
টলিউড সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী দেবশ্রী রায়ের বিয়ে নিয়ে এর আগে কম চর্চা হয়নি। ১৯৯২ সালে ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এই আইকনিক জুটি। তবে তাঁদের এই সম্পর্ক মাত্র তিন বছর টিকেছিল। তবে সম্প্রতি দাদা-বৌদির সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন বোন পল্লবী। জানালেন, বাড়ির লোকের কাছে গোপন রেখেই করেছিলেন বিয়ে।
ভিকি লালওযয়ানির পডকাস্টে পল্লবী বললেন, ‘খুব অল্প মেয়াদ ছিল সেই বিয়ের। দেবশ্রীর পরিবার আমাদের খুব কাছের ছিল। বিয়ের সময় দেবশ্রী নিঃসন্দেহে আমার দাদার থেকে বড় সুপারস্টার ছিল। আমি বা মা কেউই সেই বিয়ের অংশ ছিলাম না। আমরা আসলে জানতামই না। আমরা অন্য কারও থেকে জেনেছিলাম। বাড়িতে কেউ একটা এসে বলেছিল, ওঁদের তো বিয়ে হয়ে গিয়েছে। মাকে বলেছিল।’
‘এই নিয়ে দাদার সঙ্গে মায়েরও কিছু মনোমালিন্য হয়েছিল। মাত্র ১ বছরই ওদের সম্পর্ক ছিল। তারপর ভাই আবার আমাদের পরিবারে ফিরে আসে। এরপর মা যখন মারা যা, তখন অপর্ণার সঙ্গে ভাইয়ের ডেটিং চলছিল।’ জানা যায় যে, ছোটবেলার বন্ধু হওয়ার সুবাদে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আর খানিক তাড়াহুড়োতেই করেছিলেন বিয়ে।
এরপর অপর্ণা গুহঠাকুরতাকে বিয়ে করেন প্রসেনজিৎ। টেকেনি সেই সম্পর্কও। তাঁদের একটি কন্যা সন্তান (প্রেরণা) রয়েছে। অপর্ণা ও প্রেরণা দুজনেই থাকেন দেশের বাইরে।
অপর্ণার সঙ্গে ডিভোর্সের কারণ জানতে চাওয়া হলে পল্লবী জানান, ‘তৃতীয় বউয়ের সঙ্গে এখনো আছেন, আর থাকবেনও। তবে ওঁদের (অপর্ণা আর প্রসেনজিৎ) মধ্যে কিছু মতানৈক্য ছিল। খুব কষ্ট পেয়েছিল অপর্ণা। সবে বাচ্চাও হয়েছিল।’
দাদার তৃতীয় বিয়ে নিয়ে পল্লবী বলেন, ‘হতে পারে ওঁর ভালো লাগে একজন স্ত্রী থাকুক এই ব্যাপারটা। বিবাহিত থাকতে চান। এমনিতে খুব ঘরোয়া মানুষ। মাটির মানুষ। ওদের এক ছেলে আছে। ছেলেও ভীষণ ভালো। ওঁর জন্য শুধু বউ আর ছেলে পরিবার নয়, গোটা বাংলা ইন্ডাস্ট্রি ওঁর পরিবার। আমরা ওঁর পরিবার কি না জানা নেই, কিন্তু টলিউড ইন্ডাস্ট্রি ওঁর পরিবার।’
