
গতরাতে শেষ হলো জি বাংলার ‘সারেগামাপা’র এবারের সিজনের গ্র্যান্ড ফিনালের গ্র্যান্ড টেলিকাস্ট। বছরের সেরা সুরের লড়াইয়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করলেন আয়ুষ গুপ্ত, গীতশ্রী চৌধুরী ও সৃজন পোড়েল। অন্যদিকে গ্র্যান্ড ফিনালে শেষ হতেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক ও আলোচনা। বিজয়ী ও রানার্স-আপদের প্রতি শুভকামনা থাকলেও, এই ফলাফল মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না নেটিজেনদের একটা বড় অংশ। মোস্ট স্টাইলিশ পারফর্মার তকমা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে সায়ন্তনী ঘোষকে। এতেই বেশ মনোক্ষুন্ন সায়ন্তনীর অনুরাগীরা।
গোটা সিজন জুড়ে সায়ন্তনী নিজের অনবদ্য গায়িকী দিয়ে বিচারক থেকে শুরু করে লক্ষ লক্ষ দর্শকের মন জয় করেছিলেন, অথচ প্রথম তিনটি স্থানের কোনোটিতেই নিজের জায়গা করে নিতে পারেননি সায়ন্তনী। এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না গায়িকার ভক্তরা।
ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন সায়ন্তনীর অনুরাগীরা। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘বিচার খুব খারাপ হয়েছে। আয়ুষ চাম্পিয়ন ঠিক আছে। কিন্তু সায়ন্তনীর সঙ্গে এটা ঠিক হল না! ’অন্য আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘আয়ুষ প্রথম আর সৃজন তৃতীয় একদম ঠিক আছে… কিন্তু সায়ন্তনী দ্বিতীয় পজিশন ডিজার্ভ করে। এই বিচারটা একদম মানতে পারছি না। সত্যিই মনটা খারাপ হয়ে গেল।’
অনেকের মতেই, সায়ন্তনী যেভাবে প্রতিটা পর্বে নিজের সেরাটা উজাড় করে দিয়েছিলেন, তাতে তিনি অন্তত প্রথম বা দ্বিতীয় স্থানের যোগ্য দাবিদার ছিলেন। বিচারকদের জাজমেন্ট এবং এই চূড়ান্ত ফলাফল নিয়ে ইতিমধ্যেই উঠতে শুরু করেছে হাজারো প্রশ্ন। ভক্তদের একাংশের স্পষ্ট দাবি সায়ন্তনীর সাথে চরম অন্যায় করা হয়েছে এবং যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন হয়নি।
হাওড়ার সালকিয়ার এই সাধারণ পরিবারের মেয়েটি তাঁর অসাধারণ মিষ্টি এবং সুরেলা গলার জাদুতে বিচারক ও দর্শকদের মন জয় করে ট্রফির অন্যতম দাবিদার হয়ে উঠেছিলেন। সেরা চারে থাকলেও, হাতে এল না ট্রফি।
