
আচমকাই হাসপাতালের বিছানায় অভিনেতা রোহন ভট্টাচার্য। গুরুতর আহত হয়েছেন অভিনেতা। কিন্তু ঠিক ঘটল রোহনের সাথে? রাহুলের মৃত্যুতে এবার নড়েচড়ে বসেছে গোটা টলিউড। মিছিল থেকে শুরু করে থানায় অভিযোগ দায়ের, সবকিছুই করা হয়েছে বিচারের আশায়। তবে রাহুলের শেষ যাত্রায় দেখতে পাওয়া যায়নি টলিউডের অন্যতম অভিনেতা রোহনকে।
কিন্তু কেন তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি, তা নিয়ে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন রোহন। জানান বর্তমান শারীরিক অবস্থার কথা। নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার কথাও সকলের সঙ্গে শেয়ার করেন অভিনেতা।
রোহন বলেন, “জানোই তো আমি পথ কুকুরদের একটু আধটু সাহায্য করি, ওদের চিকিৎসা করি। ওরমই একটি কাজে গিয়েছিলাম। অনেকগুলো কুকুর ছিল ওখানে, তখনই একটু মারামারি হয়ে গিয়েছে। এখন ভাল আছি। আজই ছেড়ে দেবে।”
রোহন বলেন, ‘২০১২ সালে শুটিং করার সময় আমার বিরাট বড় অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছিল। আমার হাতে একটা কাটা দাগ আছে। শুটিং করার সময় ট্রেন (দার্জিলিং মেল) ধাক্কা মেরেছিল আমাকে। আমার হাত ভেঙে যায়। সবার আগে যেটা হয় সেটা হল সেখানে যারা উপস্থিত ছিলেন সবাই পালিয়ে গিয়েছিলেন। সবার মনে হয়েছিল যে ট্রেনে ধাক্কা মারলে কি করে একটা মানুষ বেঁচে থাকবে? এরপর কিছু লোকাল লোক আর গুটিকয়েক টেকনিশিয়ান ছিলেন তারা আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান হাসপাতালে।’
View this post on Instagram
রোহন আরও বলেন, ‘দায় কেউ নেয় না। সেদিন যদি আমার কিছু হয়ে যেত তাহলে আপনারা শুনতে পেতেন যে আমি হয়তো ট্রেনের পাশে ঘুরে বেরাচ্ছিলাম অথবা রেললাইনের ট্র্যাক ধরে হাঁটছিলাম। যেহেতু আমি বেঁচে আছি তাই আপনাদের জানাতে পারছি যে শুটিং চলাকালীন আমার সঙ্গে কী হয়েছিল। সব থেকে বড় কথা সেদিন প্রান্তিকের কাছে যে শ্যুটিং চলছিল সেটা উইথআউট পারমিশন চলছিল।’
সবশেষে রোহন বলেন, ‘এই দায় আমাদের সবাইকে নিতে হবে। অনেকে এমন আছেন, যারা বলেছিলেন সেদিন রাহুলদা এমনি সমুদ্রে নেমে গিয়েছিলেন আবার তারাও দেখছি মিছিলে হেঁটেছেন। কিন্তু এভাবে হবে না। আমাদের সবাইকে দায় নিতে হবে অন্তত রাহুলদার পরিবারের জন্য।’
