‘অরিজিৎকে কেউ চিনত না…আমি খুব জনপ্রিয়…ও নয়…’, দাবি অভিজিৎ সাওয়ান্তের

অভিজিৎ সাওয়ান্ত

একসময় একসঙ্গে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন অরিজিৎ সিং ও অভিজিৎ সাওয়ান্ত। দুজনে একই সঙ্গে কেরিয়ার শুরু করলেও আজ অরিজিতের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। ২০১৩ সালে ২০১৩ সালে ‘আশিকি ২’ ছবিতে তুম হি হো গান গেয়েই রাতারাতি জনপ্রিয়তা পান অরিজিৎ। আর সেটাই ছিল তার পরিচিতির টার্নি পয়েন্ট।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অরিজিতের সাফল্যে নিয়ে মুখ খুললেন ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ খ্যাত অভিজিৎ সাওয়ান্ত। ২০০৫ সালে ইন্ডিয়ান আইডল থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন অভিজিৎ কিন্তু ফেম গুরুকুলে অংশ নিয়েও জয়ী হতে পারেননি অরিজিৎ। অভিজিতের কথায়, তাঁদের পরিচিতি, মিউজিক্যাল সফর ও তাঁরা দুজনেই যে চাপের সম্মুখীন হয়েছিলেন, তা এক ছিল না।

অভিজিতের দাবি, ২০০৫ সালে ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১ জেতার পর ঘরে ঘরে পরিচিতি তিনিই পেয়েছিলেন। অভিজিৎ-এর কথায়, “তিনি যখন ঘরে ঘরে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন, তখন অরিজিৎ সবার অলক্ষ্য়ে, লোকচক্ষুর আড়ালে নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলেন। ২০০৫ সালের পর অরিজিৎ প্রচারের আলো থেকে দূরে ছিলেন। অন্তত ১০ বছর, একে শাপে বরই বলা যায়, তিনি মিউজিক স্টুডিওতে গিয়েছেন এবং সব বড় বড় সঙ্গীত পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেছেন, গায়ক হিসেবে নয়, বরং প্রযোজক, প্রোগ্রামার হিসেবে। ”

অভিজিৎ বলেন, ” ২০০৫ সালে ইন্ডিয়ান আইডল জিতে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করে আমি এক কোটি টাকা জিতি আর চ্যানেলের সঙ্গে একটি অ্যালবাম করার চুক্তি পাই। সেই সময় অরিজিৎ সম্পূর্ণভাবে নিজেকে লাইমলাইট থেকে সরিয়ে, মিউজিক স্টুডিওতে কাজ করতে শুরু করেন। প্রচারের আলো থেকে নিজেকে বছরের পর বছর সরিয়ে রেখে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।  সেসময় দর্শক আমায় চিনতেন আর অরিজিৎ নীরবে সংগীতশিল্পী ও কম্পোজারদের সঙ্গে কাজ করে সুযোগের অপেক্ষা করছিলেন।”

অভিজিৎ আরও বলেন, সেই সময়ের হিসেবে যদি ওঁর সঙ্গে আমার তুলনা করেন তাহলে বলব আমি খুব জনপ্রিয় ছিলাম কিন্তু ও ছিল না।
সূত্রঃ bangla . aajtak . in