‘জিতু দার সাথে আমার কখনো সমস্যা হয়নি.. আমি এমন একজন মানুষ কে পেয়েছি..’, সহ-অভিনেতা জিতু কমলকে নিয়ে মুখ খুললেন ‘মানসী’ ওরফে দীর্ঘই পাল

দীর্ঘই পাল

রবিবার ১৮ মে ছিল জি বাংলার অন্যতম চর্চিত ধারাবাহিক চিরদিনই তুমি যে আমার-এর শেষ শ্যুট। ধারাবাহিকের সেটে সহ-অভিনেতাদের মধ্যে ঝামলা, ভুল বোঝাবুঝি বারংবার এই মেগাকে নিয়ে এসেছে চর্চায়, তবে তাতে অবশ্য টিআরপি বাড়েনি। শেষ পর্যন্ত সিরিয়ালটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত। এতদিন আর্য সিংহ রায় হিসেবে বাংলার দর্শকদের মনে রাজত্ব করেছিলেন জীতু। তবে এবার যে বিদায় নেওয়ার পালা।

কাজ শেষ হওয়ার শেষ লগ্নে এসেও নিজের আত্মসম্মান ও স্পষ্টবাদিতা যেভাবে বজায় রাখলেন জীতু, তা বিনোদন দুনিয়ায় এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিল। ইদানীং টলিপাড়ায় জিতুর ব্যবহার ও চরিত্র নিয়ে যে সমস্ত কানাঘুষো চলছে, তাতে সরাসরি কাউকে নিশানা না করে পোস্টে কলাকুশলীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে জিতু লেখেন, যদি কারও কোনো ক্ষোভ বা হেনস্থার অভিযোগ থাকে আমার প্রতি, তবে তা যেন প্রজেক্ট চলাকালীনই জানানো হয়। কাজ শেষ হওয়ার বহু পরে কোনো ‘গোপন উদ্দেশ্যে’ যেন কাদা ছোড়াছুড়ি না করা হয়।

তবে এবার জিতুর পোস্টের যোগ্য জবাব দিলেন চিরিদিনই’র মানসী ওরফে অভিনেত্রী দীর্ঘই পাল। জিতুর পোস্টের উত্তরে দীর্ঘই লেখেন, ‘জিতু দার সাথে আমার কোনো সমস্যা নেই, দাদার সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা খুব ভালো, আমি সবসময় বন্ধু দাদার মতন একজন মানুষ কে পেয়েছি ফ্লোরে কিংবা মেকআপ রুমে। এই টুকু আমি বুঝি আমার কিছু খারাপ লাগলে আমি মুখের ওপর বলি উনি ও আমাদের মুখের ওপর বলেন। ধন্যবাদ গোটা টিম!’

সহ-অভিনেতা বা সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বজায় রাখা নিয়ে টলিপাড়ায় যে গুঞ্জন রয়েছে, সেই কথা স্বীকার করে তিনি স্পষ্ট জানান— ‘হ্যাঁ, এটা ঠিক যে আর্টিস্টদের সঙ্গে আমার সখ্যতা গড়ে ওঠে না। আমি খুব একটা কথা বলতে পারি না তাদের সঙ্গে, ভয় পাই। তাই দূরে দূরে থাকি। দূরে থাকাটাকে যদি আপনারা আমার ‘দম্ভ’ বলেন, তাহলে সেটা দম্ভই সই! কিন্তু সেটাকে ‘দুর্ব্যবহার’ তো বলতে পারেন না।’