
স্টুডিয়োপাড়ার ঝকঝকে আলোর আড়ালে আজও লুকিয়ে অন্ধকারের ছায়া। আরও একবার হেনস্থার শিকার অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তী। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় টলিউডের নামী পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক হেনস্থার অভিযোগে সরব হলেন অঙ্কিতা।
ঘটনার সুত্রপাত সমাজমাধ্যমে পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্যের একটি পোস্ট। আর সেই পোস্টেই বিস্ফোরক মন্তব্য অঙ্কিতার। পরিচালকের পোস্টে অঙ্কিতা লেখেন, “তোমার মতো নোংরা পারভার্ট ব্রাহ্মণদের কী করে শ্রদ্ধা করি বলো তো? যারা নিজের বন্ধুর মেয়ের পিঠে হাত বোলাতে ছাড়ে না। (যেটা করেছ, সেটা লিখতে আমার লজ্জা লাগছে, তাই পিঠে হাত বোলাতেই লিখলাম।) মদ খেয়ে অভিনেত্রীদের নিতম্বে হাত বোলায়, জোর করে ওই নোংরা গুটখা খাওয়া দাঁতে চুমু খেতে আসে? আর বাধা দিলে…পরের দিন নেশা কাটার পরে ক্ষমা না চেয়ে সঙ্গে-সঙ্গে বিভিন্ন কাজ থেকে কাঠি করে থাকে। দেখা হলে চিনতেও পারে না…রাতারাতি পছন্দের অভিনেত্রী কী ভাবে যেন অচেনা হয়ে যায়। আপাতত আমি আমার আর ওর (একটি নাম লিখেছিলেন) কথা বললাম।”
আচমকা কেন এমন মন্তব্য করলেন অভিনেত্রী? ঠিক কী ঘটেছিল? অঙ্কিতার দাবি, এই ঘটনার প্রতিবাদ করায় পরের দিনই বিভিন্ন কাজ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত শুরু করেন পরিচালক। দেবালয় তাঁকে চিনতেও অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ অভিনেত্রীর।
সম্প্রতি নিজের সমাজমাধ্যম থেকে নিজের পোস্টটি মুছে দেন পরিচালক। অঙ্কিতা জানিয়েছেন, তিনি এখনই সবটা প্রকাশ্যে আনতে চান না কারণ তিনি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘যদি অন্যায় না-ই করে থাকেন, তবে পোস্ট মুছলেন কেন?’
আনন্দবাজার অনলাইনকে অভিনেত্রী বলেন, ‘তিনি যে কাজটি করেছেন তা কুৎসিত, জঘন্য অপরাধ। কোনও অনুতাপও নেই। এ রকম লোক আরও সাংঘাতিক। এই ধরনের মানুষই অপরাধ করে মেরেও ফেলতে পারে। আমার কথা ছেড়েই দিলাম, আর এক জনের সঙ্গেও যা করেছিলেন! সে তখনও প্রাপ্তবয়স্কও হয়নি। ওটা তো শিশু-হেনস্থা! নোংরা মানুষ বলেই ডিলিট করেছেন পুরো পোস্ট।’

