
যিশু আর নীলাঞ্জনার পথ আলাদা হয়েছে অনেক আগেই। নীলাঞ্জনা আর বড় মেয়ে সারা সোশ্যাল মিডিয়ায় যিশুকে আনফলো করলেও মেয়েকে সারাকে আজও চোখে হারান যিশু। যদিও ছোট মেয়ে জারা প্রথম থেকে বাবাকে ফলোয়ার্স লিস্টে রেখেছেন। ডিভোর্সের পর দুই মেয়েকে একা হাতে মানুষ করছেন মা নীলাঞ্জনা।
বিচ্ছেদ ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা গুঞ্জনের মাঝে ভাইরাল হওয়া পুরনো একটি ভিডিওতে যীশুকে তার দুই কন্যাসন্তান সারা ও জারাকে নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়। সাক্ষাৎকারে যীশু বলেন, “আমার দুই মেয়ে দারুণ মানুষ হয়েছে, তার পুরো কৃতিত্বই আমি নীলাঞ্জনাকে দেব। কারণ আমি অর্ধেক সময় কাজে ব্যস্ত থাকতাম, এখনো আছি।”
ব্যস্ততার কারণে মেয়েদের পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারলেও, বাবা হিসেবে যীশুর মনে কোনো আক্ষেপ বা ক্ষোভ নেই। নিজের পারিবারিক শিক্ষার কথা মনে করিয়ে দিয়ে অভিনেতা বলেন, “আমার মা-বাবা আমাকে শিখিয়েছেন যে জীবনে আর কিছু করো না করো, ভালো মানুষ হও। সত্যি, ভালো মানুষ হওয়ার একটা আলাদা পাওনা আছে। আমার মনে হয় ওরা দুজনেই খুব ভালো। সেটা তো অন্য লোকেরা বলবে, কিন্তু তার কৃতিত্ব আমি নীলাঞ্জনাকেই দেব, কারণ ওই মেইনলি মানুষ করেছে ওদের।”
বাবা ও মেয়ের সম্পর্ক ঠিক কেমন তা নিয়ে যীশু বলেন, “ওদের ওপর রাগ-অভিমান কিছুই হয় না। ওটা একটা সম্পর্কের আলাদা জায়গা, মনের মধ্যে এমন একটা জায়গা যেখানে কিছুই পৌঁছাবে না, না রাগ পৌঁছাবে, না অভিমান পৌঁছাবে, না দুঃখ পৌঁছাবে। ওরা জীবনে যাই করুক, সেখানে শুধু ভালোবাসা থাকবে।”
“যদি ওরা এমন একটি কাজ করে যেখানে ওরা খারাপ আছে বা ভালো নেই, সেইখানে গিয়ে তখন হয়তো রাগ হতে পারে, অভিমান হতে পারে সেই সিচুয়েশনটার ওপর, কিন্তু ওদের ওপর কোনোদিন রাগ হবে না।” টালমাটাল ব্যক্তিগত সম্পর্কের আবহে যীশুর মুখে নীলাঞ্জনার এই প্রশংসা ও মেয়েদের প্রতি ভালোবাসা বর্তমানে নেটিজেনদের মধ্যে বেশ চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।
