
সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চায় উঠে এসেছে অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তীর প্রাক্তন বৌদি অভিনেত্রী সুস্মিতা রায়ের দ্বিতীয় বিয়ে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে সব্যসাচী চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় অভিনেত্রীর। সেই সময় সমাজমাধ্যমে অনেক কাঁটাছেঁড়া হয়। যদিও সেসব এখন অতীত। প্রাক্তন স্বামীকে ভুলে নতুন জীবনে পা রেখেছেন সুস্মিতা।
গত মঙ্গলবার আচমকা সকলকে চমকে দিয়ে নিজের বিয়ের সুখবর জানান। পাত্র শুভাশিষ দে। সুস্মিতা যে ব্যবসা সংস্থাটির অংশীদার। নতুন জীবন শুরু করায় ফের কটাক্ষের স্বীকার হতে হচ্ছে অভিনেত্রীকে। কটাক্ষ করতে ছাড়েননি একসময় ভালো বন্ধু তথা দেওয়র সায়কও।
সুস্মিতার বিয়ের খবর সামনে আসতেই সায়ক নিজের সামাজিক পাতায় তার ছবি শেয়ার করে লেখেন, “ভেবে ভালো লাগছে এই বরটাও আমারই খুঁজে দেওয়া । যদিও বর হবে জানতাম না । তবে এবার থামিস প্লিজ । এটাই যেন last বিয়ে হয়। এবার মা হলে আর নরমাল ডেলিভারির জন্য wait করিসনা।” সেই পোস্ট কি দেখেছেন সুস্মিতা?
আজকাল ডট ইন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সায়কের পোস্ট নিয়ে সুস্মিতা জানান, “না দেখতে পাইনি। আসলে একবার ও আমায় সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ব্লক করেছিল। তারপর আমি ওদের সবাইকে ব্লক করে দিই। তাই কে কী লিখছে সেটা নিজের চোখে না দেখলেও শুনেছি। এক্ষেত্রে আমার একটাই কথা বলার, অনেককিছু নিয়েই আমি কিন্তু মুখ খুলতে পারতাম। যেমন, গোমাংশের ঘটনাটা; কিন্তু আমি কিছু বলিনি কারণ, সেটা আমার শিক্ষা।”
নতুন জীবন শুরু করায় কটাক্ষ নিয়ে এই সংবাদমাধ্যমে অভিনেত্রী জানান, যখন ডিভোর্স হয়েছিল তখনও একেবারে চুলচেরা বিশ্লেষণ হয়েছিল। আমার চরিত্র নিয়েও কথা উঠেছিল। এমনকী আমার মা’কেও আক্রমণ করা হয়েছিল। এসব তো ভুলে যাইনি, কিন্তু অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। এসব এড়িয়ে নিজের মতো করে বাঁচতে শিখেছি। কে কী বলল সেটা নিয়ে একদম মাথা ব্যথা করি না, আমার সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই কমেন্ট সেকশন বন্ধ থাকে বেশিরভাগ সময়ে, তাই এগুলো চোখে পড়ে না তেমন। আমার কাছের মানুষরা যারা জানতেন আগে আমি কেমন ছিলাম, কীসের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম, তাঁরা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, পাশে থেকেছেন; এটাই পাওয়া।”
