‘সেদিন আমি আত্মহত্যা করতাম…মেয়েটা না থাকলে হয়তো…সকালে উঠে দেখি আর কোন সারা নেই… কফিনে করে ওর মৃতদেহটা…’, একরাশ যন্ত্রনা নিয়ে মুখ খুললেন সুভদ্রা মুখোপাধ্যায়

সুভদ্রা মুখোপাধ্যায়

ইন্ডাস্ট্রিতে চেনা মুখ সুভদ্রা মুখোপাধ্যায়। ক্যামেরার আড়ালে সবসময় হাসিখুশি থাকা অভিনেত্রীর জিবনে আচমকাই যেন অন্ধকারের ছায়া। ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হৃ’দরোগে আক্রান্ত হয়ে ঘুমের মধ্যেই আকস্মিক প্রয়াণ ঘটেছিল অভিনেত্রীর স্বামী ফিরোজ এর। স্বামীকে হারানোর যন্ত্রণায় জীবনের সব রঙই ফিকে গিয়েছে অভিনেত্রীর কাছে।

সম্প্রতি প্রয়াত স্বামীর মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। সুভদ্রা জানান, কর্মসূত্রে বাইরে থাকলেও সে সময় কলকাতায় নিজ বাড়িতেই পরিবারকে সময় দিতে এসেছিলেন তার স্বামী ফিরোজ। আগের দিন রাতেই পরিবারের সঙ্গে হাসিখুশি সময় কাটানো ও একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করার পর, পরদিন সকালে হঠাৎই এই চরম বিপর্যয় নেমে আসে।

কান্নাভেজা কণ্ঠে সুভদ্রা বলেন, “রাত্রিবেলা একসাথে খেলাম, গান শুনলাম। আমি বললাম ঘুমিয়ে পড়ো…কেন যে বললাম! এখন আমার সারাজীবনের একটা আফসোস যে আমি ওকে কেন ঘুমাতে বললাম। না ঘুমাতে বললে হয়তো আরো অনেকক্ষণ গল্প করতে পারতাম। ও একদম লাগেজ ক্যারি করা পছন্দ করতো না…সে যে কোনদিন লাগেজ হয়ে যাবে এটা আমি কোনদিন ভাবিনি, তাকে যে কফিনে নিয়ে যেতে হবে। যদি আমার মেয়ে না থাকতো, হয়তো আমি সুইসাইড করতাম।”

প্রিয় মানুষকে এভাবে আচমকা হারানোর ধাক্কা মেনে নিতে পারেননি অভিনেত্রী, যাঁর জেরে মানসিক ও আবেগের দিক থেকে তিনি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিলেন। জীবনের এই কঠিন লড়াইয়ে মেয়ের মুখ চেয়েই কোনোরকমে বেঁচে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন অভিনেত্রী।

Previous article40 টি সেরা সঙ্গী বা সাথী নিয়ে উক্তি । Partner Quotes
Sudeshna Jana
হাই, আমি সুদেষ্ণা জানা। আমার প্যাশন লেখালেখি করা। আমি একজন লেখিকা। মানুষকে এন্টারটেইনমেন্ট করতে পছন্দ করি। তাই বিনোদন সংক্রান্ত বিষয় লেখালেখি করতে বেশি পছন্দ। দর্শকদের এন্টারটেইনমেন্ট দেওয়ার জন্য বিশ্বের সমস্ত ধরণের বিনোদন নিউজ তাদের কাছে এগিয়ে দেওয়াই আমার কাজ। বিভিন্ন ধরণের বিনোদন পেতে আমাদের এই পেজে অনুসরণ করুন।