
সালটা ছিল ২০১৫, দিনটা ছিল ১৫ই মে। বাংলা ইন্ডাস্ট্রির জন্য একটা অভিশপ্ত দিন। মৃত্যু হয়েছিল টেলিভিশনের পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা রনি চক্রবর্তীর। রনির অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে আজও রয়ে গেছে রহস্য। সেইসময় মেগা সিরিয়ালের শ্যুটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন অভিনেতা। জল নূপূর-এ লালের চরিত্রে দেখা যাচ্ছিল তাঁকে।
সেই সঙ্গে সদ্যজাত মেয়ের মুখেভাতের পরিকল্পনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। সেই রাতেই শুটিং থেকে ফিরে সন্তোষপুরের সার্ভে পার্কের বাড়ির কাছের পুকুর থেকে মাঝরাতে উদ্ধার হয় অভিনেতার মরদেহ। বাচ্চার অন্নপ্রাশনের আগেই চলে গেলেন অভিনেতা।
এরপর কেটে গিয়েছে ৯ বছর। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রি আজও ভোলেনি প্রতিভাবান অভিনেতা রনিকে। দুর্দান্ত সাঁতারু ছিলেন রনি। জাতীয় স্তরে সাঁতার কেটেছেন। তার কিভাবে জলে ডুবে মৃত্যু হলো সেটাই বুঝতে পারেননি কেউ। সেই নিয়েই হয়েছিল জলঘোলা।
শ্যুটিং সেরে প্রতিদিনের মতন ওইদিনও জিমে গিয়েছিলেন অভিনেতা। মধ্যরাতে বাড়ি ফিরে সাঁতার কাটতে যান কাছের পুকুর। সেই সময় রনির সঙ্গে ছিলেন দুই বন্ধু। তার কিছুক্ষণ পরেই অভিনেতার দুই বন্ধু খবর দেয় রনি জল থেকে উঠছে না। থানা থেকে ডুবুরি এনে উদ্ধার করা হয় অভিনেতা নিথর দেহ। পুকুরের পাড়েই মিলেছিল রণি জামা, মোটরবাইক এবং মোবাইল।
অভিনেতার অকাল মৃত্যু কেউ আজও মেনে নিতে পারেনি। কিভাবে জাতীয় স্তরের একজন অভিনেতার জলে ডুবে মৃত্যু হতে পারে সেটা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাবে আজীবন। অভিনেতার মৃত্যুর এত বছর কেটে গেলেও তাঁর স্মৃতি আজও টলিপাড়ায় অমলিন।
