‘বিশেষ করে যেহেতু ওর মৃত্যু হয়েছে…আমাদের প্রোডাকশন…সত্যি বলতে…’, রাহুলের জন্মদিনে আবেগপ্রবণ লীনা গাঙ্গুলি

লীনা গাঙ্গুলি

‘ম্যাজিক মোমেন্টস’ প্রযোজনা সংস্থার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের আউটডোর শুটিংয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রযোজনা সংস্থার নিরাপত্তার গাফিলতিতে অকাল প্রাণ যায় রাহুলের। টেলি ইন্ডাস্ট্রি থেকে এরপর ব্যান করে দেওয়া হয় লীনা গাঙ্গুলির প্রযোজনা সংস্থা। তাঁদের সাথে কাজ করতে কেউ রাজি নয়।

১৬ ই অক্টোবর ছিল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। অভিনেতার জন্ম বার্ষিকীতে বিভিন্ন টেলি তারকারা তাঁদের আবেগ নিজেদের সামাজিক পাতায় তুলে ধরছেন। পাশাপাশি অভিনেতা জন্মদিনে আবেগপ্রবণ ছিলেন লেখিকা লীনা গাঙ্গুলি।

এই সময় সংবাদমাধ্যমের পেজে তিনি জানিয়েছেন্, “জানি না এই দিনে ঠিক কী বলা উচিত, আসলে এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না। যে কোনও চলে যাওয়াই খুব দুঃখের। তবে রাহুলের মৃত্যু আমার কাছে সত্যিই অনভিপ্রেত। কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোনও শব্দে এই যন্ত্রণা বোঝানোও সম্ভব নয়। যে ভাবেই মৃত্যু হয়ে থাকুক না কেন ওর, আমি কোনও বিচারের মধ্যে না গিয়েই বলছি ও আমার অত্যন্ত স্নেহের আর চিরদিন তেমনটাই থাকবে। রাহুলের জায়গাটা কখনও পূর্ণ হবে না। কিছু মৃত্যু আজীবনের ক্ষত হয়ে থেকে যায়। আমার জীবনেও সারাজীবন এ ভাবেই থেকে যাবে এই ক্ষত। আরও বিশেষ করে যেহেতু ওর মৃত্যু হয়েছে আমাদেরই শুটিংয়ে, কোনও না কোনও ভাবে বিষয়টার সঙ্গে আমাদের প্রোডাকশন জড়িয়ে গিয়েছে, তাই এই হারানোর কোনও ভাষা নেই।”

লেখিকা আরও জানান, “ওর পরিবার আছে। তাই পৃথিবীর কোনও কিছু দিয়েই তো আর এই ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়। সত্যি বলতে, জীবনের কিছু শূন্যস্থান কখনও পূরণ হয় না। এটা সারা জীবন থেকে যাবে। আর সেই জায়গার যে অনুভূতি, তা হয়তো একটা লেখা, কতগুলো শব্দের মাধ্যমে আমি তুলে ধরতেও পারব না। ‘দেশের মাটি’ ধারাবাহিক থেকে কাজ শুরু একসঙ্গে। তারও আগে থেকে চিনি একে অন্যকে। আসলে লেখাপড়ার একটা ব্যাপার তো থাকে। নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যেত ওর সঙ্গে। বার বার খালি মনে হয় যাই হয়ে যাক না কেন, আর তো রাহুলকে ফেরত দিতে পারব না। ও যেখানেই থাকুক ভালো থাক।”

সুত্রঃ https://eisamay . com/entertainment/leena-ganguly-shares-memory-with-rahul-arunoday-banerjee-on-his-birthday/200555901.cms