ওভারি সিস্ট হওয়ার লক্ষণ কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা

ওভারি সিস্ট

ওভারি সিস্ট

সূত্র :- womens-health-naturally . com

মেয়েদের মধ্যে আজকাল একটি খুব কমন সমস্যা ওভারি সিস্ট। আমাদের দেশে প্রায় ৬০ শতাংশ নারীরা এই রোগে আক্রান্ত। ওভারিয়ান সিস্ট বলা হয়ে থাকে আসলে ওভারি উপরে একটি জলপূর্ণ থলেকে। অনিয়মিত পিরিয়ড, পেতে ব্যথা, হরমোনের সমস্যা ইত্যাদি কারণে সিস্টের আক্রান্ত হছে মহিলারা। ঠিক সময়ে এই রোগের চিকিৎসা প্রয়োজন। সিস্ট বড় আকার ধারন করলে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আরও পড়ুনঃ জন্ডিস কেন হয়, জন্ডিসের লক্ষণ এবং চিকিৎসা

অনেক সময় দেখা যায় রোগী এই রোগের লক্ষণ দেখতে পায় না যার ফলে সিস্ট বড় হয়ে যায়। ওভারি সিস্ট এমনই একটি রোগ যা মহিলাদের ক্ষেত্রে অনেক অসুবিধাজনক। তাই অল্প থেকে এই রোগের চিকিৎসা করানো দরকার। তবে তার আগে আমাদের জানাতে হবে এই রোগের লক্ষণ কি? আজকের এই নিবন্ধ থেকে আপনারা জেনে নিন ওভারিয়ান সিস্টের কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা উপায়। এই পেজে ওভারি সিস্ট রোগটি সম্পর্কে সমস্ত তথ্য আপনাদের জানাব।

আরও পড়ুনঃ টিউমার চিকিৎসা: ব্রেইন টিউমার কি, লক্ষণ এবং চিকিৎসা

ওভারি সিস্ট কি?

ওভারি সিস্ট কি

সূত্র :- images.onhealth . com

ডিম্বাশয় মহিলা প্রজনন সিস্টেম অংশ। ওভারিয়ান সিস্ট হল ওভারি সিস্টের উপর জলপূর্ণ থলি। এটি গর্ভের উভয় পাশের নিচের পেটে অবস্থিত। মহিলাদের দুটি ডিম্বাশয় রয়েছে। কখনও কখনও, একটি ফুসকুড়ি ভরাট কোষ ওভারি উপর বৃদ্ধি পায়। এটি হল ওভারি সিস্ট। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ওভারি সিস্ট বেদনাদায়ক এবং কোন উপসর্গ দেখা যায় না।

আরও পড়ুনঃ কিডনি রোগের প্রতিকার: কিডনি রোগের লক্ষণ এবং প্রতিকার

ওভারি সিস্টের লক্ষণঃ

ওভারি সিস্টের লক্ষণঃ

প্রথমে ওভারি সিস্টের কোন লক্ষণ বোঝা না গেলেও পরে সিস্ট বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লক্ষণও বৃদ্ধি পায়। নিম্নে ওভারি সিস্টের লক্ষণগুলি দেওয়া হল –

  • পেট ফুলে যাওয়া
  • অনিয়মিত মাসিক বা মাসিকের সময় পেতে অসহ্য ব্যথা এবং অতিরিক্ত পরিমাণে রক্তপাত হওয়া।
  • বমি বমি ভাব অথবা বমি করা।
  • স্তনে অস্বস্তি।
  • পিঠের নীচের অংশে ব্যথা বা উরুতে ব্যথা।
  • মলত্যাগের সময় ব্যথা

আরও পড়ুনঃ ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধঃ ডেঙ্গু প্রতিরোধ করার উপায়

ওভারি সিস্টের গুরুত্বর লক্ষণগুলি নিম্নে রইল যা বুঝলেই চিকিৎসার প্রয়োজনঃ

ওভারি সিস্টের গুরুত্বর লক্ষণগুলি নিম্নে রইল যা বুঝলেই চিকিৎসার প্রয়োজনঃ

  • জ্বর
  • অচেতনতা বা মাথা ঘোরা
  • জোরে জোরে শ্বাস ফেলা
  • তলপেটে মারাত্মক ব্যথা

এই লক্ষণগুলি সিস্টের ভাঙ্গা জন্য হতে পারে, তাই দ্রুত চিকিৎসা না করালে গুরুত্বর আকার নিতে পারে। তাই লক্ষণগুলি চোখে পড়লে অবহেলা না করে চিকিৎসা শুরু করা দরকার।

আরও পড়ুনঃ জেনে নিন সাইনাসের লক্ষণ কি এবং তার কারণ

ওভারি সিস্টের চিকিৎসাঃ

ওভারি সিস্টের চিকিৎসাঃ

সূত্র :- cdn1.empowher . com

ওভারি সিস্ট বিভিন্ন আকারের উপর নির্ভর করে যেমন – সাইজ, সিস্টের ধরণ, মহিলার বয়স, সাধারণ স্বাস্থ্য এবং ভবিষ্যতে গর্ভাবস্থার পরিকল্পনা ইত্যাদি।

যতক্ষণ না সিস্ট খুব বড় হয় অথবা বৃদ্ধি না ঘটে, ততক্ষণ ডাক্তার সাধারণত পরামর্শ দেয় অপেক্ষা করার জন্য। কারণ তারা দেখে এটি চিকিৎসা ছাড়া সেরে যায় কিনা। অনেক সময় দেখা যায় অনেক সিস্ট চিকিৎসা ছাড়াই দ্রবীভূত হয়ে যায়। তবে সিস্ট যদি বৃদ্ধি হতে শুরু করে অথবা বড় হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসা করাতে হবে।

ঘরোয়া চিকিৎসা সিস্ট ভালো করা যায় না। চিকিৎসার মাধ্যমে ব্যথা কমানো সম্ভব। তবে ঘরোয়া এই পদ্ধতিগুলিতে চিকিৎসা চলার পাশাপাশি আপনি অনুশীলন করলে তাড়াতাড়ি সুস্থও হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

আরও পড়ুনঃ ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণঃএই লক্ষণগুলি দেখলেই বুঝবেন ডেঙ্গু জ্বর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here