‘চোখে দেখতে পাচ্ছে না.. হাঁটতেও পারছে না.. ডাক্তার বলেন এখনই ওর… প্রার্থনা করুন সবাই.. ‘, স্বামী অগ্নিদেবের অসুস্থতায় ভেঙে পড়লেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়

সুদীপা চট্টোপাধ্যায়

বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে যেন পর পর অঘটন ঘটেই চলেছে। গুরুতর অসুস্থ সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের স্বামী পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়। তড়িঘড়ি ভর্তি করানো হয়েছে বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে। ঠিক কী হয়েছে অগ্নিদেবের? সবটা জানালেন স্ত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়।

আনন্দবাজারকে দেওয়া সাক্ষাতকারে সুদীপা বলেন, ‘প্রাথমিক এমআরআই-তে জানা গিয়েছে স্ট্রোক হয়েছে। সম্ভবত গতকালও (শুক্রবার) অ্যাটাক হয়েছিল। সেটা খুব বড় কিছু ছিল কি না বোঝা যাচ্ছে না। কিন্তু একটার পর একটা অ্যাটাক আসছে। ওর মাথা ব্যথা করছিল। প্রথমে পরিবারের কেউই বুঝতে পারেননি। ভেবেছিলেন মাইগ্রেনের সমস্যা হয়েছে। সুদীপা যোগ করেন, “ওর মাথা ব্যথা করছিল। তখনও বুঝিনি। তার পর হঠাৎই বলে বাঁ চোখে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে না৷। এমনকি হাঁটতেও পারছিল না। টলে পড়ে যাচ্ছিল। তখনই পারিবারিক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালে নিয়ে যাই।”

স্বামীর আচমকা অসুস্থতায় খুবই ভয় পেয়েছেন সুদীপা। ছোট ছেলে আদিদেব চট্টোপাধ্যায় বাড়িতে। তাই সুদীপা হাসপাতালে থাকতে পারেননি। তবে অগ্নিদেবের কাছে রয়েছেন তাঁর বড় ছেলে আকাশ চট্টোপাধ্যায়। তবে তিনি জানিয়েছেন বর্তমানে আইসিইউতে থাকলেও স্থিতিশীল আছেন অগ্নিদেব। কিন্তু এখনই তাঁকে হাসপাতালে থেকে ছাড়া হবে না। চিকিৎসকরা কড়া পর্যবেক্ষণে মধ্যে রেখেছেন।

কিন্তু কেন এমন হল? সুদীপা চট্টোপাধ্যায় জানালেন জিতু কামালকে নিয়ে তাঁরা চোর ছবির শুটিং করছিলেন। আদতে ১২ দিন হওয়ার কথা ছিল শুটিংটি। কিন্তু অভিনেতার ডেট নিয়ে সমস্যা হওয়ায় দিন রাত এক করে ৯ দিনে শুট শেষ করা হয়। দিনরাত জেগে এডিটিং চলে। অভিনেত্রীর অনুমান সেই স্ট্রেস থেকেই হয়তো এমনটা হয়েছে।