
সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের শিরোনামে গায়িকা দেবলীনা নন্দী। যিনি স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির বিপক্ষে একাধিক অভিযোগ এনে আত্মহত্যার চেষ্টা করতে গিয়েছিলেন। ৭৮ টা ঘুমের ওষুধ খেয়ে নিজের জীবন শেষ করে দেওয়ায়র সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এরপর দেবলীনার পরিবার পক্ষ থেকে স্বামীর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ আনা হয়। সেই সময় নেটপাড়া কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন পাইলট প্রবাহ নন্দীকে। সকলেই তার দিকে আঙুল তোলেন। কিন্তু প্রবাহ সেই সময় একেবারেই নীরব ছিলেন।
ডিভোর্স ফাইলের পর দেবলীনা যখন জিনিস না পাওয়ায় ফের লাইভে এসে অভিযোগ জানান। ফের দেবলীনা আর প্রবাহকে নিয়ে বিতর্কের দানা বাঁধে নতুন করে। তবে এবার আর চুপ না থেকে টিভি নাইন বাংলার এক সাক্ষাৎকারে ক্ষোভ উগড়ে দেন দেবলীনার স্বামী। প্রবাহ জানান, দেবলীনার আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। দেবলীনার মা দেখতে ভালো না এরকম কোনও বাপার নিয়ে ইস্যুই ছিল না। এমনকি উল্টে তাদের সম্পর্কের সমস্যার জন্য দেবলীনার মাকে দায়ী করেছেন। প্রবাহ আরও জানান…দেবলীনা নন্দী তাকে চড়ও মেরেছিলেন…এমন বেশ কিছু সত্য সামনে আনেন প্রবাহ।
প্রবাহের সাক্ষাৎকারের ২৪ ঘণ্টা কাটতেই ফের মুখ খুললেন দেবলীনা। একটি দীর্ঘ পোস্টে নিজের কিছু কথা তুলে ধরলেন। যদিও সেই পোস্টে দেবলীনা তার স্বামীর নাম নেননি। তবে পোস্ট দেখে নেটিজেনদের মন্তব্য প্রবাহকে ইঙ্গিত করেই এই লেখা দেবলীনার। কি লিখেছেন গায়িকা?
দেবলীনা লেখেন, “মানুষের জীবনে সব থেকে কঠিন কাজ সঠিক মানুষ চেনা মানুষ চিনতে ভুল করলে সারাজীবন এক অদ্ভুত জ্বালায় জ্বলতে হয় সময় থাকতে বুঝে গেলে খুব ভালো নাহলে সবই গেল কিন্তু কিছু মানুষ বড় বোকা বুঝেও বোঝেনা ভাবে যে ভালবাসলে সব কিছু ঠিক হয়ে যায়,সে যতই অবহেলিত হও না কেন।যারা পর্দায় অভিনয় করে তাদের অভিনেতা অভিনেত্রী কিন্তু যারা নিত্য জীবনে অভিনয় করে গেছে একটা মানুষের জীবন ধ্বংস করার জন্য নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য তাদের কে কি বলে ? হাসি পায় এটা ভেবে যে যাকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে ফেলে এই মন, সে যখন পিছনে অতিরিক্ত সম্পর্কে জড়িয়ে থাকে এবং নিজেকে সাধু প্রমাণ করতে চায় জীবনে কিছু ঘটনা এমন ঘটে যায় যেটা পরবর্তী জীবন টাকে পুরো বদলে দেয়, মনের মধ্যে একটা অদ্ভুত ভয় ঢুকিয়ে দেয় যেটা ভুলে যাওয়া বা সেখান থেকে বেরিয়ে আসা রোজ বেচে থাকার জন্য লড়াই করার থেকেও কঠিন।” (পোস্টের লেখা অপরিবর্তিত রাখা হল)
