সাতসকালেই মিলল দুঃসংবাদ! কাছের মানুষকে হারালেন লোপামুদ্রা মিত্র, গায়িকার পরিবারে শোকের ছায়া

লোপামুদ্রা মিত্র

সাত সকালেই মিলল খারাপ খবর। কাছের মানুষকে হারালেন গায়িকা লোপামুদ্রা মিত্র। গায়িকার পরিবারে শোকের ছায়া। এদিন সমাজমাধ্যমে গায়িকা নিজেই জানালেন দুঃসংবাদ। কাছের মানুশের এভাবে চলে যাওয়াতে স্বাভাবিক ভাবেই ভেঙে পরেছেন লোপা।

এই খবর সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সমবেদনা জানান অনুরাগী ও পরিচিতরা। শনিবার সকালে বীরভূমের তারাপীঠে ৮২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাউল সাধক কানাই দাস।

দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। গত দু’মাস ধরে তিনি যক্ষ্মায় (টিবি) আক্রান্ত ছিলেন। এছাড়াও ক্রনিক অ্যাজমা এবং ডায়াবেটিসের সমস্যা তাঁকে কাবু করেছিল। শেষ পর্যন্ত লড়াই থেমে গেল আজ সকালে। তাঁর মৃত্যুতে বাংলার লোকসংগীত এবং বাউল সমাজে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো।

দুই চোখে দৃষ্টি না থাকলেও তাঁর কণ্ঠে বেজে ওঠা গানগুলো আজও স্মরণীয় হয়ে থাকবে। গ্রাম থেকে গ্রাম, মেলা থেকে আখড়ায় ঘুরে তিনি শুনিয়েছেন মানবতার গান।

প্রবাদপ্রতিম বাউল সাধক কানাই দাসের মৃত্যু সংবাদ জানিয়ে লোমামুদ্রা মিত্র লেখেন, ‘কানাইবাবা চলে গেলেন। বেশ কিছুদিন হল অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। কলকাতার একটি নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন, তারপর তারাপীঠে চলে গিয়েছিলেন নিজের জায়গায়। সহজ পরব সম্মান তো আমরা তাঁকে দিয়েছিলাম। কিন্তু অদ্ভুত সহজ এক সম্পর্ক হয়ে গেছিল তাঁর সাথে।

শেষ দেখা এই দিন। বললেন, ভাল আমাদের থাকতেই হবে। ফুসফুসের ঐ অবস্থাতেও কি গান গাইলেন সেদিন। এই আদরের মানুষগুলো আর থাকছে না কাছে, কিন্তু রইবেন তাঁরা মনে। ভাল থেকো বাবা। জয়গুরু। প্রণাম নিও।’

লোপামুদ্রা মিত্র