‘বাবার শারীরিক অবস্থা সংকটজনক.. চোখের সামনে রক্তবমি… রাত আড়াইটে নাগাদ আমি…’, ভয়ঙ্কর রোগে আক্রান্ত অভিনেতার বাবা! হাসপাতালে বাবার অসুস্থতা নিয়ে মুখ খুললেন অম্বরীশ ভট্টাচার্য

অম্বরীশ ভট্টাচার্য

বাংলা ইন্ডাস্ট্রির পরিচিত মুখ অম্বরীশ ভট্টাচার্য। হাসির চরিত্র থেকে শুরু করে গম্ভীর ভূমিকাতেও তাঁর অভিনয় দর্শকের প্রশংসা পেয়েছে। সম্প্রতি অভিনেতার বাবাকেনিয়ে নিজের জীবনের ভ’য়াবহ এক রাতের কথা শেয়ার করেছেন অম্বরীশ। যা সুনে রীতিমত চমকে উঠেছেন অনুরাগীরা।

অম্বরীশের কথায়, বাবার মৃ’ত্যুর পর তাঁর ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে ছিল মাত্র সাড়ে সাত হাজার টাকা। জীবনের এতটা সময় কাটিয়েও সেটাই ছিল তাঁর বাবার শেষ আর্থিক সঞ্চয়। তবে টাকা-পয়সা নিয়ে তাঁর বাবার কোনও আ’ক্ষেপ ছিল না বলেই মনে করেন অম্বরীশ। নিজের মতো করে জীবন কাটিয়েছিলেন তিনি, আর সেই জীবনকে উপভোগও করেছিলেন।

তবে অভিনেতার বাবার জীবনের শেষ সময়টা ছিল অত্যন্ত কষ্টের এবং যন্ত্রণাদায়ক। সিরোসিস অফ লিভারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন তার বাবা। তারপরেই অভিনেতার জীবনে আসে সেই ভয়াবহ রাত। শুটিংয়ের কাজ শেষ করে রাতের দিকে বাবাকে দেখতে নার্সিংহোমে পৌঁছেছিলেন অভিনেতা। সময় তখন প্রায় রাত আড়াইটে। অম্বরীশ জানান, তাঁর চোখের সামনেই বাবা প্রায় দেড় লিটার রক্তবমি করেছিলেন। এতটা অসুস্থ অবস্থাতেও তাঁর বাবা একদৃষ্টে ছেলের দিকে তাকিয়ে ছিলেন।

মৃত্যুর এত কাছে দাঁড়িয়ে থাকা বাবার সেই দৃষ্টি আজও ভুলতে পারেননি অম্বরীশ। বাবাকে সেই রাতে অম্বরীশ প্রশ্ন করেছিলেন, “তুমি কেন এত মদ খেয়েছ জীবনে?” এর উত্তরে তাঁর বাবা খুব শান্তভাবে বলেছিলেন, “আনন্দ করে তো বাঁচলাম।” বাবার মুখ থেকে এই কয়েকটি কথা শুনে আর কোনও প্রশ্ন করেননি অভিনেতা। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, বাবার জীবনের শেষ সময় এসে গিয়েছে। সেই রাতেই মৃত্যু হয় অভিনেতার বাবার।

Previous articleঅভিযোগ নিয়ে উক্তি । বেস্ট বাংলা ক্যাপশন । Complain Quotes
Sudeshna Jana
হাই, আমি সুদেষ্ণা জানা। আমার প্যাশন লেখালেখি করা। আমি একজন লেখিকা। মানুষকে এন্টারটেইনমেন্ট করতে পছন্দ করি। তাই বিনোদন সংক্রান্ত বিষয় লেখালেখি করতে বেশি পছন্দ। দর্শকদের এন্টারটেইনমেন্ট দেওয়ার জন্য বিশ্বের সমস্ত ধরণের বিনোদন নিউজ তাদের কাছে এগিয়ে দেওয়াই আমার কাজ। বিভিন্ন ধরণের বিনোদন পেতে আমাদের এই পেজে অনুসরণ করুন।