
বাংলা টেলিভিশনে একজন জনপ্রিয় অভিনেতা রণজয় বিষ্ণু। যাকে শেষ দেখা গিয়েছিল ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’ ধারাবাহিকে। কিছুদিন আগেই টেলি অভিনেত্রী শ্যামপ্তী মুদলি’র সাথে বিয়ে সেরেছেন অভিনেতা। পর্দায় অভিনেতার জীবন ঝলমলে দেখালেও ক্যামেরার পিছনে রণজয় একদমই আলাদা একজন মানুষ।
অভিনেতার এই পরিণত ব্যক্তিত্বের পিছনে রয়েছে তার কষ্টময় শৈশবের অভিজ্ঞতা। অতীতে একাধিক সাক্ষাৎকারে রণজয় জানিয়েছিলেন, ছোটবেলা কেটেছে অভাব-অনটনের মধ্যে দিয়ে, জন্মদিনে কেক কাটা তো দূরের কথা, বছরে এক-দু’বার মাংস খাওয়া ছিল তাদের পরিবারের বিলাসিতা। ছোট্ট ছোট্ট অভিজ্ঞতা গুলো থেকেই বড় কিছু করে দেখানর স্বপ্ন দেখেন রণজয়।
একসময় এক সাক্ষাৎকারে রণজয় জানিয়েছিলেন ‘আমার ইচ্ছা আছে ভবিষ্যতে সমাজে দুস্থদের জন্য একটা বৃদ্ধাশ্রম করব। তারসঙ্গে যেসব নতুন প্রজন্ম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়ে বড় হচ্ছে বা বিপথে চলে গেছে, তাদের জন্য আলাদা করে একটা এডুকেশন সিস্টেম তৈরি করা। আমি লক্ষ্য করেছি এদের কাছে পড়াশোনার থেকে খাবারের মূল্য অনেক বেশি। আসলে পেটের খিদে বড় খিদে, তারপর পুঁথিগত যোগ্যতা।’শুধু একজন অভিনেতা হিসাবে নয়, একজন সমাজসচেতন মানুষ হিসাবে ভবিষ্যত প্রজন্মকে আলোর দিশা দেখাতে চান রণজয়।
