
বিনোদন জগতে বিরাট দুঃসংবাদ! সাতসকালেই জনপ্রিয় অভিনেতার মৃত্যু সংবাদে স্তব্ধ ইন্ডাস্ট্রির সকলেই। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে নানা চরিত্রে নিজস্ব ছাপ রেখেছিলেন অভিনেতা। আজ সবটাই স্মৃতি। জানা গিয়েছে,দুই সপ্তাহ আগেই অভিনেতার ব্রেনস্ট্রোক হয়েছিল। তিনি ২০শে এপ্রিল থেকে ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তিও ছিলেন।
প্রাথমিক চিকিৎসার পর গত সপ্তাহে তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়, চিকিৎসকের পরামর্শ মতো বাড়িতেই আইসিইউ-এর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু কোনওভাবেই আর শেষরক্ষা হল না৷ মুম্বইয়ের ব্রীচ ক্যান্ডি হাসপাতালে মারা যান অভিনেতা। প্রয়াত বলিউডের স্বনামধন্য অভিনেতা সুদেশ কুমার ধাওয়ান। মৃত্যুকালে অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। সুদেশ কুমারের প্রয়াণ কেবল একজন অভিনেতার বিদায় নয়, ভারতীয় সিনেমার এক সমৃদ্ধ অধ্যায়ের অবসান।
জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করেও হার মানতে হল অভিনেতাকে। ৪ মে বিকেল ৪টেয় মুম্বইয়ের এফপিএইচ ব্যাঙ্কোয়েট হলে তাঁর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে সহকর্মী, অনুরাগী ও পরিবারের সদস্যরা শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন।
১৯৩১ সালের ১৭ মার্চ জন্ম নেওয়া সুদেশ কুমারের জীবনপথ কিন্তু প্রথম থেকেই অভিনয়ের দিকে ছিল না। বাবার ইচ্ছা ছিল ডাক্তার হবে ছেলে৷ কিন্তু তিনি মঞ্চাভিনয়ের জগতের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন৷ অভিনয়কেই বেছে নেন এবং পৃথ্বীরাজ কাপুরের বিখ্যাত নাট্যদলের মাধ্যমে তাঁর অভিনয়ের যাত্রা শুরু করেন।
‘সারঙ্গা’-তে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সুদেশ কুমার ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি বিভিন্ন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। হিন্দি সিনেমার কাজের পাশাপাশি তিনি বেশ কয়েকটি সফল দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। ‘ছোটি বহেন’, ‘ভরসা’ এবং ‘খানদান’-এর মতো ছবিতে তাঁর ভূমিকা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে তাঁকে স্বীকৃতি দেয়। অভিনয়ের বাইরে সুদেশ কুমার চলচ্চিত্র প্রযোজনাতেও হাত দেন। প্রযোজক হিসেবে তাঁর শেষ কাজ ছিল ‘জান হাতেলি পে’।
