‘বাড়ি এসে দেখি সব শেষ… আমার জীবনের বড় ধাক্কা… তখনই বুকটা কেঁপে উঠেছিল…’, ব্যক্তিগত জীবনের অজানা সত্যি ফাঁস করলেন বিশ্বনাথ বসু

বিশ্বনাথ বসু
বাংলা বিনোদন জগতের অন্যতম সফল ও ব্যস্ত অভিনেতা বিশ্বনাথ বসু। দর্শকের মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলার মত কঠিন কাজটিকে যিনি বছরের পর বছর ধরে অবলীলায় করে আসছেন সেই মানুষটাই ব্যক্তিগত জীবনের যন্ত্রনাময় মুহুর্ত পার করে এসছেন। ব্যারাকপুর থেকে উঠে এসে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা  তৈরি করার লড়াইটা কখনোই সহজ ছিল না। পাড়ার নাটক, স্কুলের থিয়েটার ও পথনাটিকা দিয়ে যার অভিনয়ে হাতেখড়ি, তিনি আজ অজস্র সিনেমা-মেগা ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছেন।
সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক মুহূর্তগুলো ভাগ করে নিলেন বিশ্বনাথ। অভিনেতার জীবনে বড় ধাক্কা ছিল যখন তার বাবা মারা যান। , বিশ্বনাথ জানান, “মা বলেছিলেন বাবা নাকি যেতে চাইছিল না… পর্দাটা টেনে ধরেছিল!” শোয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে যখন সহস্র মানুষকে হাসাতে হতো, তখনো মন পড়ে থাকত অসুস্থ বাবার কাছে।
বিশ্বনাথ বলেন, “তখনই আমার বুকটা কেঁপে উঠেছিল! শো করতে গিয়ে বলেছিলাম, আমাকে একটু ছেড়ে দেবেন? বাবাটার না খুব শরীর খারাপ.. পরদিন বাবাও চলে গেল পৃথিবী থেকে..বাড়ি ফিরে এসে দেখি সব শেষ।”
 পিতৃহারা হওয়ার শোকেই ভেঙে পরেছিলেন অভিনেতা। কিন্তু পেশাদারিত্বের খাতিরে আবারও কাজে ফিরতে হয়েছিল বিশ্বনাথকে। আলো ঝলমলে বিনোদন দুনিয়ার পেছনের এই অন্ধকার ও কঠিন অভিজ্ঞতাগুলো প্রমাণ করে যে, একজন সত্যিকারের শিল্পীকে প্রতিনিয়ত এক বুক কষ্ট চেপে রেখেই মুখে হাসি ফুটিয়ে অভিনয় চালিয়ে যেতে হয়।