‘আমার শরীরে ভয়ঙ্কর অসুখ ধরা পরে… এখনও এই রোগে ভুগছি…’, শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা ভরত কল

ভরত কল

বাংলা টেলিভিশনের পর্দায় পরিচিত মুখ ভরত কল। বড়পর্দা থেকে ছোটপর্দা—দীর্ঘ অভিনয় জীবনে একাধিক চরিত্রে দর্শকের ভালবাসা পেয়েছেন অভিনেতা। কেরিয়ারে সফলতা মিললেও ব্যক্তিগত জীবনে চরম শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন অভিনেতা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গুরুতর অসুস্থতার সময় নিয়ে মুখ খুললেন ভরত কল।

অভিনেতা জানান, তিনি এখনও একজন ‘ক্যানসার পেশেন্ট’ এবং নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হয়। ভবিষ্যতে কী হবে, তা নিয়েও নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তিনি। ২০০৫ সালে তাঁর রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে। প্রথমে WBC কাউন্ট প্রায় ১৬ হাজার, পরে ২৫ হাজার, ৪০ হাজার এবং শেষ পর্যন্ত ৬৫ হাজারে পৌঁছেছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে বায়োপসি করা হয়। সেই পরীক্ষার পর তাঁর লিউকেমিয়া ধরা পড়ে বলে সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন ভরত কল। জীবনের এই কঠিন সময়েও অভিনয় এবং কাজ থেকে নিজেকে পুরোপুরি সরিয়ে নেননি তিনি। লন্ডনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ শুরু করেছিলেন তিনি। সেই সময় নিয়মিত ওষুধের খরচও যথেষ্ট বেশি ছিল বলে জানিয়েছেন ভরত কল।

অভিনেতার মতে, ‘ক্যানসার’ শব্দটির সঙ্গে মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই ভয় এবং আতঙ্ক জড়িয়ে থাকে। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির কারণে বর্তমানে এই ধরনের অসুস্থতার ক্ষেত্রে চিকিৎসার সুযোগ আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে।

জীবনের কঠিন সময়গুলোতে জয়শ্রী কীভাবে তাঁর পাশে থেকেছেন সেই কথাও জানান ভরত। তাঁদের কন্যা আরিয়ার জন্মও অভিনেতার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা। মেয়ের জন্মের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই অভিনেতার বাবা মারা যান। ফলে আরিয়ার জন্ম এবং বাবার শেষ সময়ের স্মৃতি অভিনেতার কাছে একইসঙ্গে আনন্দ ও বিষাদের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।

Previous articleসুন্দর গাছ নিয়ে উক্তি । স্ট্যাটাস । ক্যাপশন
Sudeshna Jana
হাই, আমি সুদেষ্ণা জানা। আমার প্যাশন লেখালেখি করা। আমি একজন লেখিকা। মানুষকে এন্টারটেইনমেন্ট করতে পছন্দ করি। তাই বিনোদন সংক্রান্ত বিষয় লেখালেখি করতে বেশি পছন্দ। দর্শকদের এন্টারটেইনমেন্ট দেওয়ার জন্য বিশ্বের সমস্ত ধরণের বিনোদন নিউজ তাদের কাছে এগিয়ে দেওয়াই আমার কাজ। বিভিন্ন ধরণের বিনোদন পেতে আমাদের এই পেজে অনুসরণ করুন।