
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য। ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’ ধারাবাহিকে শেষবার দর্শক তাঁকে দেখেছেন। ধারাবাহিক শেষ হওয়ার পর আপাতত অভিনয় থেকে কিছুটা বিরতিতে রয়েছেন অভিনেত্রী। তবে কাজের ব্যস্ততা না থাকলেও ব্যক্তিগত জীবন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন তিনি। সম্প্রতি অভিনেত্রী লাবণী ভট্টাচার্যের সঙ্গে এক মজার আড্ডায় দেখা গেল শ্বেতা ও তাঁর স্বামী রুবেল দাসকে।
দীর্ঘ ১৪ বছর পর দুই অভিনেত্রীর দেখা হওয়ায় আড্ডায় উঠে আসে পুরনো দিনের নানা স্মৃতি। একসময় ‘ভালোবাসা ডট কম’ ধারাবাহিকে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন শ্বেতা ও লাবণী। সময়ের সঙ্গে বদলেছে তাঁদের জীবন। শ্বেতা এখন সংসারী, অন্যদিকে লাবণীও মা হিসেবে সামলাচ্ছেন নিজের নতুন দায়িত্ব। তবে পুরনো বন্ধুত্বের উষ্ণতায় আড্ডা জমে উঠতে বিশেষ সময় লাগেনি।
কথার মাঝেই লাবণী শ্বেতাকে এমন একটি প্রশ্ন করে বসেন, যা শুনে হেসে গড়িয়ে পড়েন উপস্থিত সকলেই। শ্বেতার সন্তানের কবে আসছে, তা জানতে চান লাবণী। উল্লেখ্য, প্রায় দুই বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন শ্বেতা ও রুবেল। তাই তাঁদের পরিবারে নতুন সদস্য আসার প্রসঙ্গ উঠতেই শুরু হয় মজার কথোপকথন।
লাবণী পিছনে বসে থাকা রুবেলের দিকে ইঙ্গিত করে জানতে চান, এ বিষয়ে তাঁর কী মত? উত্তরে রুবেল মজার ছলে বলেন, ‘সেটা তো একা আমার দ্বারা সম্ভব নয়, শ্বেতা দিদি যদি একটু সহযোগিতা করেন!’ স্বামীর মুখে এমন কথা শুনে আর হাসি ধরে রাখতে পারেননি শ্বেতা।
তবে চুপ করে থাকেননি অভিনেত্রীও। নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসিকতার ভঙ্গিতেই রুবেলকে পাল্টা জবাব দেন তিনি। শ্বেতা বলেন, ‘আমি কোনও হেল্পিং ডিপার্টমেন্টে নেই! আমি কাউকে কোনও সহযোগিতা করছি না আজকাল। আমার অভিধানে সহযোগিতা বলে কোনও শব্দই নেই!’ শ্বেতার এই উত্তর শুনে হাসিতে ফেটে পড়েন লাবণীও। তাঁদের এই মজার কথোপকথনের মুহূর্তটি ইতিমধ্যেই অনুরাগীদের নজর কেড়েছে।
