শেষ হল পথচলা। শুটিং ফ্লোরের সেই পরিচিত ব্যস্ততা, মেকআপ রুমের আড্ডা আর লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের সেই চেনা ছন্দ— সবটাই এখন অতীত। বিদায়ের মুহূর্তে মন ভারী অভিনেতা সুব্রত গুহ রায়ের। দর্শক তাকে চিনেছেন রায়ানের দাদু হিসেবে।
সম্প্রতি অভিনেতার ফেসবুক পোস্ট দেখে রীতিমত অবাক দর্শক। ধারাবাহিকের এই দীর্ঘ জার্নিতে নিজের চরিত্র এবং সহকর্মীদের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্কে দূরত্বের যন্ত্রণা ধরা পড়ল সুব্রতবাবুর কথায়।
ধারাবাহিকের সকলের সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করে সুব্রত বাবু লেখেন, “বিদায় বন্ধুরা…আবার দেখা হবে… আমার কথাটি ফুরোলো… নটে গাছটি মুড়োলো…হাসছি কিন্তু মনটা ভারাক্রান্ত….এতদিনের মজা হাসি শেষ হয়ে যাচ্ছে…সবার সাথে আবার অন্য কোথাও দেখা হবে।”
গোপাল চরিত্রের পর কি এবার পরিণীতা ধারাবাহিক থেকে বিদায় নিলেন রায়ানের দাদু? ধারাবাহিক শেষ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই মন খারাপ করেছেন দর্শকেরাও। অনুরাগীদের উদ্দেশে সুব্রত গুহ রায় জানিয়েছেন দর্শকদের নিঃশর্ত ভালোবাসাই এই দীর্ঘ যাত্রার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
সেরকমটা কিছুই হচ্ছে না। আপাতত পরিণীতা ধারাবাহিক থেকে বাদ যাচ্ছেন না সুব্রত গুহ রায়। পরিণীতা’র পাশাপাশি অভিনেতা দূরদর্শনের পর্দাতেও সমান দাপটের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। ডিডি বাংলার জনপ্রিয় মেগা ‘হরি ঘোষের গোয়াল’, সেখানকার পরিচিত মুখ সুব্রত বাবু।
‘হরি ঘোষের গোয়াল’কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানিয়ে এক বুক স্মৃতি আঁকড়ে ধরলেন অভিনেতা। সেখানে যেমন ছিল কাজের তৃপ্তি, তেমনই ছিল প্রিয় চরিত্রকে বিদায় জানানোর কষ্ট। অভিনেতার পোস্টে উঠে এসেছে স্টুডিওর সেই ‘গোয়াল’-এর কথা, যা গত কয়েক মাসে তাঁর কাছে ঘরের মতোই হয়ে উঠেছিল। সহ-অভিনেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি তিনি। দর্শকদের ভালোবাসার টানেই এই পথচলা সম্ভব হয়েছে।
সুব্রত গুহ রায়ের পোস্টের নিচে কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। কেউ লিখেছেন, ‘আপনার অভিনয় খুব মিস করব’, কেউ আবার কনফিউজ হয়ে জানতে চেয়েছেন, ‘দাদা, পরিণীতা কি শেষ হচ্ছে?’ অভিনেতা স্পষ্ট করেছেন, এখনই পরিণীতা শেষ হচ্ছে না। কেউ আবার তাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে জানিয়েছেন, ওহ এটা অন্য় ধারাবাহিক।

