‘যে ফ্ল্যাটে প্রবাহর সঙ্গে থাকতাম.. শ্বশুরবাড়ি থেকে জিনিস নিয়ে আসাতে ওরা আমাকে.. তখন বাধ্য হয়ে আমি..’, বিচ্ছেদের পরেও ফের বড়সর বিপদ দেবলীনার জীবনে

দেবলীনা নন্দী

কিছু মাস আগেই ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টায় সোশ্যাল মিডিয়ায় সাড়া ফেলেছিলেন গায়িকা দেবলীনা নন্দী। পেশায় পাইলট বর প্রবাহ নন্দীর সঙ্গে তখন থেকেই বিচ্ছেদ পর্ব শুরু হয়ে যায় গায়িকার। আইনি পদক্ষেপও নেন গায়িকা। তবে আচমকাই বড় বিপদের মুখে পরলেন গায়িকা। সোনারপুর থানায় কর্মরত সাব ইন্সপেক্টর সন্তু মণ্ডলের বিরুদ্ধে সমাজ মাধ্যমে অভিযোগ করলেন দেবলীনা। ঠিক কি ঘতেছে গায়িকার সাথে?

সম্প্রতি TV9 বাংলার কাছে দেবলীনার দাবি, “হাসপাতাল থেকে আমি নিজের বাড়িতে ফেরার পর রাজারহাটে যে ফ্ল্যাটে প্রবাহর সঙ্গে থাকতাম, সেখানকার জিনিস আনার প্রক্রিয়া শুরু করি। আমার পোশাক থেকে শুরু করে নিত্য় প্রয়োজনীয় জিনিস ওখানেই ছিল। সেই সময়ে আদালতের নির্দেশে সন্তুবাবু ওখানে যান। তিনি এই জিনিস বের করার জন্য, ১৫,০০০ টাকা ক্যাশ পেমেন্ট দাবি করেন। তখন বাধ্য হয়ে সেটা দিই, বিষয়টা অনুচিত জেনেও।

এরপর আদালতের নির্দেশে চন্দননগরে আমার শ্বশুরবাড়ি থেকে জিনিস নিয়ে আসার উদ্যোগ নিচ্ছি। ওখানে আমার বিয়ের গয়না, বাসনপত্র, শাড়ি, কিছু ফার্নিচার রয়েছে। সেটা যখনই আনতে যেতে চাইছি, সন্তুবাবু সহযোগিতা করছেন না। প্রথমদিন বলেন অসুস্থ, পরের দিন বলেন, নির্বাচন সম্পর্কিত কাজে ব্যস্ত। ঠিক আছে জুনের ৪ বা ৫ তারিখ উনি সহযোগিতা করবেন। আমি বাধ্য হয়ে সমাজ মাধ্যমে জানতে চাই, এই পরিস্থিতিতে কী করা প্রয়োজন। কারণ আগে উনি যতবার ডেট ঠিক হওয়ার পর আসতে পারেননি, ততবার আগের দিন রাতে জানিয়েছেন।”

দেবলীনার অভিযোগের বিরুদ্ধে ইন্সপেক্টর সন্তু মণ্ডলের পালটা জবাব, “ওঁর জিনিস আনার ব্যাপারে সহযোগিতা করেছি। কিছু জিনিস আনার কাজ বাকি আছে। মাঝে আদালত একটি নির্দিষ্ট তারিখ বলেছিল, সেই জিনিস আনার জন্য। কিন্তু আমি যেতে পারিনি। প্রথমে নির্বাচন, নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ঘটনা এবং তারপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন্দ্র করে সোনারপুরে যে ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে আটকে ছিলাম। আমার ৪ বা ৫ জুন যাওয়ার কথা। তবে তার জন্য আদালতের নির্দেশ প্রয়োজন।”

দেবলীনার অভিযোগ, ১৫০০০ টাকা ক্যাশ পেমেন্ট নেওয়া হয়েছে, শুনেই সন্তুর পাল্টা অভিযোগ, “যে কেউ যে কোনও কিছু বলে দিলেই হবে না। তাঁকে প্রমাণ দিতে হবে। উনি আগে প্রমাণ করুন, কাকে টাকা দিয়েছেন। এরকম কিছুই ঘটেনি।”