
সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের শিরোনামে জীতু কমল। অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ এবং জীতু কমলের তর্ক-বিতর্কের কাঁদাছোঁড়াছুড়ি এখন তুমুল চর্চায়। তবে তারমাঝেই প্রাক্তন স্ত্রী নবনীতার সাথে গতকাল আচমকাই লাইভে আসেন জীতু কমল। আর তার পরেই বীরাটিতে ঘটে যাওয়া পুরনো ঘটনাকে উস্কে দিয়েছে। এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুলতে দেখা গেল অভিনেত্রী নবনীতা দাসকে।
আনন্দবাজার ডট কমকে নবনীতা জানান, “তিন বছরে জীতুর সঙ্গে আমার সে ভাবে কোনও যোগাযোগ হয়নি। যখনই এমন কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে— যেমন দিতিপ্রিয়া হোক বা শ্রাবন্তীদিকে টেনে সমস্যা, তখনই এক-দু’বার কথা হয়েছে।”
গতকাল প্রসঙ্গ অভিনেত্রী বলেন, “আমি খেতে গিয়েছিলাম। হঠাৎই সেখানে জীতুর ফোন পাই। ওর ডাকেই অত রাতে গিয়ে দেখা করি। সায়নীর সঙ্গেও এর পরে আমার কথা হয়েছে। আমার সঙ্গে সত্যিই তো কোনও সমস্যা নেই সায়নীর। ও আমাকে বলল, ‘তুই ছাড়, কোনও চাপ নেই।”
অভিনেত্রী আরও জানান, “আসলে আমি কখনও কোনও বিতর্কে জড়াইনি। তা রাজনৈতিক হোক বা অন্য কিছু। ডিভোর্সের পরে আমি সায়নীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম, ঠিক কথা। তখন ও ফোন তোলেনি। যদি সেই মুহূর্তে ফোনে পেতাম, তা হলে হয়তো আমাদের বিবাহবিচ্ছেদের বিষয় নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ত। সেই কথাগুলো কখনও জীতুর পক্ষে যেত না। কারণ, আমাদের বিচ্ছেদটা খুব সহজ ছিল না। আমি তো লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছেও গিয়েছিলাম। তিনি আমাকে লিখিত দিতে বলেছিলেন। পরে নিজেই উপলব্ধি করে নিজেকে এই সব থেকে বার করে আনি। নতুন ভাবে নিজের জীবন শুরু করতে চেয়েছিলাম।”
নবনীতার মতে, শিল্পীদের নিজেদের মধ্যে এ ভাবে বিবাদে জড়ানো একেবারেই ঠিক নয়। রাজনীতির রং লাগালে দিনের শেষে ইন্ডাস্ট্রিরই ক্ষতি।
সূত্রঃ www . anandabazar . com
