১৯ বছর পর ফের বাংলা সিরিয়ালে জুটি বেঁধে ফিরছেন ভাস্বর-মৈত্রেয়ী, আচমকাই কেন এত বছরের বিরতি, কী জানালেন তারকা জুটি?

ভাস্বর-মৈত্রেয়ী

একটা সময় একে অপরের সঙ্গে একাধিক ধারাবাহিককে অভিনয় করেছিলেন ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় এবং মৈত্রেয়ী মিত্র। কিন্তু মাঝে কেটে গেছে ১৯ টা বছর। একসঙ্গে অভিনয় করতে দেখা যায়নি এই তারকা জুটিকে। অবশেষে ১৯ বছর পর আবার ধারাবাহিকের পর্দায় জুটি হয়ে ফিরছেন ভাস্বর – মৈত্রেয়ী।

জুলাই মাসের প্রথম দিনেই স্টার জলসার পর্দায় একটি নতুন ধারাবাহিকের প্রমো প্রকাশ্যে এসেছে। সুস্মিতা দে অভিনীত এই ধারাবাহিকে রয়েছে আর জি কর কাণ্ডের ছোঁয়া। ধারাবাহিকের নাম রাখা হয়েছে ‘তিলোত্তমা’। এই ধারাবাহিকে সুস্মিতা বিপরীতে অভিনয় করবেন নবাগত নায়ক সৌম্যদীপ দত্ত।

এই ধারাবাহিকেই জুটি হয়ে ফিরছেন ভাস্বর – মৈত্রেয়ী। স্নেহাশীষ চক্রবর্তীর প্রযোজনা সংস্থা ব্লুজের অধীনে তৈরি হতে চলেছে এই ধারাবাহিক। যদিও বিগত তিন বছরে প্রায় ছটি প্রজেক্টে স্নেহাশিস চক্রবর্তী সঙ্গে কাজ করেছেন ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়।

আজকাল ডট ইনকে ভাস্বর চ্যাটার্জি বলেন, শেষ তিনবছরে ছ’টা কাজ করলাম স্নেহাশিষদা’র সঙ্গে। গীতা এলএলবি, প্রফেসর বিদ্যা থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা চরিত্রই এত ভাল দিয়েছেন, আমি এই নতুন কাজের জন্যও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। ১৯ বছর পর মৈত্রেয়ী সঙ্গে আমার কাজ৷ মৈত্রেয়ী অত্যন্ত ভাল অভিনেত্রী৷ প্রথমে আমার সঙ্গে অন্য অভিনেত্রীর কাজ করার কথা ছিল কিন্তু স্নেহাশিষদা’ই ঠিক করেছেন, যে আমাদের জুটিটা আবার ফিরবে৷ আমরা দু’জনেই খুব উত্তেজিত কাজটা নিয়ে৷”

অন্যদিকে মৈত্রেয়ী বলেন, “আমরা জুটি হিসাবে এত বছর পর কাজ করছি, স্বাভাবিকভাবেই এটা খুবই আনন্দের৷ আমরা একসঙ্গে প্রচুর কাজ করেছি, ফলত দর্শকদেরও একটা এক্সপেকটেশন থাকে৷ স্নেহাশিষদার কাছে আমি ভীষণ ভাবে কৃতজ্ঞ কারণ বহু বছর বিরতির পর এই জুটিটা ফিরছে৷ এখন তো কাজের ধরন বদলে গিয়েছে৷ তাই মনে হত আর হয়তো কখনও কেউ আমাদের একসঙ্গে কাস্ট করবেন না৷ কিন্তু স্নেহাশিষদা যে আমাদের একসঙ্গে আবার ভেবেছেন, এর জন্য আমি খুব খুশি, দাদার প্রতি কৃতজ্ঞ। ”

ধারাবাহিকের যে প্রমো প্রকাশ্যে এসেছে সেখানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে বিয়ে বাড়ি সেজে উঠেছে আলোর সাজে। কিন্তু কনের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরেই দেখানো হচ্ছে সুস্মিতার চরিত্রটি হাসপাতালে চিকিৎসা দুর্নীতির কথা জানতে পেরে গিয়েছে। সাহসী এই চিকিৎসক যখনই সকলকে সত্যি কথা বলতে যায় তখনই তাকে মেরে দেওয়া হয়। এবার গল্প কোনদিকে মোড় নেবে সেটাই দেখার অপেক্ষা৷