
বেশ কিছুদিন ধরেই নীল আর তৃণার বিচ্ছেদের খবরে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে নীলের জন্মদিনে তৃণার অনুপস্থিতি এবং ইঙ্গিতপুর্ণ পোস্টই নীল ভট্টাচার্য এবং তৃণা সাহার বৈবাহিক সম্পর্কর টালমাটাল অবস্থায় সিলমোহর দিয়েছে। ঠিক কি কারনে তাদের মাঝের এই দুরত্ব তার কোন আভাসই সঠিকভাবে জানা যায়নি। সম্প্রতি তৃণার আরও একটি পোস্ট নিয়ে নেটপাড়ায় বেশ চর্চা শুরু হয়েছে। একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে জীবনের ব্যস্ততা ও সম্পর্ক নিয়ে নিজের স্পষ্ট মতামত জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
নিজের ব্যক্তিগত জীবনের উদাহরণ দিয়ে তৃণা বলেন, “ব্যস্ততা আমার কাছে একটা অজুহাত বৈ কিছু নয়। আমি নিজে যেমন সংসার সামলানোর পাশাপাশি নিয়মিত শুটিং করছি, তেমনই আবার সবটা গুছিয়ে এই অনুষ্ঠানে এসে মায়ের সাথেও দেখা করে নিয়েছি।” অভিনেত্রীর মতে, কর্মব্যস্ততার অজুহাতে কাছের মানুষদের অবহেলা করাটা কেবলই একটা অজুহাত ছাড়া আর কিছুই নয়। মানুষ যদি সত্যিই কাউকে বা কোনো বিষয়কে ভালোবাসে, তবে শত ব্যস্ততার মধ্যেও তার জন্য ঠিক সময় বের করে নিতে পারে।
তবে কি একে অপরকে সময় না দেওয়াই নীল-তৃণার দুরত্বের আসল কারন। নাম না করেই অভিনেত্রীর এই মন্তব্যের তীর কি নীলের দিকেই?
তৃণা মনে করেন দায়িত্ববোধ এবং ইচ্ছাশক্তি থাকলে সমস্ত কাজের মেলবন্ধন ঘটিয়ে সুন্দরভাবে সময় বের করা সম্ভব। তিনি নিজে যদি এই ভারসাম্য বজায় রাখতে পারেন, তবে সমাজের অন্য যে কেউ চাইলেই তা অনায়াসে করতে পারবেন।
অভিনেতা নীল ভট্টাচার্যের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে সংসার এবং শুটিং ফ্লোর দুই জায়গাতেই সমান পারদর্শিতা দেখিয়েছেন তিনি। শত কাজের চাপের মধ্যেও পরিবার ও সম্পর্ককে ব্যালেন্স করে চলার বিষয়ে তৃণার মন্তব্য সাধারণ মানুষের মন ছুঁয়ে গেছে।
