সঙ্গীত মহলে ফের শোকের ছায়া। চলে গেলেন জনপ্রিয় গায়ক। চিরনিদ্রার দেশে পাড়ি দিলেন কিংবদন্তি রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। নিজের অনন্য কণ্ঠের আবেশে তিনি মুগ্ধ করেছিলেন গোটা এক প্রজন্মকে। রবীন্দ্রনাথের গানে গেয়ে সঙ্গীতজগতে তিনি তৈরি করেছিলেন এক স্বতন্ত্র পরিচয়।
এমন এক গুণী শিল্পীর জীবনাবসান যেন এক স্মরণীয় অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি। শুধু গায়ক হিসাবেই নয়, শিক্ষক হিসেবেও তিনি ছিলেন প্রবাদপ্রতিম। নতুন প্রজন্মের অসংখ্য ছাত্রছাত্রীকে তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঠিক ব্যাকরণ ও গায়কী শিখিয়েছেন। তাঁর হাত ধরেই তৈরি হয়েছে বহু স্বনামধন্য শিল্পী।
‘আমার মিলন লাগি তুমি’,‘গভীর রজনী নামিল হৃদয়ে’,‘মাঝে মাঝে তব দেখা পাই’-এর মতো গান নতুন প্রাণ পেয়েছে তাঁর কণ্ঠে। রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রচার ও প্রসারে তাঁর অবদান সঙ্গীত ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
প্রয়াত বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী অর্ঘ্য সেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। অর্ঘ্য সেনের অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলার সঙ্গীত মহল।
অর্ঘ্য সেনের জন্ম ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দের ১১ নভেম্বর অধুনা বাংলাদেশের ফরিদপুরে। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল খুলনার সেনহাটি গ্রামে। পিতা হেমেন্দ্রকুমার সেন ছিলেন কৃষিবিজ্ঞানের শিক্ষক এবং মাতা বিন্দুদেবী সঙ্গীতচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অর্ঘ্য় সেনের চলে যাওয়া বাংলা সংস্কৃতি দুনিয়ার এক অপূরণীয় ক্ষতি।


