
সালটা ২০১৯, সহ-অভিনেত্রী তথা প্রেমিকা নবনীতা দাসের সাথে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন অভিনেতা জিতু কমল। বিয়ের পর সুখের সংসার ছিল তাদের। বাচ্চা বউ নবনীতাকে সবসময় আগলে রাখতেন জিতু। তবে ৪ বছরের দাম্পত্য জীবন আচমকাই ভেঙে যায় তাদের। এরপর তারা ডিভোর্সের সিধান্ত নেয়। যদিও তারা কখনোই ডিভোর্সের কারণ প্রকাশ্যে জানাননি।
তবে সেই সময় প্রতিবেদনে শোনা যায়, নবনীতার জীবনে নতুন ব্যক্তির প্রবেশেই মনোমালিন্য। ২০২৩ সালে নবনীতা প্রথম তাদের ডিভোর্সের কথা জানায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাদের বিচ্ছেদের খবরে মন ভেঙেছিল নেটিজেনদের। অনেকেই তাদের জুটি ভীষণ পছন্দ করতেন।
বিচ্ছেদের পর তাদের একসাথে দেখা যায়নি। তবে তাদের মধ্যে কাঁদাছোঁড়াছুড়ি সম্পর্ক কখনোই হয়নি বরং জিতু আর নবনীতা সু-সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন বলেই জানা যায়। নবনীতা হাসপাতালে থাকাকালিন জিতু ফোন করে খোঁজও নিয়েছিলেন। তবে আচমকাই আবার তারা একসাথে লাইভে।
সকলে প্রায় চমকে দিয়েছিলেন দুজন। রাত দুটোর সময় কলকাতার রাস্তায় দাঁড়িয়ে নবনীতার সাথে লাইভে আসেন জিতু। যদিও নেপথ্যে কারণ অভিনেত্রী সায়নী ঘোষের জিতুকে নিয়ে মিথ্যে অপবাদ।
নবনীতাকে পাশে রেখেই লাইভে জিতু বলেন, “ঘোষ মহাশয়া (সায়নী ঘোষ) দাবি করেছেন, আমি নাকি নবনীতার সঙ্গে দিনের পর দিন কুকর্ম করেছি! বাঙালি রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই একটা নোংরা ট্রেন্ড রয়েছে যে, কেউ ডিভোর্স করলেই একজন অন্যজনকে নিয়ে খোঁচা মারে, কাদা ছেটায়। কিন্তু আমরা এই নোংরা রাজনীতি, খোঁচার ঊর্ধ্বে উঠে সমাজকে দেখিয়ে দেব যে, ডিভোর্স হওয়ার পরেও আজীবন খুব ভালো বন্ধু হয়ে থাকা যায়।”
ঘটনা যাই হোক, এত বছর পর জিতু-নবনীতা একসাথে দেখে উচ্ছ্বসিত ভক্তরা। অনেকেই লিখেছেন তোমরা সব ভুলে এক হয়ে যাও প্লীজ। আবার অনেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত পাচ্ছেন। জিতু কমল বরাবর সাক্ষাৎকারে বলে এসেছেন, ‘তিনি এক নারীতেই আসক্ত’। তাহলে ভাঙা সংসার আবার জোড়া লাগতে চলেছে? সেটা তো সময় বলবে।
