
সুদীপা চট্টোপাধ্যায় ও অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারে ফের অঘটন। আচমকাই বড়সড় দুর্ঘটনার মুখে বড় ছেলে আকাশ চট্টোপাধ্যায়। রবিবার রাতের ঘটনা। বন্ধুর মা-কে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন সুদীপার ছেলে আকাশ, এই মুহুর্তে তিনি টলিপাড়ার নতুন প্রযোজকও বটে। বাড়ি ফেরার পথেই ঘটে গাড়ি দুর্ঘটনা! অন্যদিকে ছেলের চিন্তায় নাজেহাল মা সুদীপা।
সম্প্রতি এই দুর্ঘটনার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন আকাশ নিজেই। আকাশ লেখেন, বন্ধুর মাকে হাসপাতাল থেকে দেখে আসার পথে, একজন গাধা তার গাড়ি নিয়ে হঠাৎ করেই সিগন্যালে আমার সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে। আর এটা করার সময় ওই গাড়িটি আমার গাড়ির বাঁদিকে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনা ঘটে। আকাশ আরও বলেন, ভদ্র কোনও ব্যক্তি হলে তিনি এসে ক্ষমা চাইবেন এবং দায়িত্ব নেবেন। কিন্তু না, ওই গাড়িটি ধাক্কা দেওয়ার পর চলে যায়। এরপর আকাশের পোস্ট থেকেই জানা যায় যে ওই গাড়িটি খুব বেপরোয়াভাবে চালাচ্ছিল এবং ফুটপাতে ধাক্কা দিয়েছিল, মানুষের জীবনও ঝুঁকিতে পড়তে পারত।
আকাশের গাড়িকেও আবার ধাক্কা দেয় ওই গাড়িটি। আকাশের আঘাত না লাগলেও গাড়ির বিশাল ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের কাছে অভিযোগ না করলেও আকাশ ওই গাড়ির ছবি ও ভিডিও নিয়ে পোস্ট করেন এবং কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশকে ট্যাগও করেন। সুদীপা-অগ্নিদেবের বড় ছেলের কথায়, শহরের রাস্তা কোনও রেসিং ট্র্যাক নয়, যেখানে এরকম ভাবে গাড়ি চালানো যায়। এতে অন্যের জীবনও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
এই প্রসঙ্গে সুদীপা জানান,‘বড় কিছু হতে পারত। ঈশ্বরের দয়ায় রক্ষা পেয়েছে। আমি আর আকাশের বাবা বারণ করি শনিবার, রবিবার গাড়ি নিয়ে বেরোতে। কিন্তু ওর বয়সে কি তা সম্ভব। ভগবানের কৃপায় আকাশ ঠিক আছে। ওর কোনও চোট লাগেনি। তবে গাড়িটার ভালই ক্ষতি হয়েছে।
সুদীপা জানিয়েছেন, আকাশের মনখারাপ গাড়ির জন্য। তাঁর কথায়, “আকাশ হল গাড়ি আর পোষ্যঅন্ত প্রাণ। তাই আমাকে বলেছে ‘একটা হাত ভেঙে গেলে এত কষ্ট হত না। গাড়ির এমন হওয়ায় বেশি কষ্ট হচ্ছে’। তবে বেশ ভয়ই পেয়েছিলাম আমরা।” এই মুহূর্তে চিন্তামুক্ত চট্টোপাধ্যায় পরিবার।
