‘প্রয়োজন হলে রুটির দোকান দেব তবুও.. তাই বাধ্য হয়ে টিকে থাকার জন্য..’, অভিনয় জগত নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন ‘কনে দেখা আলো’ খ্যাত অভিনেত্রী গুলশানারা

 গুলশানারা খাতুন

টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিত মুখ অভিনেত্রী গুলশানারা খাতুন। বাংলা সিরিয়াল থেকে সিনেমা সবেতেই প্রশংসা পেয়েছে তার অভিনয়। বর্তমানে ‘কনে দেখা আলো’ ধারাবাহিকে লাজুর মায়ের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রীকে। সম্প্রতি অভিনয় জগত থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর এক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন গুলশানা। কিন্তু আচমকা কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন অভিনেত্রী?

গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে মানসিক ও পেশাদার টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। যেখানে তাঁর মনে হচ্ছে বর্তমান অভিনয় জগতের তথাকথিত ‘ইঁদুর দৌড়ে’ টিকে থাকার যোগ্যতা তাঁর নেই। যেখানে তাঁর মনে হচ্ছে বর্তমান অভিনয় জগতের তথাকথিত ‘ইঁদুর দৌড়ে’ টিকে থাকার যোগ্যতা তাঁর নেই। তিনি মনে করেন, একজন শিল্পীর কাজ কথা বলা উচিত তাঁর অভিনয়ের মাধ্যমে, রিলস বা প্রচারের মাধ্যমে নয়।

ইন্ডাস্ট্রি থেকে প্রাপ্য সম্মান এবং ভালো কাজের অভাবই তাঁকে আজ এই চরম সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দিয়েছে। ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে রুটির দোকান দেবেন, কিন্তু নিজের মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো কাজ করবেন না। এই মুহুর্তে অভিনয়ের ব্যস্ততা থেকে দূরে সরে বই পড়া, লেখালেখি এবং ঘরোয়া হাতের কাজের মধ্যেই শান্তি খুঁজছেন গুলশানা।

ব্যক্তিগত জীবনের এক অন্ধকার সময় সম্পর্কে অভিনেত্রী বলেন, একটা সময় এতটাই ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতার শিকার হয়েছিলেন যা একসময় মেলানকোলিয়া ডিসঅর্ডারের রূপ নেয়। মাসের পর মাস বিছানা ছেড়ে ওঠার শক্তিটুকুও পেতেন না। তাই সমাজের মানুষের কাছে অভিনেত্রীর অনুরোধ, কেউ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকলে তাঁকে ভুল না বুঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে সাহায্য করা উচিত।