আন্তর্জাতিক নারী দিবসঃ আন্তর্জাতিক নারী দিবস কেন পালন করা হয়

আন্তর্জাতিক নারী দিবস এর ইতিহাসঃ

৮ ই মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস । নারীদের অধিকার, সম্মান ও শ্রদ্ধার কথা মাথায় রেখেই প্রতিবছর এই দিনটি পালিত হয়ে আসছে সারা বিশ্ব জুড়ে। ভাবতেই লজ্জা হয়, ২০১৮ তে দাঁড়িয়ে আজও নারী সম্মান নিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে হছে।
১৯০৮ সালে এই দিনটি সূচিত হয়েছিল। সে বছর কর্মক্ষেত্রে সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর জন্য কলকারখানার নারী শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করেছিল। আন্দোলনের পেছনে অন্যতম কারন ছিল কম পারিশ্রমিক, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। তাদের ভোট দেওয়ার অধিকার ছিল না। ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে কর্মজীবী নারীদের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মলেন অনুষ্ঠিত হয় ১৯১০ সালে।

সারকথাঃ
আন্তর্জাতিক নারী দিবস এর পূর্বে নাম ছিল আন্তর্জাতিক কর্মজীবী নারী দিবস। সারা বিশ্বব্যাপী নারীরা একটি প্রধান উপলক্ষ হিসেবে এই দিনটি পালন করে থাকে। একদিকে যেমন সম্মান ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন মুখ্য বিষয়। অন্য দিকে কোথাও আর্থিক, সামজিক সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানটি বেশি গুরুত্ব পায়।

 

আন্তর্জাতিক নারী দিবস এর ইতিহাসঃ

আন্তর্জাতিক নারী দিবস এর ইতিহাসঃ

নারী দিবস পালন করা হয় বিশ্বের নানা প্রান্তে। এর পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম। ১৯৭৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর প্রায় ১৫ টি দেশে এই দিবসকে জাতীয় ছুটি হিসাবে ঘোষিত হয়।
আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে বারো ঘণ্টা কাজ করানোর প্রতিবাদে একটি সূচ কারখানার মহিলারা আন্দোলন শুরু করেছিলেন। তাদের উপর নেমে আসে পুলিশের লাঠিচার্জ। ঐ কারখানার মহিলারা “নারী শ্রমিক সমিতি” গঠন করে আন্দোলন চালিয়ে যান।
১৯০৮ সালে নিউ ইয়র্ক শহরে ভালো বেতন, সময় অ ভোট দেওয়ার অধিকারের দাবি নিয়ে মিছিল বের করে। ১৯১০ সালে এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসাবে ঘোষিত করা হয়েছিল। দিবসটি পালনের জন্য এগিয়ে এসেছেন সমাজতন্ত্রীরা।

সারকথাঃ
নারী দিবসের ইতিহাসে রয়েছে নারী শ্রমিকদের গরুত্বপূর্ন অবদান। উন্নয়নের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন হাজার হাজার নারী।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস কেন পালন করা হয়?
মানবচক্রের যেই মধ্যম থেকে পৃথিবী আসা, সেই মাধ্যম হল নারী। কখনো মা, কখনোও বোন আবার কখনো বা স্ত্রী ধর্ম পালন করে গেছে। নিজের সুখ বিলিয়ে দিতে পিছপা হন না এই নারীরা। কিন্তু তাদেরই বেশি অসম্নান ও লাঞ্চনা সম্মুখীন হতে হয় এই সমাজে। তাই তাদের উদ্দেশে সম্মান ও শ্রদ্ধা এবং সমঅধিকার জানাতেই উদযাপন হয়ে থাকে এই দিনটি।

সারকথাঃ
ধর্মে আছে, নারীরা দেশের সম্মান। কিন্তু পদে পদে তারাই অসম্মানিত হন।

কীভাবে উদযাপন হয় এই দিনটিঃ

কীভাবে উদযাপন হয় এই দিনটিঃ

যুগের পর যুগ সম অধিকারের প্রচেষ্টায় লড়াই চালিয়ে যাছে নারীরা। তাদের অধিকার ও সম্মান সম্পর্কে মনে করিয়ে দেয় এই দিনটা। নানা আয়োজন করা হয়ে থাকে এই দিনটাকে ঘিরে। অনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রতি সম্মান জানানো হয়। সরকারিভাবে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়ে থাকে এই দিনটিতে। শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা, সেমিনার, সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়ে থাকে।
প্রত্যেক বছর এই দিনটাই শুধু নারীদের সম্মান করব সেটা কিন্তু নয়, বরং প্রতিদিন নারীদের শ্রদ্ধা জানানো প্রত্যেকের কর্তব্য।

নারী দিবসের তাৎপর্যঃ

নারী দিবসের আলাদা কোনো তাৎপর্য নেই।পৃ থিবীর প্রতিটি দিনই নারীর কর্মতৎপরতায় আলোকিত হয়। নারী সমঅধিকার, মজুরি, ও মর্যাদা প্রতিবাদের জন্য তাৎপর্য বিশেষ। সমাজে নারী ও পুরুষ সমান এটা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্যই নারী দিবস পালন হয়ে থাকে।

সারকথাঃ
নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক জয়ের জন্য সর্বব্যাপি নারী দিবস পালন করা হয়ে আসছে। এখন সময় এসেছে নারীর উন্নয়নে। তারা বদলে যাছে কর্ম জীবনের ধারায়।

সম্পর্কিত নিবন্ধ চেক করুন :-
বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য
ব্রন দূর করার উপায়
শীতকালীন ফ্যাশন
পুরুষদের জন্য চুলের যত্নের টিপস
বাচ্চাদের জন্য শীতকালীন পোশাক
শুষ্ক ত্বকের যত্ন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here