প্রথম ছবিতে দিদার কোলে, পরের ছবিতে দাদার সাথে। প্রথম ছবিতে বয়স কয়েক মাস হলেও দ্বিতীয় ছবিতে কিন্তু বয়স দুই-তিনেক হবে। পরনে সুন্দর ফ্রেক, কাজল কালো চোখ আর কপালে বেশ বড় সাইজের কাজলের টিপ। একটু খেয়াল করে দেখুন তো চিনতে পারছেন কিনা এই ছোট্ট খুদে কে?
ছবিতে থাকা ছোট্ট খুদে বাংলা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী। বাংলা ফিল্ম ইন্ডিস্ট্রির পরিচিত মুখ হলেও ভিন্ন ভাষার ছবিতে অভিনয়ের জন্য সুনাম অর্জন করেছেন এই অভিনেত্রী। এই ছোট্ট খুদে আর কেউ নন, যাকে অনেকে পর্দার সুচিত্রা সেন হিসাবে ভেবে থাকেন।
অভিনেত্রী তার ছোটবেলাকার ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, “তিনি আমার মায়ের মা। এক সময় তাঁদের পরিবারের মালিকানায় ছিল কয়েকটি সিনেমা হল। ছোটবেলায় বড়দের মুখে সেই সময়ের অসংখ্য গল্প শুনেছি। টিকিট কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইন, টিকিট কালোবাজারি, প্রিয় সংলাপ বা গানের সময় দর্শক মঞ্চের দিকে কয়েন ছুড়ে দেওয়া, পছন্দের কোনও শো-এর টিকিট না পেয়ে মারপিট—এমন কত স্মৃতি”
কিছুটা আক্ষেপের সঙ্গে অভিনেত্রী আরও লিখেছেন, ‘কিন্তু পৃথিবীতে কিছুই স্থায়ী নয়। সময় বদলেছে, সিনেমার রূপও বদলেছে। তবুও আমাদের সিনেমার প্রতি ভালবাসা আজও অটুট। দিদা এখনও সিনেমা ভালবাসেন। এখন তাঁর কানে সংলাপ ঠিকমতো পৌঁছায় না, হয়তো সব দৃশ্য বা সংলাপ মনে রাখতেও পারেন না, কিন্তু প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে টিভি চালিয়ে তিনি বিনোদন উপভোগ করেন।’
ইনি হলেন টলি কুইন দর্শনা বণিক। যাকে সিনেমা, সিরিজে হামেশাই দেখে থাকেন দর্শক। বর্তমানে সৌরভ দাসের সঙ্গে চুটিয়ে সংসার করছেন অভিনেত্রী। সমানতালে কাজও চালিয়ে যাচ্ছেন অভিনেত্রী


