মাত্র এক বছরের মাথায় কি বন্ধ হয়ে যাবে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’? অবশেষে মুখ খুললেন ‘মেঘরাজ’ ওরফে সুতীর্থ সাহা

চিরদিনই তুমি যে আমার

আজ এক বছরে পা দিল জি-বাংলা জনপ্রিয় মেগা ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’। যার মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা জিতু কমল এবং অভিনেত্রী শিরীন পাল। এই ধারাবাহিক দর্শকমহলে কতটা জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে তা নিয়ে নতুন করে বলার নয়। তবে দিতিপ্রিয়া আর জিতু’র বিতর্কের পর থেকেই একাধিক বার এই মেগা ধারাবাহিক বন্ধ হওয়া নিয়ে রব উঠেছে।

বর্তমানে টিআরপি তালিকায় এক থেকে দশের মধ্যে থাকলে প্রতিপক্ষের কাছে স্লট হারাতে হচ্ছে। এদিকে জি-বাংলার চ্যানেলে আসছে তিন নতুন মেগা। আর এই নতুন মেগার জন্য জায়গা ছাড়তে হবে টিআরপিতে পিছিয়ে পড়া তিন মেগা ধারাবাহিককে। এসবের মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রব উঠেছে চিরদিনই তুমি যে আমার নাকি বন্ধ হতে চলেছে। এক বছরের মাথায় নাকি ইতি টানা হবে আর্য -অপর্ণা’র যাত্রা। যদিও এই খবরের কোনও সততা আমরা যাচাই করিনি। গোটা বিষয়টা সোশ্যাল মিডিয়ায় গুঞ্জনের ভিত্তিতে।

তবে প্রবাদে আছে, যা রটে তা কিছু তো বটে। ধারাবাহিক বন্ধে বেশ কিছু কারণ সামনে এসেছে, এক, খুব দ্রুত গল্প টানা হচ্ছে। দুই, ধীরে ধীরে আকর্ষণীয় চরিত্রগুলো বাদ পড়ছে। যেমন ধারাবাহিকের মীরা একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ছিল, যেই চরিত্রে প্রাণ ঢেলেছিলেন অভিনেত্রী তন্বী লাহা রায়।  ইতিমধ্যে প্রোডাকশন হাউস থেকে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তার পার্ট শেষ। শুধু তাই নয়, রাজনন্দিনী চরিত্রে অভিনেত্রী পায়েল দে’র যেটুকু পার্ট ছিল তা সম্পূর্ণ। অভিনেত্রী নিজেও সেই কথা জানিয়েছেন ভবিষ্যতে তাকে প্রয়োজন হবে কিনা সেটা সময় বলবে।

এই দুই চরিত্র ছাড়াও প্রায় এক মাস ধরে দেখা যাচ্ছে না মেঘরাজ-কে। যার হাত ধরেই গল্পের মেইন ট্র্যাক শুরু হয়। আনন্দবাজারকে মেঘরাজ চরিত্র অভিনেতা সুতীর্থ সাহা নিজেই জানিয়েছিলেন, “গত এক মাস ধরে ট্র্যাকে নেই। চ্যানেল বা প্রযোজনা সংস্থার তরফ থেকে আমাকে লিখিত ভাবে কিছু জানানোও হয়নি। তাই বলতে পারব না।”

এদিনের সাক্ষাৎকারে  সুতীর্থ সাহার কাছে আরও একটি প্রশ্ন রাখা হয় আনন্দ বাজারের তরফ থেকে, সত্যিই কি এক বছরের মাথায় বন্ধ হয়ে যাবে সকলের প্রিয় মেগা? অবশেষে সেই প্রসঙ্গ মুখ খুলতে দেখা যায় অভিনেতাকে।

সিরিয়াল বন্ধ হবেই বলেই কি এইভাবে চরিত্র ছাঁটাই হচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তরে অভিনেতা সুতীর্থ সাহা জানিয়েছিলেন, “এই উত্তর আমার জানা নেই। তবে আগেও কিন্তু অনেক কম সময়ে একাধিক ধারাবাহিক বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই ধারা নতুন নয়। এখন ‘গেল গেল’ রব উঠছে বেশি। আলোচনাও হচ্ছে বেশি।”