‘হঠাৎ বেঁকে যাচ্ছে ঠোঁট…ব্রেনে পৌঁছাচ্ছে না অক্সিজেন…’, তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ‘সারেগামাপা’ খ্যাত রথিজিৎ ভট্টাচার্যকে, কি জানালেন গায়কের স্ত্রী?

গায়ক রথিজিৎ ভট্টাচার্য

আচমকাই গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় ‘সারেগামাপা’ বিচারক  গায়ক রথিজিৎ ভট্টাচার্যকে। নিজেই সেই খবর পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন গায়ক। কি হয়েছে রথিজিৎয়ের?

শোনা যায়, হঠাৎই বেঁকে যেতে শুরু করে গায়কের ঠোঁট। দেরি না করে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করেন তাকে। রথিজিৎয়ের অসু’স্থতার সময় পাশে ছিলেন তার স্ত্রী। আজকাল ডট ইনকে গায়কের স্ত্রী শ্রেয়া ভট্টাচার্য জানান, “কয়েক দিন আগে হঠাৎ করেই ওর শরীরটা খারাপ লাগতে শুরু করে। তখন তড়িঘড়ি করে নিউরোসায়েন্সের এমার্জেন্সিতে নিয়ে গিয়েছিলাম। কথা বলতে গেলে ঠোঁটটা হালকা বেঁকে যাচ্ছিল। সেটা দেখেই আমরা এমার্জেন্সিতে নিয়ে গিয়েছিলাম। তখন সেখানে ওকে দেখে চিকিৎসকরা বলেন যে মনে হচ্ছে টিআইএ হয়েছে।”

শ্রেয়া আরও জানান, “টিআইএ  স্ট্রোক নয়, অনেক সময় ব্রেনে অক্সিজেন না গেলে তখন হয়। হাসপাতালে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে ছিল। বাড়িতে আসার পরও অবজার্ভেশনে ছিল। এখন ভাল আছে। খুব সিরিয়াস কিছু না। তবে, যদি নিয়ে যেতে দেরি হতো, আমরা লেট করতাম, তাহলে সিরিয়াস কিছু হতে পারত। সময় মতো নিয়ে যাওয়ায় সব ঠিক আছে।”

রথিজিৎ স্ত্রী জানিয়েছেন, “চিকিৎসক বলেছেন এখন একটু রুটিন মেনটেন করতে হবে। ও খুব কম ঘুমাতো আর কী, টিভির কাজ, সিনেমার কাজ সব মিলিয়েই। প্রচণ্ড ওয়ার্কহলিক। এখন বাইরের খাবার বন্ধ। ৮ ঘণ্টা ঘুমাতেই হবে। এছাড়া ওষুধ তো আছেই।”

হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শেয়ার করে রথিজিৎ জানান, ‘আমার এই অসুস্থতার সময় যাঁরা আমার পাশে ছিলেন তাঁদের সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আমার সমস্ত বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী, ছাত্র, জি বাংলার পরিবার সহ সকলে যাঁরা আমায় দেখতে এসেছেন, ভালবাসা পাঠিয়েছেন আমায় আর আমার স্ত্রীকে তাঁদেরকে ধন্যবাদ। আমি এখন ভাল আছি। দ্রুত সুস্থ হচ্ছি। কয়েক দিনের মধ্যেই আমি কাজে ফিরব আবার, তবে এবার আরও শক্তিশালী, ডিসিপ্লিনড হয়ে, আরও অনেক বেশি শক্তি নিয়ে।’