
বাংলা ব্যান্ডের জগতে ছকভাঙা গানে দর্শকদের বরাবরই পছন্দের মানুষ শিলাজিৎ মজুমদার। তবে আচমকাই গায়কের বিরুদ্ধে আইনি জটিলতা নিয়ে হইচই নেটপাড়ায়। ঠিক কি ঘটল গায়কের সাথে? নিজস্ব বাড়ি নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন গায়ক। বর্তমানে দক্ষিণ কলকাতার যে বাড়িতে শিলাজিৎ এর পরিবার থাকেন, সেটি নাকি তার নিজের বাড়ি নয়, এমনটাই অভিযোগ অর্ণব বাচস্পতি চক্রবর্তীর। অর্ণব পেশায় একজন বাদ্যযন্ত্রশিল্পী।
অর্ণবের অভিযোগ, ২০১১ সালে এক বছরের চুক্তিতে নিজেদের বাড়ি ভাড়া দিয়েছিলেন শিলাজিৎকে। গানবাজনা করার জন্যই এই বাড়ি নাকি ভাড়া নিয়েছিলেন গায়ক। অর্ণবের কথায়, “বাবার সঙ্গে ১১ মাসের চুক্তি হয়েছিল শিলাজিৎদার। সেই চুক্তি আর রিনিউ করা হয়নি। ক্রমশ দেখলাম, শুধু গানের মহড়া নয়। ওই বাড়িতেই থাকতে শুরু করলেন শিলাজিৎ। প্রথমে ভাড়া উঠে যেতে বলা হলে, ছ’মাস সময় চেয়েছিলেন শিলাজিৎ।”
এই ভাবেই নাকি সময়সীমা বাড়ছিল, দাবি অর্ণবের। তিনি আরও বলেন, “এই ভাবে ২০১৪ সাল এসে গেল। বিষয়টি নিয়ে বচসাও হয়। এক দিন তিনি বলে দিলেন, ‘আমি উঠব না। যা হওয়ার হবে।’ তার পর থেকেই আমরা চেষ্টা করে চলেছি, আইনি পথে সমস্যা সমাধানের।”
বিস্তারিত ঘটনা ২০১৬ সালে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন অর্ণব। এখন রাজ্যে সরকার বদলের পরে ফের বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। অর্ণব আরও জানান, “আইনি পথে হেঁটেও কোনও লাভ হয়নি। ২০১২ থেকে এই জটিলতা চলছে। এর মধ্যে আমার দাদু ও বাবা দু’জনেই প্রয়াত হয়েছেন। কেউই বিচার পাননি। এখন আমি আর মা চেষ্টা করে যাচ্ছি। এমন অবস্থা হয়েছে যে, আমাকে এখন একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে হয়।”
অর্ণবের অভিযোগে শিলাজিৎ বলেন, “বিষয়টি এখন বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। আমার এই নিয়ে মন্তব্য করার কোনও অধিকার নেই। একটি মামলা চলছে। উকিলের সঙ্গে কথা চলছে। আমার কিছু বলার থাকলেও আমি এই নিয়ে কিছু বলতে পারব না। সমাজমাধ্যমে লিখে আমার সম্মানহানির চেষ্টা করছে। এই কারণেই আমাকে নিয়ে ভুল কথা ছড়াচ্ছে ওরা।”
