
গেম শোয়ের সঞ্চালনা করে বাঙালি বাড়ির ড্রয়িংরুমের চোখের মণি হয়ে উঠেছিলেন অভিনেত্রী স্বরলিপি চট্টোপাধ্য়ায়। একটা সময় টেলিভিশনে জনপ্রিয় মুখ হলেও বর্তমানে অভিনয় জগত থেকে অনেকটাই দূরে অভিনেত্রী। টেলি ধারাবাহিকে অভিনয় করতে করতে সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রেমে পড়েছিলেন স্বরলিপি। সেই সম্পর্ক ভাঙার পর মেয়ে সহচরী কে নিয়ে নতুন ভাবে বাঁচার পথ খুজেছেন অভিনেত্রী।
দক্ষিণ কলকাতার এক জনপ্রিয় ক্যাফের মালিক তিনি। সৌম্যর সঙ্গে দাম্পত্যে প্রতিনিয়ত কতটা অপমানিত হয়েছিলেন তিনি তা প্রকাশ্যে এনেছিলেন অভিনেত্রী। স্বরলিপি যখন প্রেগনেন্ট তখনই তিনি জানতে পারেন সৌম্যর পরকীয়া সম্পর্কের কথা।
এমনকি সৌম্যর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে জানান প্রেগন্য়ান্সির সময়ও চোখের সামনে দেখতেন, তার স্বামী সৌম্য রাতের পর রাতে অন্য মহিলার বাড়িতে পার্টি করছেন। রাতে থাকছেন। অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন সময়ে বহুবার বমি করতাম। কখনও পেটে হাত দিয়েও দেখেনি সৌম্য। এমনকী, আমি বমি করলে, গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে চলে যেত। যাচ্ছে তাই বলত আমাকে। আমি নাকি অশিক্ষিত, ইংরেজি জানি না।
সম্প্রতি সন্তানের পদবী পরিবর্তন নিয়ে ফের আলচনায় উঠে আসে অভিনেত্রীর দাম্পত্য জীবনের ক্ষতের কথা। এই মুহুর্তে মেয়ে সহচরীর কোন দায়িত্বই নেন না তার বাবা সৌম্য। মায়ের কাছেই থাকেন ছোট্ট সহচরী। অনেক ছোটতেই মেয়েকে দেখতে আসা পর্যন্ত বন্ধ করে দেন সৌম্য।
স্বরলিপি জানান, “আমায় বলা হয়, সন্তানের উপর প্রথম অধিকার তার বাবার। তাই আমি যখন মেয়ের পদবী পরিবর্তন করতে গেলাম আমাকে বলা হল বাবার পদবী ব্যবহার করতে হবে। আমি বলেছিলাম ওর পদবী লাগবে না। তখন আমাকে বলা হয়, সেক্ষেত্রে বাচ্চার মা-বাবার দুজনের সন্মতি লাগবে। যতই তুমি বিচ্ছেদ নাও, সন্তানের সব সিদ্ধান্তেই বাবাকে লাগবে।”
অবাক হলাম, এখন যদি মেয়ের বাবা বলত পদবী পরিবর্তনের কথা তখন সঙ্গে সঙ্গে হয়ে যেত। যেহেতু আমি মা, তাই একার সিদ্ধান্তে হবে না।” এরপরেও মেয়ে সহচরীকে নিয়েই তার ভবিষ্যৎ, আর তাকেই নিয়ে চলতে চান এমনটাই দাবি জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
