
একসময় বড়পর্দায় চুটিয়ে কাজ করলেও বর্তমানে রাজনীতির চেনা মুখ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। ১৯৯২ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ধ্রুব মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেছিলেন রূপা। কিন্তু শত চেষ্টাতেও বাঁচাতে পারেননি দাম্পত্য। স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্সের ১৪ বছর পরেও আজও নজর কাড়ে রূপার সিঁথিতে থাকা সিঁদুর। এখনও কার নামের সিঁদুর সিঁথিতে দেন তিনি?
সংবাদ প্রতিদিনকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে রূপা জানান, ‘আমি তো বিধবা নই! আমি কেন সিঁদুর পরব না? আর আমি রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, বিধবা হয়ে গেলেও সিঁদুর পরতাম। আমি মা ভদ্রকালীর সিঁদুর পরি। বেশ করি সিঁদুর পরি। আমার ভালোলাগে সিঁদুর পরতে, তাই পরব। আমি এখানে (কপাল দেখিয়ে) সিঁদুর পরি, এখানেও (সিঁথি দেখিয়ে) পরি, ভদ্রকালীর সিঁদুর নিয়ে এসেছিলাম, সেটাই পরি।’
‘কাওকে জবাব দেব না আমি কার জন্য পরি, কেন পরি। আর বিধবা হলেই বা কেন সিঁদুর পরবে না, লাল টিপ পরবে না। আমি তো আমার মা-কে জোর করে লাল টিপ পরাতাম বাবা চলে যাওয়ার পরেও। কী সুন্দর লাগে মেয়েদের। আমি অত কেয়ার করি না, আমি সিঁদুর পরব, ব্যাস।’
স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে রুপা জানান, ‘আমার মনে হয়, একজন পুরুষের পক্ষে এক সেলিব্রেটিকে তাঁর স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করাটা খুবই কঠিন। এটা মেনে নেওয়ার জন্য একজনকে অত্যন্ত খোলা মনের মানুষ হতে হবে। আমি কোনওদিন সকাল ৯টার আগে কিংবা রাত ১০টার পরে শিডিউল নিইনি। শ্যুট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মেকআপ না তুলেই বাড়ি চলে আসতাম।’
কিছুটা আফসোস নিয়ে রুপা জানান, ‘একজন মেয়ের পক্ষে তাঁর স্বামীকে খুশি রাখার জন্য যা যা করা সম্ভব আমি সবই করেছি। কলকাতায় ধ্রুবকে নিয় ঘর করার জন্য অভিনয়ও ছেড়ে দিয়েছিলাম। এত কিছু করেও বিয়েটা বাঁচাতে পারিনি।’
