দীর্ঘ চিকিৎসার পরেও শেষ রক্ষা হল না! প্রয়াত জনপ্রিয় গায়িকা, সঙ্গীত জগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া

তিজান বাঈ

সঙ্গীত জগতে ফের শোকের ছায়া। চলে গেলেন জনপ্রিয় গায়িকা। একটা সময় যাঁর সুমধুর কণ্ঠ মন ছুঁয়েছিল গোটা দুনিয়ার। আজ চিরতরে স্তব্ধ সেই কণ্ঠ। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। মাত্র ১৩ বছর বয়সে প্রথম মঞ্চে গান গাওয়া শুরু গায়িকার। হাতে তানপুরা নিয়ে মহাভারতের বিভিন্ন পর্ব গাইতে শুরু করেন, যা পরবর্তীকালে ইতিহাস তৈরি করে।

রবিবার রায়পুরের এইম্‌স হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন গায়িকা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, রবিবার সকাল থেকেই গায়িকার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। শেষ রক্ষা হয় নি।

এর আগেও গত ২৭ মে হঠাৎই শ্বাসকষ্ট ও অতিরিক্ত দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন গায়িকা। সেই সময় থেকেই চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রয়াত পদ্মবিভূষণ পুরস্কারপ্রাপ্ত পাণ্ডবাণী গায়িকা তিজান বাঈ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিজানের চলে যাওয়া কেবল একজন শিল্পীর প্রয়াণ নয়, বরং শিল্প ও সংস্কৃতি জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি।

দুর্গ জেলার গানিয়ারি গ্রামে জন্মগ্রহণ করে ভারতীয় লোকসঙ্গীত কে এমন এক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দিয়েছিলেন, যা আগে কেউ কখনও কল্পনাও করেনি। শিল্পকলায় তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে পদ্মশ্রী, ২০০৩ সালে পদ্মভূষণ এবং ২০১৯ সালে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মবিভূষণে ভূষিত করা হয়। তিনি জাপানের মর্যাদাপূর্ণ ফুকুওকা শিল্প পুরস্কারও পেয়েছিলেন।

তিজান বাঈ