
একের পর এক মৃত্যু! বিনোদনদুনিয়ায় ফের দুঃসংবাদ। চলে গেলেন টেলিভিশন ও সিনেমার পরিচিত মুখ। আটের দশকের হলিউডের টেলিভিশন ও সিনেমার ‘স্বর্ণযুগ’-এর জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেত্রী জেনিফার রুনইয়ন আর নেই। গত ৬ মার্চ নিজের শহরেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।
জানা গিয়েছে, ক্যানসারের সঙ্গে ছয় মাসের লড়াইয়ের পরই প্রয়াত হন এই অভিনেত্রী। তাঁর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই অনুরাগী ও সহকর্মীদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
হলিউডের পর্দায় তাঁর উপস্থিতি হয়তো আর দেখা যাবে না, কিন্তু আশির দশকের টেলিভিশন ও সিনেমার ইতিহাসে জেনিফার রুনইয়ন-এর নাম চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
১৯৮৪ সালে মুক্তি পাওয়া জনপ্রিয় ছবি ঘোস্টবাস্টার্স-এ অ্যানি পটস-এর চরিত্রের বন্ধুর ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি রাতারাতি আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয়তা পেয়ে পান। পারিবারিক ঘরানার চরিত্রে তাঁর সাবলীল অভিনয় তাঁকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে।
আশির দশক জুড়ে একাধিক টেলিভিশন প্রজেক্টে কাজ করেছিলেন তিনি। কিন্তু ক্যারিয়ারের এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আচমকাই অভিনয় জগত থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন এই অভিনেত্রী।
১৯৯১ সালে প্রযোজক টড কর্ম্যান-কে বিয়ে করার পর তিনি হলিউড থেকে দূরে সরে যান। মূলত পরিবার ও সন্তানদের বড় করে তোলার দায়িত্বকেই তিনি তখন জীবনের প্রধান অগ্রাধিকার করে নেন। তাঁর দুই সন্তান—ছেলে ওয়ায়াট এবং মেয়ে বেইলিকে নিজের হাতে বড় করতে চেয়েছিলেন তিনি।
অভিনয় থেকে বিরতি নেওয়ার সময়ে তিনি শিক্ষকতা করেন এবং একটি কুকিং পডকাস্টও সহ-সঞ্চালনা করেন। পরে সন্তানরা বড় হয়ে ওঠার পর আবার ধীরে ধীরে অভিনয়ে ফিরতে শুরু করেন তিনি। ২০১০-এর দশকে তাঁর প্রত্যাবর্তনের পর বেশ কয়েকটি স্বতন্ত্র ঘরানার ছবিতে দেখা যায় তাঁকে।

