডাকা, বারবার “bad touch” বলা—একজন মানুষকে এইভাবে ক্রমাগত corner করে রাখা কতটা মানবিক, সেটাও ভাবা দরকার। আর একটা কথা—কেউ মহিলা হলেই তার সব আচরণ automatically justified হয়ে যায় না। সমান অধিকারের অর্থ শুধু মহিলার অধিকার নয়; সমানভাবে পুরুষের মর্যাদা, সম্মান এবং নিরাপত্তার অধিকারকেও স্বীকার করা। ”

শ্রীলেখা মিত্রের এই পোস্টে সমর্থন জানিয়েছেন একাধিক নেটকারিগররা। শুধু শ্রীলেখা নয়, রাজবীরের সাথে অন্যায় নিয়ে সরব নেটপাড়া।