চিকিৎসার গাফিলতিতেই বাবা আর নেই! ‘আমি আর মা শূন্যে এসে দাঁড়িয়েছি.. তাই অভিনেত্রী হতে পারলাম না’, আক্ষেপ তাপস কন্যা সোহিনীর

 সোহিনী পাল

বাবা তাপস পালের আকস্মিক প্রয়াণের পর ২০২০ সাল থেকে কলকাতায় সোহিনী পাল। বাবার মতই অভিনয় তার রক্তে। দেখতে দেখতে পাঁচ বছর কেটে গিয়েছে, তিনি কলকাতায়। অথচ, বাংলা বড় বা ছোট পর্দার কোথাও নেই তাপস-কন্যা! বাবা চলে যাওয়ার পর মা ও মেয়েকে যে কঠিন জীবনসংগ্রামের মুখোমুখি হতে হয়েছে, তা সোহিনীর কথায় বেশ স্পষ্ট।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সোহিনীর কথায় উঠে এসেছে এক মর্মান্তিক সত্য। হাস্পাতালে চিকিৎসার গাফিলতির কারনেই তাপস পালের অবস্থার অবনতি হয়েছিল। ডায়ালিসিসের সময় ভুলভাবে একটি ভেন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় শরীরে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। যা সময়মত ধরা পরেনি। সোহিনীর অভিযোগ, চিকিৎসার অবহেলাই শেষপর্যন্ত তার বাবার মৃত্যুর কারন।

সোহিনী জানান, ‘বাবা চলে যাওয়ার পরে আমাকে আর মাকে নতুন করে জীবন শুরু করতে হলো।’ অভিনয় জগত নিয়ে সোহিনীর অভিজ্ঞতাও বেশ জটিল। মুম্বইয়ে গিয়ে অডিশন দেওয়া থেকে শুরু করে ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির বুকিং হেড হিসেবে কাজ করা পর্দার সামনের চেয়ে পেছনের কাজই তাকে বেশি টেনেছে।

সোহিনীর মতে তিনি হয়তো ঠিকঠাক ‘মাখন লাগাতে’ বা দ্রুত বন্ধুত্ব করতে পারেন না বলেই তথাকথিত ‘সফল’ অভিনেত্রী হতে পারেননি। সোহিনীর প্রতিটা কথাই বুঝিয়ে দেয় বাবা চলে যাওয়ার পেছনের লড়াইটা কতটা যন্ত্রণাদায়ক ছিল।